সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটদের হাতে

0
16

 

%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%A8%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%A8%E0%A6%BF%E0%A6%AF%E0%A6%BC%E0%A6%A8%E0%A7%8D%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%A3%20%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B7%E0%A6%AE%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%B8%E0%A7%80%E0%A6%A8%20%E0%A6%A1%E0%A7%87%E0%A6%AE%E0%A7%8B%E0%A6%95%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A7%87%E0%A6%9F%E0%A6%A6%E0%A7%87%E0%A6%B0%20%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%A4%E0%A7%87

সিনেটের নিয়ন্ত্রণ ক্ষমতাসীন ডেমোক্রেটদের হাতে

নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে যাচ্ছে এমন আশঙ্কার মাঝে নেভাদায় একটি গুরুত্বপূর্ণ আসন জিতে মার্কিন সিনেটের সংখ্যাগরিষ্ঠ নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখল ডেমোক্রেটিক পার্টি।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমর্থন পাওয়া প্রতিদ্বন্দ্বী রিপাবলিকান প্রার্থী অ্যাডাম ল্যাক্সাল্টকে ডেমোক্রেট সিনেটর ক্যাথরিন কর্টেজ মাস্টো পরাজিত করছেন বলে পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে।

মিজ মাস্টো ছয় বছর আগে মার্কিন সিনেটে নির্বাচিত হওয়া প্রথম ল্যাটিন বংশোদ্ভূত কেউ।

নেভাদার ফলাফলের অর্থ হল ডেমোক্রেটদের এখন ৫০টি সিনেট আসন থাকবে, রিপাবলিকানদের বর্তমানে ৪৯টি।

এখনও সিনেট নির্বাচনের ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করছে জর্জিয়া।

সেখানে কোন প্রার্থীই ৫০ শতাংশ ভোট পাননি তাই সেখানকার নিয়ম অনুযায়ী চার সপ্তাহ পর, ৬ ডিসেম্বর শীর্ষ দুই প্রার্থীর মধ্যে দ্বিতীয় দফা ভোটযুদ্ধ হবে।

নেভাদার বৃহত্তম অঞ্চল ক্লার্ক কাউন্টি, যার মধ্যে লাস ভেগাসও রয়েছে, সেখানে ব্যালটের হিসেব প্রকাশ করার পরে নেভাদায় ডেমোক্রেটদের জয় নিশ্চিত হয়েছে।

স্থানীয় নেভাদা ইন্ডিপেনডেন্ট নিউজ আউটলেট অনুসারে, ক্লার্ক কাউন্টিতে গণনা করা ২৩ হাজার ব্যালটের সর্বশেষ ব্যাচে বর্তমানে ক্যাথরিন কর্টেজ মাস্টো ৬০ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

যেখানে তার প্রতিদ্বন্দ্বী অ্যাডাম ল্যাক্সাল্ট ৩৫ দশমিক ৪ শতাংশ ভোট পেয়েছেন।

নেভাদায় জয়ের পর ডেমোক্রেটদের এখন ৫০টি সিনেট আসন থাকবে, রিপাবলিকানদের বর্তমানে ৪৯টি।

রেটিং-এ বর্তমানে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের জনপ্রিয়তায় নিম্নগতি থাকা স্বত্বেও এবং যুক্তরাষ্ট্রে বর্তমানে ৪০ বছরের মধ্যে সবচেয় বেশি মুদ্রাস্ফীতির পটভূমিতে এটি দলের একটি অসাধারণ কৃতিত্ব বলে মনে করা হচ্ছে। 

প্রেসিডেন্ট বাইডেন কম্বোডিয়ার নম পেন থেকে সিনেটর ক্যাথরিন কর্টেজ মাস্টোকে অভিনন্দন জানিয়ে ফোন করেছেন।

নেভাদায় যার প্রত্যাশিত বিজয় সিনেটের নিয়ন্ত্রণ সুরক্ষিত করলো।

সাংবাদিকদের প্রেসিডেন্ট বাইডেন বলেছেন, “আমি ভাল অনুভব করছি এবং আমি আগামী কয়েক বছরের জন্য অপেক্ষা করছি,”

ওদিকে প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানরাই সংখ্যাগরিষ্ঠতার কাছাকাছি চলে আসছে বলে মনে হচ্ছে।

রিপাবলিকানরা সংখ্যাগরিষ্ঠতা পাবে এমনটা মনে হলেও দেখা যাচ্ছে সেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা হবে খুবই সামান্য।

যদিও প্রেসিডেন্ট বাইডেন এখনো সেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠতার আশা ছেড়ে দেননি।

তিনি বলেছেন যে তিনি নিম্নকক্ষে বাকি আসনগুলোর প্রতিযোগিতা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন এবং ডেমোক্রেটরা এখনও সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে পারে এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেন না।

তবে তিনি স্বীকার করেছেন যে, “বিষয়টা আসলে অনেক বড় চাওয়া হয়ে যাবে যা হতে হলে সবকিছু আমাদের মতো হতে হবে।”

বাইডেনের দল ন্যূনতম ২১০ টি আসন জিতবে বলে অনুমান করা হচ্ছে। তবে রিপাবলিকানরা ইতিমধ্যে ২১৪ টি আসন নিয়ে এগিয়ে আছে।

প্রতিনিধি পরিষদের নিয়ন্ত্রণ পুনরুদ্ধার করতে তাদের আরও চারটি আসন প্রয়োজন।

যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী সংসদ নির্বাচনে সাধারণত বিরোধী দল ভালো কর থাকে। বিরোধীদের জন্য কুড়ি বছরের মধ্যে এই ফল সবচেয়ে সেরা বলে মনে হচ্ছে।

দুই হাজার দুই সালে জর্জ ডব্লিউ বুশের সময় রিপাবলিকান পার্টি কংগ্রেসের উভয় কক্ষের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিল।

আমেরিকায় প্রতিবার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দু’বছর পর এই নির্বাচন হয়ে থাকে, যার ফলাফলে নির্ধারিত হবে যে প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের শাসনকালের বাকি দুটি বছরে ক্ষমতার ভারসাম্য কেমন হবে ।

এখন পর্যন্ত পাওয়া ফলাফল অনুযায়ী রিপাবলিকানরা কংগ্রেসের নিম্নকক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে প্রেসিডেন্ট বাইডেনের কর্মসূচি বাস্তবায়ন বড় বাধার মুখে পড়বে।

তবে তিনি বলেছেন – তিনি রিপাবলিকানদের সাথে কাজ করতে প্রস্তুত, এবং আগামী সপ্তাহেই তিনি দুদলের মধ্যে একটি ‘বাই-পার্টিজান’ বৈঠকে বসবেন।

আরো পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here