মার্কিন আদালতে বিচারের হাত থেকে অব্যাহতি পাবেন সৌদি যুবরাজ

0
8

 

%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%95%E0%A6%BF%E0%A6%A8%20%E0%A6%86%E0%A6%A6%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A6%A4%E0%A7%87%20%E0%A6%AC%E0%A6%BF%E0%A6%9A%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%20%E0%A6%A5%E0%A7%87%E0%A6%95%E0%A7%87%20%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A7%8D%E0%A6%AF%E0%A6%BE%E0%A6%B9%E0%A6%A4%E0%A6%BF%20%E0%A6%AA%E0%A6%BE%E0%A6%AC%E0%A7%87%E0%A6%A8%20%E0%A6%B8%E0%A7%8C%E0%A6%A6%E0%A6%BF%20%E0%A6%AF%E0%A7%81%E0%A6%AC%E0%A6%B0%E0%A6%BE%E0%A6%9C%20%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A7%8D%E0%A6%AE%E0%A6%A6

মার্কিন আদালতে বিচারের হাত থেকে অব্যাহতি পাবেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ

যুক্তরাষ্ট্রের কর্তৃপক্ষ বলছে, সৌদি আরবের যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানকে আমেরিকার কোন আদালতে বিচারের সম্মুখীন করা যাবে না।

দু’হাজার আঠারো সালে খুন হওয়া সৌদি ভিন্নমতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাসোগজির প্রেমিকা হাতিস চেঙ্গিজ ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে যুক্তরাষ্ট্রের ডিস্ট্রিক্ট অব কলাম্বিয়ার ফেডারেল ডিস্ট্রিক্ট  আদালতে একটি মামলা করেছিলেন। 

তাতে তিনি যুবরাজ মোহাম্মদ ও অন্য কিছু সৌদি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে  জামাল খাসোগজিকে “অপহরণ করে বেঁধে মাদক প্রয়োগ ও  অত্যাচার এবং হত্যা করার” অভিযোগ এনে মামলা করেন।

তবে এখন মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর ও বিচার বিভাগের আইনজীবীরা বলছেন,  যুবরাজ মোহাম্মদ যেহেতু একই সাথে সেদেশের প্রধানমন্ত্রী – তাই একজন সরকার প্রধান হিসেবে তিনি আমেরিকায় করা কোন মামলার বিচারের হাত থেকে রেহাই পাবেন।   
ইস্তাম্বুলের সৌদি কনস্যুলেটের ভেতরে ২০১৮ সালের অক্টোবরে মি খাসোগজিকে হত্যা করা হয়।

মার্কিন  গুপ্তচর সংস্থা বলেছে,  যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানই এ হত্যার নির্দেশ দিয়েছিলেন বলে তারা বিশ্বাস করে।

যুবরাজ মোহাম্মদ বরাবরই মি. খাসোগজির হত্যাকাণ্ডে কোন ভূমিকা রাখার কথা অস্বীকার করে আসছেন।

কিন্তু আদালতে দেয়া দলিলপত্রে মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর বলেছে, সৌদি যুবরাজ সেদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব নেবার ফলে তিনি বিচার থেকে অব্যাহতি পাবেন।

মিজ হাতিস চেঙ্গিজ  এর পর টুইটারে এক বার্তায় লিখেছেন, এই রুলিংএর মাধ্যমে “জামাল আজ আবার মারা গেল।“

মিজ চেঙ্গিজ এবং জামাল খাসোগজির প্রতিষ্ঠিত অধিকার সংগঠন “ডেমোক্রেসি ফর দি আরব ওয়ার্ল্ড নাউ” (ডন)  – দু পক্ষ মিলে এ মামলাটি করেছে এবং তারা এই হত্যার জন্য সৌদি যুবরাজের কাছ থেকে অজ্ঞাত ক্ষতিপূরণ দাবি করছে।  

মানবাধিকার সংগঠন অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের মহাসচিব  অ্যাগনেস ক্যালামার্ড বলেছেন, আজ যে বিচার থেকে “অব্যাহতি” দেয়া হলো তা অবশেষে  “বিচারহীনতায়” পরিণত হতে যাচ্ছে।
সৌদি আরবের বাদশাহ সালমান বিন আবদুলআজিজ আল সউদ ২০১৭ সালে তার পুত্র প্রিন্স মোহাম্মদ বিন সালমানকে যুবরাজ বলে ঘোষণা করেন। সাঁইত্রিশ বছর বয়স্ক  যুবরাজ মোহাম্মদকে এ বছর সেপ্টেম্বর মাসে প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব দেয়া হয়।

 যুক্তরাষ্ট্রের বিচার বিভাগের আইনজীবীরা বলছেন,  বিদেশী কোন সরকারের ক্ষমতাসীন প্রধান হিসেবে যুবরাজ  মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের কোন আদালতের বিচারের সম্মুখীন হওয়া থেকে অব্যাহতি পান।

আইনজীবীরা বলেন, সরকারপ্রধানদের  কোন ভিন্ন দেশের আদালতে বিচার থেকে অব্যাহতি পাওয়াটা আন্তর্জাতিক আইনে প্রতিষ্ঠিত একটি বিষয়।

তবে বাইডেন প্রশাসন গুরুত্ব দিয়ে বলেছে, এই রুলিংএর মাধ্যমে কাউকে নির্দোষ বলা হচ্ছে না।

সৌদি আরব বলে আসছে – একদল এজেন্টের অননুমোদিত অপারেশনের ফলে  ওয়াশিংটন পোস্টের সাবেক সাংবাদিক মি. খাসোগজি নিহত হন – যাদের  পাঠানো হয়েছিল তাকে দেশে ফিরে আসার জন্য প্রভাবিত করতে।

তবে মার্কিন কর্মকর্তারা বলেন – গুপ্তচর সংস্থা সিআইএ এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে যে যুবরাজ মোহাম্মদ এতে জড়িত ছিলেন বলে তারা মোটামুটি নিশ্চিত।  


আরো পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here