বিশ্বকাপে ১১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে বিসিসিআইয়ের

0
9

 

%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B6%E0%A7%8D%E0%A6%AC%E0%A6%95%E0%A6%BE%E0%A6%AA%E0%A7%87%20%E0%A7%A7%E0%A7%A7%E0%A7%AC%20%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%B2%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%A8%20%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%20%E0%A6%A1%E0%A6%B2%E0%A6%BE%E0%A6%B0%20%E0%A6%AA%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%20%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%A4%E0%A6%BF%20%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%86%E0%A6%87%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0

বিশ্বকাপে ১১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে বিসিসিআইয়ের |

ভারত সরকার যদি কর মওকুফ না করে, তাহলে এক ২০২৩ সালের বিশ্বকাপেই ৫৮ থেকে ১১৬ মিলিয়ন ইউএস ডলার লোকসান হতে যাচ্ছে ভারত ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই)। এর আগে এই কর–সংক্রান্ত জটিলতার কারণে ২০২১ সালের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ভারত থেকে সরিয়ে নেওয়ার হুমকিও দিয়েছিল আইসিসি। পরে অবশ্য করোনাভাইরাসের কারণে ওমান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে ওই টুর্নামেন্ট আয়োজন করে বিসিসিআই।

মূলত ভারতে বিশ্বকাপ আয়োজনে প্রাপ্ত অর্থ থেকে ওই দেশের সরকারকে কর দিতে হবে আইসিসির। সেটিই মওকুফ করতে সরকারের সঙ্গে দর–কষাকষি করার কথা বিসিসিআইয়ের। শেষ পর্যন্ত সেটি না হলে আইসিসি টাকা কাটবে বিসিসিআইয়ের লভ্যাংশের ভাগ থেকে। এ সম্পর্কে অবহিত করতে রাজ্য সংস্থাগুলোকে এরই মধ্যে চিঠি দিয়েছে বিসিসিআই, জানিয়েছে ক্রিকেটবিষয়ক ওয়েবসাইট ইএসপিএনক্রিকইনফো।

এই কর মওকুফ করার বিষয়ে আইসিসির সঙ্গে বিসিসিআইয়ের ঝামেলা বেশ পুরোনোই। ভারতে বৈশ্বিক কোনো টুর্নামেন্ট হলেই সামনে আসে সেটি। ২০১৬ সালে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সময় আইসিসির বৈশ্বিক টুর্নামেন্টের সম্প্রচারস্বত্ব থাকা স্টার ইন্ডিয়ার ওপর প্রায় ১০.৯২ কর আরোপ করেছিল ভারত সরকার। সে সময় বিসিসিআইয়ের লভ্যাংশের ভাগ থেকে প্রায় ২৩.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার কেটে রেখেছিল আইসিসি।

সে ব্যাপারে আইসিসির সঙ্গে বিবাদেও জড়ায় বিসিসিআই। সেটির চূড়ান্ত সমাধান এখন পর্যন্ত না হলেও ভারতের ক্রিকেট সংস্থা বলেছিল, ২০২৩ বিশ্বকাপে কর মওকুফ করার ব্যাপারে ভারতের অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে তারা ‘আলোচনা শুরু করেছে’। আগামী অক্টোবর-নভেম্বরে হতে যাওয়া এ টুর্নামেন্টের জন্য সরকারের কাছ থেকে কর মওকুফের নিশ্চয়তা পেতে শেষ সময় ছিল গত এপ্রিলে। পরে সেটি ৩১ মে পর্যন্ত বাড়ানো হয়।

২০১৪ সালে ছেলেদের তিনটি বৈশ্বিক টুর্নামেন্ট আয়োজনের সুযোগ পায় ভারত—২০১৬ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ, ২০১৮ সালের চ্যাম্পিয়নস ট্রফি (যা পরে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পরিবর্তিত হয়) ও ২০২৩ সালের বিশ্বকাপ। বিসিসিআইয়ের সঙ্গে আইসিসির সমঝোতারই অংশ ছিল—আইসিসি ও এর বাণিজ্যিক অংশীদারদের কর মওকুফের দায়িত্ব নেবে ভারতের ক্রিকেট সংস্থা।

আরো পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here