দৈনিক জনতা

Latest Post

 



সড়কের দু'পাশই দখল করে ধান মাড়াই, ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন

 

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রধান প্রধান সড়কসহ জেলার গ্রামাঞ্চলের পাকা সড়ক গুলোতে বর্তমানে ধান মাড়াই, ধান ও খড় শুকানো হচ্ছে। প্রধান সড়কের অর্ধেক রাস্তা খর ও ধান দিয়ে ব্লক করা হয়েছে। এ নিয়ে সড়কে চলাচল করতে চরম বিপাকে পড়েছেন ও ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন সব রকমের যানবাহনের গাড়ি চালকরা।

জেলার বিভিন্ন উপজেলা ঘুরে দেখা গেছে এমন দৃশ্য। সকাল হলেই বিশেষ করে জেলার ঠাকুরগাঁও-বালিয়াডাঙ্গী রাণীশংকৈল - নেকমরদ মহাসড়কের কৃষষকরা ক্ষেত থেকে ধান কেটে রাস্তায় মাড়াই করে ও রাস্তার উপরে দু'পাশেই ধান ও ধানের খড় শুকাচ্ছেন বিকাল অব্দি। আর বিকাল থেকে শুরু হয় রাস্তায় ঢেলে দেওয়া ধান বস্তায় করে তুলে বাড়ি নিয়ে যাওয়া। খর গুলোকে জড়ো করে রাস্তার পাশেই বড় বড় স্তুপ করে রাখেন। শুকিয়ে গেলে অনেকে আবার বাড়িও নিয়ে যান।





বিগত কয়েক বছর ধরে এভাবেই বিভিন্ন ফসল মাড়াই ও শুকানোর কাজ করছেন স্থানীয়রা।

প্রতিবছর জেলার বিভিন্ন সড়কে বিভিন্ন ফসলের মৌসুমে এ ভাবে রাস্তাগুলোর অর্ধেক জায়গা দখল করে ফসল শুকানোর কাজে ব্যবহার করা হয়। তাতে সড়ক গুলোতে গাড়ি চলাচলের রাস্তা সরু হয়ে যায়। গাড়ি অভারটেকিং করাসহ নানা ধরনের সমস্যা হয়। ফলে সড়কে চলাচলে বিঘ্নতা সৃষ্টির কারনে চলাচলকারী বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও যাত্রীরা দুর্ঘটনার শিকার হন। এতে অনেকের প্রাণনাশের ঘটনা ঘটেছে বলে জানা যায়।

এ নিয়ে চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন সড়কে চলাচলকারীরা ও গাড়ি চালকরা। রাস্তা থেকে এসব দ্রুত অপসারণ করার জন্য প্রশাসনকে অনুরোধ করেন তারা।

সড়কে যেন এভাবে কোন ফসল শুকানো না হয় সে বিষয়ে প্রশাসনকে ব্যবস্থা গ্রহণের অনুরোধ জানিয়ে মাসুদ রানা নামে এক মোটরসাইকেল চালক বলেন, 'রাস্তার উপর দু'পাশে বিভিন্ন সময় ধান,গম, ভূট্টা, ধানের খর শুকানোর ফলে অনেক ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হয়। অনেক সময় দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়।,

মাহিন্দ্র গাড়ী চালক বাবুল হক বলেন, 'এভাবে রাস্তার উপরে ধান ও খর শুকানোর ফলে গাড়ির ব্রেক ঠিকভাবে ধরে না গাড়ি স্লিপ করে চলে যায়। এভাবে গাড়ির নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনা ঘটে ফলে মানুষ আহত ও নিহত হন।,



মোটরসাইকেল আরোহী ফারুক হোসেন বলেন, 'সড়কে এভাবে ধান ও খর শুকানোর ফলে অনেক মানুষের বিপদ হচ্ছে। এ বিষয়ে জরুরিভাবে প্রশাসনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত।,

আমিরুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তি বলেন, 'ধান খর দিয়ে রাস্তায় মরণ ফাঁদ তৈরি করা হয়েছে। এভাবে এক্সিডেন্ট করে মানুষ মারা যাচ্ছে কিন্তু প্রশাসন এগুলো কিছুই দেখে না।,

আরো পড়ুন: তেলের ওপর নিষেধাজ্ঞা দিলে গ্যাস বন্ধের হুমকি রাশিয়ার

জীবনের ঝুঁকি থাকলেও বাড়িতে জায়গা সংকটের কারণে কৃষকরা বাধ্য হয়ে রাস্তার উপর ধান মাড়াই করে ধান ও খর শুকাচ্ছেন বলে জানান তারা।

লুৎফর রহমান নামে এক কৃষকের কাছে রাস্তায় ধান ও খর শুকানোর কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, 'বাড়িতে জায়গা নেই। তাই উপায় না পেয়ে বাধ্য হয়ে রাস্তায় এগুলো শুকাচ্ছি।,


আইয়ুব আলী নামে এক কৃষক বলেন, 'এখন বর্ষাকাল। বৃষ্টির কারণে বাড়ির আঙিনা গুলো কাদা হয়ে গেছে। এজন্য জীবনের ঝুঁকি থাকলেও ও কষ্ট হলেও ধান ও খর রাস্তায় শুকাইতে হচ্ছে।,

জেলা প্রশাসককে রাস্তার উপরে ধান ও খর শুকানোর বিষয়টি অবগত করা হলে জেলা প্রশাসক মো. মাহবুবুর রহমান বলেন, 'রাস্তার উপর এভাবে ধান শুকানোর কোনো সুযোগ নেই। রাস্তায় ধান ও খর শুকানোর ফলে দুর্ঘটনার প্রবণতা অবশ্যই সৃষ্টি হতে পারে। তাই এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার দের মাধ্যমে মানুষদের সচেতন করা হবে। যাতে তারা রাস্তায় ধান ও খর না শুকায়।



আরো পড়ুন:

 



ঠাকুরগাঁওয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ শুরু


ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলায় প্রথম পর্যায়ে বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা হালনাগাদ কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এবার আগামী তিন বছরের মধ্যে যারা ভোটার হওয়ার যোগ্য (১৮ বছর) হবেন, তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। সে হিসাবে ২০০৭ সালের ১ জানুয়ারি বা তার আগে যাদের জন্ম, এই হালনাগাদ কার্যক্রমে তাদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে।

বুধবার সদর গড়েয়ার ৪নং ওয়ার্ডে তথ্য সংগ্রহের কাজ শুরু হয়। এসময় সাধারণ মানুষের অনেক বেশি ভিড় লক্ষ্যে করা যায় ভোটার হওয়ার জন্য। ভোটার তালিকায় নিজের নাম তোলার জন্য সকলে উৎসুকভাবে অংশগ্রহণ করে।

ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য ১৭ ডিজিটের অনলাইন জন্মনিবন্ধন সনদ, শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে), মা-বাবার জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি, ইউটিলিটি (পানি, বিদ্যুৎ, গ্যাস) বিলের কপি প্রয়োজন হবে।






নির্বাচন অফিস সূত্রমতে, সদর উপজেলায় বর্তমান ভোটার ৪ লক্ষ ৫৫ হাজার ৭৭৯ জন। সম্ভাব্য বৃদ্ধির লক্ষ্যমাত্রা ৩৪ হাজার ১৭৮ জন। ১০ মে ছবি তোলার কার্যক্রম শুরু হয়ে ১৩ আগস্ট পর্যন্ত চলবে।

নির্বাচন কমিশনের পক্ষে ১৯৮ জন তথ্য সংগ্রহকারী বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করছেন। তাদের তদারকি করার জন্য ৪১ জন সুপারভাইজার নিয়োজিত রয়েছেন।

ভোটার তালিকায় নাম তুলতে আসা ওই এলাকার মফিজুল, রহমত, জিল্লুরসহ আরো অনেকে বলেন, খুব সহজে ভোটার তালিকায় নিজের নাম দিতে পারছি। বাসায় এসে ভোটার তালিকায় নাম নিচ্ছে। ঘরে বসে ডিজিটাল সেবা পাচ্ছি আমরা। এজন্য সরকারকে ধন্যবাদ জানান সকলে

তথ্য সংগ্রহের কাজ পরিদর্শন করেন জেলা নির্বাচন অফিসার সফিকুল ইসলাম। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাচন অফিসার ও রেজিস্ট্রেশন অফিসার রেজাউল ইসলাম এবং সুপারভাইজার মাসুদ রানা।

জেলা নির্বাচন অফিসার সফিকুল ইসলাম বলেন, নির্বাচন কমিশনের উদ্দেশ্য হচ্ছে একজন যোগ্য ভোটারও যেন ভোটার তালিকা হতে বাদ না পরে।

সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজারেরা নিরলস ভাবে পরিশ্রম করে সঠিক ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আমরাও কাজগুলো মনিটরিং করছি। আমরা আশা করছি আমাদের হালনাগাদ কার্যক্রম সুন্দর ভাবে সুসম্পন্ন হবে।


আরো পড়ুন:




শার্শায় ভারতীয় রুপা ও মোটরসাইকেলসহ পাচারকারী আটক

বেনাপোল প্রতিনিধি : যশোরের শার্শা সীমান্ত থেকে ৮ কেজি ৩শ' গ্রাম ভারতীয় রুপা ও একটি মোটরসাইকেলসহ জসিম উদ্দিন (৩৯) নামে এক পাচারকারীকে আটক করেছ পুলিশ।

মঙ্গলবার (২৪ মে) বিকালে উপজেলার গোগা-সাতমাইল সড়কের বসতপুর ফুলতলা মোড় থেকে এ রুপার চালানটি আটক করে বাগআঁচড়া তদন্ত কেন্দ্রর পুলিশ।

আটক জসিম উদ্দিন উপজেলার গোগা গাজীপাড়া গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে।

পুলিশ জানায়, রুপা পাচারের গোপন খবর পেয়ে অভিযানে চালিয়ে একটি মোটরসাইকেল সহ জসিমকে আটক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী মোটরসাইকেলে তল্লাশি চালিয়ে বিশেষ কায়দায় রাখা ৮ কেজি ৩শ' গ্রাম ভারতীয় রুপা উদ্ধার করা হয়।

বাগআঁচড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রর ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, আটক আসামীর বিরুদ্ধে শার্শা থানায় মামলা হয়েছে।


আরো পড়ুন:


 


ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সোচ্চার থাকতে হবে
-রমেশ চন্দ্র সেন

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য সাবেক মন্ত্রী রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকার দেশে যে কাজ করছে, তা সারা বিশ্বে রোল মডেল হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু একটি মহল বসে নেই, তারা সরকারের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। তাই ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে দলের নেতাকর্মী ও জনগণকে সোচ্চার থাকার আহবান জানান তিনি।

মঙ্গলবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও পৌর আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত কমিটির পরিচিতি সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।


সংসদ রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, যতই ষড়যন্ত্র হোক না কেন, সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে আমরা এ উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখব। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখার জন্য আমাদের এ সরকারকে প্রয়োজন। তাই আগামী ২০২৩ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পুণরায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আমরা পুণরায় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই। এজন্য সকলকে ঐকব্যদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, বিএনপি যখন ক্ষমতায় ছিল তখন তারা দেশের উন্নয়নের নামে অর্থ লুটপাট করেছে এবং বিদেশে পাচারও করেছে। তারা দেশকে একটি ভঙ্গুর রাষ্ট্রে পরিণত করেছিল। কিন্তু আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে দেশে ব্যাপক হারে উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, যা গুনে শেষ করা যাবে না। এসব উন্নয়নের সুফলও জনগণ ভোগ করছে। অতএব আওয়ামী লীগ হচ্ছে জনগণের সরকার, আওয়ামী লীগ আসলেই দেশের চেহেরা পাল্টে যায়।

রমেশ চন্দ্র সেন বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই জানেন এই পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপি কি ধরনের ষড়যন্ত্র করেছিল, কিন্তু তারা সফল হয়নি। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আজ স্বপ্নের পদ্মাসেতু হয়ে গেছে। এখন জনগণকে আর কষ্ট করে পদ্মা নদী পারপার হতে হবে না, পদ্মা সেতুর উপর দিয়ে অল্প সময়ের মধ্যে এপার থেকে ঐপার, আর ঐপার থেকে এপারে যাতায়াত করতে পারবে।



সামনে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আসছে; এই নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকাকে নির্বাচিত করতে হবে। এজন্য আওয়ামী লীগের প্রত্যেক নেতাকর্মীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার জন্য আহŸান জানান সংসদ সদস্য রমেশ চন্দ্র সেন।


ঠাকুরগাঁও পৌর আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত সভাপতি ইকরামুল হক একরামের সভাপতিত্বে ও নব-নির্বাচিত পৌর কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বাবুর সঞ্চালনায় পরিচিতি সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন, ঠাকুরগাঁও জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুহাম্মদ সাদেক কুরাইশী, সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়।

এছাড়াও বক্তব্য দেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি মাহবুবুর রহমান খোকন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক অ্যাড. আ ফ ম গোলাম ফারুক রুবেল, অ্যাড. মোস্তাক আলম টুলু, সাংগঠনিক সম্পাদক জুলফিকার আলী ভুট্টো, প্রচার সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান রিপন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক নজরুল ইসলাম স্বপন, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি অ্যাড. অরুনাংশু দত্ত টিটো, সাধারণ সম্পাদক মোশারুল ইসলাম প্রমুখ।

এরআগে ঠাকুরগাঁও পৌর আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত কমিটি ও পৌর আওয়ামী লীগের অধিনে গঠিত পৌরসভার ১২টি ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নব-নির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন অতিথিরা।


আরো পড়ুন:




 


ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে সর্বাত্মক হামলা শুরু রাশিয়ার

ইউক্রেনীয় সেনাদের ঘেরাও করতে আজ মঙ্গলবার ইউক্রেনের পূর্বাঞ্চলে সর্বাত্মক হামলা শুরু করেছেন রুশ সেনারা। এই হামলার ফলাফল ওই অঞ্চলে রুশবাহিনীর সফলতা বা ব্যর্থতা নির্ধারণ করতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।


 ইউক্রেন যুদ্ধের ঠিক তিন মাস পর ইউক্রেনের দ্বিতীয় বৃহত্তম শহর খারকিভে ভূগর্ভস্থ মেট্রো চালু করার পরিকল্পনা করছে কর্তৃপক্ষ। যেখানে হাজার হাজার বেসামরিক মানুষ কয়েক মাস ধরে টানা বোমা হামলা থেকে বাঁচতে আশ্রয় নিয়ে রয়েছে।

মেট্রো পুনরায় চালু করা গত কয়েক সপ্তাহে ইউক্রেনের বৃহত্তম সামরিক সাফল্যের প্রতীক। ইউক্রেন চাইছে রুশ বাহিনীকে মূলত খারকিভের আর্টিলারি রেঞ্জের বাইরে ঠেলে দেওয়া, যেমনটি তারা গত মার্চে রাজধানী কিয়েভে করেছিল।


যুদ্ধের সর্বশেষ পর্বের নির্ণায়ক লড়াইগুলো এখনো ইউক্রেনের দক্ষিণ–পূর্বাঞ্চলেই চলছে। যেখানে মস্কো পূর্বাঞ্চলীয় দুটি প্রদেশ দোনেস্ক এবং লুহানস্কের দনবাস অঞ্চল দখলের চেষ্টা করছে এবং মূল পূর্বাঞ্চলে ইউক্রেনীয় বাহিনীকে একটি এলাকায় আটকে রাখার চেষ্টা করছে।

লুহানস্কের গভর্নর সেরহি গাইদাই বলেন, লিসিচানস্ক এবং সিভিয়েরোডোনেৎস্ককে ঘিরে ফেলতে শত্রুরা আক্রমণ চালাচ্ছে। যেখানে দুটি শহর এখনো ইউক্রেনের দখলে থাকা শেষ অঞ্চলগুলোর মধ্যে রয়েছে। তিনি বলেন, সিভিয়ারোডোনেৎস্কে আগুনের তীব্রতা কয়েক গুণ বেড়েছে। তারা শহরটিকে স্রেফ ধ্বংস করছে। এক টেলিভিশন সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, শহরটিতে ১৫ হাজার মানুষের বাস, যেটি এখনো ইউক্রেনীয় সেনাদের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।


দনবাসে রয়টার্সের সাংবাদিকেরা আরও পশ্চিমে বাখমুতে পৌঁছেছেন। তাঁরা গতকাল সোমবার লাইসিচানস্কের দিকে মহাসড়কে তীব্র গোলাগুলি শুনেছেন। তাঁরা দেখেছেন, ইউক্রেনীয় সাঁজোয়া যান, ট্যাঙ্ক এবং রকেট লঞ্চার সামনের দিকে অগ্রসর হচ্ছিল। একই সঙ্গে সেনাদের বহনকারী বাসগুলোও সামনে এগিয়ে যাচ্ছিল।


এদিকে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধ কবে থামবে, তার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে না বলে এএফপির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। এই যুদ্ধের কারণে বিশ্ব অর্থনীতি হুমকির মুখে পড়েছে। অবিলম্বে যুদ্ধ বন্ধে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে আহ্বান জানানো হচ্ছে। শান্তি প্রতিষ্ঠায় তুরস্ক ও বেলারুশে রাশিয়া ও ইউক্রেনের নেতারা একাধিকবার বৈঠক করলেও তাতে কার্যত কোনো ফল আসেনি। আলোচনা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে।

আরো পড়ুন:


 



ভারতে পাচার হওয়া ৫ বাংলাদেশী নারীকে বেনাপোলে হস্তান্তর

বেনাপোল প্রতিনিধি: ভালো কাজের প্রলোভনে ভারতে পাচারের শিকার ৫ বাংলাদেশী নারীকে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়।





ফেরত নারীরা চুয়াডাঙ্গার, ফরিদপুরের, চট্রগ্রাম ও রাজবাড়ি এলাকার বাসীন্দা।

জানা যায়, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত পথে তিন বছর আগে এরা ভারতে গিয়েছিল। এসময় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে জেলে পাঠায়। পরে তাদের ঠাই হয় ভারতীয় মানবাধিকার সংস্থ্যায়। পরে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগীতায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পায়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি রাজু আহম্মেদ জানিয়েছেন, পুলিশের কার্যক্রম শেষে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে এনজিও সংস্থ্যা গ্রহন করেছে।

এদিকে ফেরত আসা এসব নারীরা যদি পাচারকারীদের সনাক্ত করে মামলা দিতে চাই তবে আইনী সহয়তা দেওয়া হবে জানিয়েছেন নারীদের গ্রহনকারী মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস এন্ড কেয়ার।


আরো পড়ুন:







বালিয়াডাঙ্গীতে কলেজ ছাত্রীকে উত্যক্ত, দুই যুবক আটক !

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে একাদশ শ্রেণির দুই শিক্ষার্থীকে উত্যক্ত করার (ইভটিজিং) অভিযোগে দুই যুবককে আটক করার পর কলেজ কর্তৃপক্ষ তাদের পুলিশের কাছে তুলে দিয়েছে।

রবিবার (২২ মে) সকালে বালিয়াডাঙ্গী শহীদ আকবর আলী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি কলেজে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলেন, উপজেলার পাড়িয়া ইউনিয়নের চাকদহ গ্রামের মফিজুল ইসলামের ছেলে রাজু হোসেন (২৩) ও ওই ইউনিয়নের বামুনিয়া গ্রামের খোরশেদ আলীর ছেলে জনি হাসান (২৫)।

শিক্ষার্থী ও পুলিশ জানায়, কলেজে আসার জন্য দুই শিক্ষার্থী যানবাহনের জন্য অপেক্ষা করছিল। এসময় এক ব্যাটারি চালিত অটো রিক্সা চালক তাদের নিয়ে কলেজের উদ্যেশ্যে রওনা দেয়। চলন্ত অবস্থায় পাশে বসে থাকা রাজু নামে এক যুবক তাদের শরীরে হাত দেয়।



জানা যায়, কলেজের ওই দুই শিক্ষার্থী সকালে কলেজে যাওয়ার উদ্দেশ্যে দাঁড়িয়ে থাকে বালিয়াডাঙ্গী-লাহিড়ী মহাসড়কে যানবাহনের জন্য। এ সময় এক ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চালক তাদের নিয়ে কলেজের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। অটোরিকশার পেছনে থাকা রাজু হোসেন ওই দুই কলেজছাত্রীর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় হাত দেয় বলে অভিযোগ করে ভুক্তভোগী দুই কলেজছাত্রী।

তবে এ ঘটনায় অটো রিকশাচালকও সহযোগিতা করেছে বলে জানায় সেই দুই কলেজছাত্রী।

পরে কৌশলে ওই দুই শিক্ষার্থী ড্রাইভারসহ দুজনকে কলেজ কর্তৃপক্ষের কাছে নিয়ে আসে। কর্তৃপক্ষ তাৎক্ষণিকভাবে তাদের আটক করে পুলিশে খবর দেয়।

আরও জানা যায়, এ ঘটনার পর কলেজের সকল ছাত্র-ছাত্রীরা বিচারের দাবিতে রাস্তা অবরোধ করে। পরে কলেজের প্রিন্সিপাল কলেজ ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ন্ত্রণে আনে। এবং পরে পুলিশের হাতে তুলে দেয় রাজু হোসেন ও অটোরিকশা চালককে।

ওই কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নিপা আক্তার বলেন, আমার দুইজন সহপাঠী জাউনিয়া বাজারের আশেপাশে আসলে রাজু নামে ছেলেটি সহপাঠীর গায়ে হাত দেয়। এমন ঘটনার জন্য সুষ্ঠু বিচার চাই।




ওই কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী নুরি তাসমি বলেন, আমরা যেন নিরাপদে আসতে পারি এমন ব্যবস্থা চাই। আমার সহপাঠীর যা হয়েছে তার জন্য উত্তম বিচার চাই যাতে করে কোন সময় এমন ঘটনা আর না ঘটে।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অভিযুক্ত যুবকরা জানায়, এ ঘটনা পুরোপুরি মিথ্যে। আমাদের ফাঁসানো হচ্ছে। আমি দুই কলেজছাত্রীর কাউকে চিনি না।


এ বিষয়ে বালিয়াডাঙ্গী থানা (পরিদর্শক) ওসি খায়রুল আনাম ডন জানান, ঘটনার প্রেক্ষিতে দুজনকে আটক করা হয়েছে। তদন্ত করে ইভটিজিং কারীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।


আরো পড়ুন:

  1. ইউক্রেনে নাজুক অবস্থায় পড়ে গেছি: প্রতিমন্ত্রী
  2. সাকিব: দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে খেলা সম্ভব নয়
  3. জয়নাল হত্যা মামলার সব আসামি খালাস; পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ
  4. ফেনীর দাগনভূঁঞায় মোটরসাইকেল চোরাই চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার 
  5. ফেনীর ফুলগাজীতে দুই মহিলা ছিনতাইকারী গ্রেফতার
  6. বালিয়াডাঙ্গীতে এক পরিবারের চার সন্তানই প্রতিবন্ধী
  7. Afran Nisho: ভারতীয় ওয়েব সিরিজে আফরান নিশো
  8. পুতিনের বেপরোয়া পদক্ষেপ ইউরোপকে সরাসরি হুমকি দিচ্ছে 
  9. Russia Ukrain: বাংলাদেশি জাহাজে হামলার জন্য ইউক্রেনকে দুষছে রাশিয়া 
  10. সাড়ে ১২ কোটি মানুষ টিকার আওতায়
  11. নিয়ন্ত্রণহীন ভোজ্য তেলের বাজার
  12. ইউক্রেনে নাজুক অবস্থায় পড়ে গেছি: প্রতিমন্ত্রী

 



রাণীশংকৈলে বঙ্গবন্ধু বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন


ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট, বালক (অনূর্ধ্ব-১৭) ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট বালিকা (অনূর্ধ্ব-১৭) আন্তঃ ইউনিয়ন পর্যায়ের ফুটবল টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে।

টুর্নামেন্টে ৮ টি ইউনিয়ন, পৌরসভা ও উপজেলা পরিষদসহ মোট ১০টি দল অংশগ্রহণ করেন।

সোমবার(২৩মে) বিকালে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার আয়োজনে টুর্নামেন্টের শুভ উদ্বোধন করেন উপজেলা চেয়ারম্যান শাহরিয়ার আজম মুন্না।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সোহেল সুলতান জুলকার নাইন কবির স্টি'ভর সভাপতিত্বে ফুটবল টুর্নামেন্ট উদ্ধোধনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আ.লীগ সভাপতি অধ্যক্ষ সইদুল হক পৌরমেয়র মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শেফালি বেগম, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইন্দ্রজিৎ সাহা, ম্যাচ কমিশনার সাবেক অধ্যক্ষ তাজুল ইসলাম, উপজেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম বীরমুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান ইউপি চেয়ারম্যান আবুল হোসেন, আবুল কাশেম ও জমিরুল ইসলাম, যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মকবুল হোসেন ও নজরুল ইসলাম, প্রাথমিক সহকারি কর্মকর্তা ঘনশ্যাম রায়, পৌর কাউন্সিলর হালিমা আক্তার ডলি, রুহুল আমীন, ইসাহাক আলী ও আবু তালেব সহ সাংবাদিক ও স্থানীয় রাজনৈতিক, সামাজিক ব্যক্তিবর্গ এবং ক্রীড়ামোদী দর্শকরা উপস্থিত ছিলেন।


উক্ত উদ্বোধনী খেলায় অংশ গ্রহন করেন রাণীশংকৈল পৌরসভা একাদশ নেকমরদ ইউপি একাদশ ও নন্দুয়ার ইউপি একাদশ ধর্মগড় ইউপি একাদশ

দু’টি খেলার প্রথমটিতে পৌরসভা একাদশ ১-০ গোলে নেকমরদ ইউপি একাদশকে হারিয়ে জয়ী হয়। ২য় খেলায় নন্দুয়ার ইউপি একাদশ ধর্মগড় ইউপি একাদশকে ২-০ গোলে হারিয়ে জয়ী হয়।

গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন সহকারি অধ্যাপক প্রশান্ত বসাক। খেলার ধারা বর্ণনায় ছিলেন উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাদেকুল ইসলাম ও তারেক আজিজ।


আরো পড়ুন:


যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget