টানা ষষ্ঠ বারের মতো তথ্যপ্রযুক্তি খাতে সম্মানজনক ‘ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার-২০১৯’ পেলো ........


কামরুল হাসান : বাংলাদেশে তথ্যপ্রযুক্তির বিপ্লবের অগ্রযাত্রায় আরেকটি সাফল্য যুক্ত হলো। তথ্যপ্রযুক্তি খাতে আরো একটি মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার পেয়েছে বাংলাদেশ। টানা ষষ্ঠ বারের মতো এ খাতে সাফল্যের ধারাবাহিকতায় ‘ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার-২০১৯’ অর্জন করেছে বাংলাদেশের নয়টি প্রকল্প।
সম্প্রতি জেনেভায় আড়ম্বরপূর্ণ এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রতিনিধিদের হাতে ডব্লিউএসআইএস পুরস্কার-২০১৯ তুলে দেওয়া হয়। বাংলাদেশের পক্ষে এই পুরস্কার গ্রহণ করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ও ডব্লিউএসআইএস ফোরাম-২০১৯-এর চেয়ারম্যান মোস্তাফা জব্বার এবং তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।


অনুষ্ঠানে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব এন এম জিয়াউল আলম, এটুআই’র পলিসি অ্যাডভাইজার আনীর চৌধুরী, এডুকেশনাল টেকনোলজি এক্সপার্ট রফিকুল ইসলাম, ইনোভেশন ফান্ড এক্সপার্ট নাহিদ আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
পুরস্কারের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে ১১৪০টি আবেদন জমা পড়ে। প্রাথমিক বাছাইয়ে উত্তীর্ণ হয় ১০৬২টি আবেদন। দ্বিতীয় দফা বাছাই ও মূল্যায়নে টিকে থাকে ৪৯২টি প্রকল্প। এরপর ভোটাভুটির জন্য বিশ্বজুড়ে উন্মুক্ত করে দেয়া হয় প্রকল্পগুলো।
বিশ্বব্যাপী জাতিসংঘের বহুমাত্রিক অংশীদারদের প্ল্যাটফর্ম হচ্ছে দ্য ওয়ার্ল্ড সামিট অন দ্য ইনফরমেশন সোসাইটি বা ডব্লিউএসআইএস। ২০ লাখ ভোটে তালিকায় আসে ৯০টি প্রকল্প। এর মধ্যে ৭২টি প্রকল্প চ্যাম্পিয়ন হয়, যেখানে বাংলাদেশের প্রকল্প আটটি। ১৮টি প্রকল্প হয় উইনার, এর মধ্যে বাংলাদেশের একটি।
তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অধীন বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের (বিসিসি) ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল আর্কিটেকচার এবং ই-গভর্ন্যান্স ইন্টারঅপারেবিলিটি ফ্রেমওয়ার্ক’ প্রকল্প উইনার পুরস্কার পায়। ডবিøউএসআইস অ্যাকশন লাইন ক্যাটাগরি-৬ এর এনাব্লিং এনভায়রনমেন্ট ক্যাটাগরিতে এই পুরস্কার দেয়া হয়।
চ্যাম্পিয়ন পুরস্কার পাওয়া প্রকল্পগুলো হলো- ক্যাটাগরি ২ (ইনফরমেশন অ্যান্ড কমিউনিকেশন ইনফ্রাস্ট্রাকচার)- সরকারের ডেভেলপমেন্ট অব আইসিটি ইনফ্রা-নেটওয়ার্ক অব বাংলাদেশ গভর্নমেন্ট বা ইনফো সরকার প্রকল্প।
ক্যাটাগরি ৯ (ই-লার্নিং) সরকারের শিক্ষক বাতায়ন প্রকল্প। ক্যাটাগরি ১২ (ই-এনভায়রনমেন্ট)- ই-ক্লাইমেট জাস্টিস অ্যান্ড রিসাইলেন্স থ্রো কমিউনিটি রেডিও অ্যাট কোস্টাল এরিয়া অব দ্য বে অব বেঙ্গল বাংলাদেশ। এটি বাংলাদেশ এনজিওস নেটওয়ার্ক ফর রেডিও অ্যান্ড কমিউনিকেশনের (বিএনএনআরসি) প্রকল্প।
ক্যাটাগরিতে ১৩ (ই-এগ্রিকালচার)- ডিও ডেটা টু কন্ট্রোল লেট ব্লাইট ফাংজাই ডিজিস ইন পটেটো ইন বাংলাদেশ। এটি এমপাওয়ার সোশ্যাল এন্টারপ্রাইজ লিমিটেডের একটি উদ্যোগ।
কাটাগরি ১৫- আইটি ফর দ্য ডিফারেন্টলি অ্যাবল প্রজেক্ট, এটি ব্রিজ ফাউন্ডেশনের।
ক্যাটাগরি ১৬ (মিডিয়া বিভাগ) অ্যাওয়ারনেস অন ই রাইট টু ইনফরমেশন (ই-আরটিআই) থ্রো কমিউনিটি রেডিও। এটিও বিএনএনআরসির প্রকল্প।
ক্যাটাগরি ১৭- এটুআইয়ের মোবাইল বেইজড এজ ভেরিফিকেশন বিফোর ম্যারেজ রেজিস্ট্রেশন টু স্টপ চাইল্ড ম্যারিজ।
উইনার পুরস্কার পাওয়া ‘বাংলাদেশ ন্যাশনাল ডিজিটাল আর্কিটেকচার এবং ই-গভর্ন্যান্স ইন্টারঅপারেবিলিটি ফ্রেমওয়ার্ক’ প্রকল্পও চ্যাম্পিয়ন পুরস্কারের তালিকাতে আছে।
(jagonews24)
লেবেলসমূহ:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget