অক্টোবর 2021

 মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের বেতন কত?

জো বাইডেন

বিশ্বের অন্যতম ধনী দেশ যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির ৪৬তম প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।

বিশ্বের ক্ষমতাধর দেশটির প্রধান কত বেতন পান, তা নিয়ে আগ্রহের শেষ নেই। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বেতন ছাড়াও অনেক ধরনের সুবিধা পেয়ে থাকেন।  

সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন বার্ষিক বেতন পান ৪ লাখ ডলার বা ৩ কোটি ৪২ লাখ ৬১ হাজার টাকার বেশি। এর সঙ্গে তিনি আরও অনেক ধরনের সুযোগ-সুবিধা পান। সেগুলো হয়তো গুণে শেষ করা যাবে না।  

মার্কিন প্রেসিডেন্টের জন্য রয়েছে এয়ারফোর্স ওয়ান উড়োজাহাজ। এটি তিন তলাবিশিষ্ট। সব মিলিয়ে জায়গা রয়েছে চার হাজার বর্গফুট। সেখানে থাকা হাসপাতালে জরুরি ভিত্তিতে করা যাবে অস্ত্রোপচারও।  

ওই উড়োজাহাজে রয়েছে প্রেসিডেন্টের ব্যক্তিগত কক্ষ এবং সুবিশাল এক রান্নাঘর। সেখানে একই সঙ্গে ১০০ জনের রান্না করা যায়।  

এসবের বাইরে ১৩২ কক্ষের হোয়াইট হাউস তো আছেই।

প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগে
ইন্ডিয়া টিভির প্রতিবেদনে বলা হয়, ১৯৭২ সালে জো বাইডেন মাত্র ২৯ বছর বয়সে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর হয়েছিলেন। তিনি দেশটির ইতিহাসে কনিষ্ঠতম সিনেটরদের একজন। সিনেটে তার বার্ষিক বেতন শুরু হয়েছিল ৪২ হাজার ৫০০ ডলারে।  

২০০৯ সালে সিনেট ছাড়ার সময় তার অর্থ ছিল ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩০০ ডলার। আর যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার বার্ষিক বেতন ছিল ২ লাখ ৩০ হাজার ৭০০ ডলার।  

বাইডেনের প্রথম স্মৃতিকথা ‘প্রমিসেস টু কিপ’ প্রকাশিত হয় ২০০৮ সালে। এই বই থেকে তিনি রয়্যালিটি পান ৭১ হাজার ডলার। এছাড়া অডিও বুকের জন্য ওই সময় তিনি পান ৯ হাজার ৫০০ ডলার।  

রাস্তায় কেনা পাথর আসলে ২৩ কোটির হীরা!

আমরা অনেকেই সাজের জন্য রাস্তা থেকে সস্তায় জুয়েলারি কিনে থাকি। তেমনই ব্রিটেনের ৭০ বছরের এক নারী কিনেছিলেন কসটিউম জুয়েলারি পাথর।

অবশেষে জানা গেল সেটি সাধারণ কসটিউম জুয়েলারি পাথর নয়, বরং ৩৪ ক্যারেটের হীরা।

এ খবর জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি।

জানা গেছে, ওই হীরার আনুমানিক বাজার মূল্য ২০ লাখ পাউন্ড। যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৩ কোটি ৪৮ লাখ ১ হাজার ১৮৪ টাকা। নর্থহামবারল্যান্ডে নিজের ঘর পরিষ্কার করার সময় এটি খুঁজে পান ওই নারী, যা অনেক আগে কিনে ঘরে ফেলে রেখেছিলেন তিনি।

এ বিষয়ে ওই নারী জানান, অনেক বছর আগে কার বুট সেল থেকে এটি কিনেছিলেন তিনি।

এদিকে নিলামকারী মার্ক লেন জানান, হীরাটির প্রকৃত দাম আসলে একটি ‘বড় ধাক্কা’ হয়ে এসেছে। ওই হীরাটি পাউন্ড কয়েনের চেয়ে কিছুটা বড়। আগামী মাসে সেটি নিলামে তোলা হবে।

তিনি আরও জানান, ওই নারী এক ব্যাগ জুয়েলারি নিয়ে আসেন। হীরাটি একটি বক্সের মধ্যে ছিল। সেটির সঙ্গে নিজের ওয়েডিং ব্যান্ড এবং কম দামি কিছু কসটিউম জুয়েলারি নিয়ে এসেছিলেন ওই নারী। পাথরটি পাউন্ড কয়েনের চেয়ে বড় ছিল। আমি ভেবেছিলাম এটি একটি কিউবিক জিরকোনিয়া। হীরাটি দুই-তিনদিন আমার টেবিলেই পড়েছিল। পরে আমি একটি ডায়মন্ড টেস্টার মেশিনে সেটি পরীক্ষা করি।

পরে আরও নিশ্চিত হওয়ার জন্য বেলজিয়ামের অ্যান্টওয়ার্পে আমাদের বিশেষজ্ঞ এটি সার্টিফাই করার পর লন্ডনে আমাদের পার্টনারদের কাছে পাঠাই। সেখান থেকে আমাদের বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, এটি আসলেই হীরা এবং এটি ৩৪ ক্যারেটের।

 কৌটার ভেতর পুরোনো মুদ্রা

কৌটার ভেতর পুরোনো মুদ্রা

যুক্তরাষ্ট্রে ঔপনিবেশিক শাসন শুরুর প্রথম দিকে দেশটির কিছু এলাকায় নতুন ধরনের মুদ্রার প্রচলন করেছিল ব্রিটেন। সেই মুদ্রার নাম ছিল নিউ ইংল্যান্ড শিলিং। ইংল্যান্ডের একটি বাড়িতে সেই আমলের বিরল একটি মুদ্রার সন্ধান পাওয়া গেছে। মিষ্টি রাখার টিনের কৌটার ভেতর পাওয়া যায় মুদ্রাটি।


বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডে পাওয়া মুদ্রাটি ১৬৫২ সালে বাজারে ছাড়া হয়। যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস বে কলোনিতে ব্রিটিশ গোড়াপত্তনের সময় বিনিময়ের মাধ্যম হিসেবে নিউ ইংল্যান্ড শিলিং মুদ্রা ব্যবহার করা হতো। সেই হিসেবে মুদ্রাটি ৩৬৯ বছরের পুরোনো। মুদ্রাটি আগামী মাসে লন্ডনে নিলামে তোলা হবে। ধারণা করা হচ্ছে, মুদ্রাটি দুই লাখ পাউন্ডে বিক্রি হতে পারে।


ইংল্যান্ডের নর্থাম্বারল্যান্ডে বাইওয়েল হলে ওয়েন্টওয়ার্থ বিউমন্ট নামের এক ব্যক্তির বাড়িতে পাওয়া যায় মুদ্রাটি। চিত্রকর্মবিষয়ক উপদেষ্টা বিউমন্ট বিবিসিকে বলেন, মিষ্টি রাখার অনেক পুরোনো একটি টিনের কৌটায় নিউ ইংল্যান্ড শিলিংয়ের একটি মুদ্রাসহ অন্য কিছু মুদ্রার সন্ধান মেলে। তিনি আরও বলেন, ‘বাড়িতে থাকা ওই কৌটাটি আমার চোখে আগে কখনো পড়েনি। কিন্তু যখন এটি খুঁজে পেলাম, তখন অনেক আগ্রহ নিয়ে সেটি আমি খুললাম। প্রথমে আমার কাছে মনে হয়েছিল, এটা পুরোনো দিনের একটি উদ্ভট সংগ্রহ। তবে যেহেতু মুদ্রার বিষয়ে আমার জানাবোঝা কম, তাই আমি এটাকে পরীক্ষা করে দেখি। এর পরই বুঝতে পারি, মুদ্রাটি অনেক পুরোনো।’


যুক্তরাজ্যের মুদ্রাবিশেষজ্ঞ জেমস মর্টন বলেন, ‘নিউ ইংল্যান্ড শিলিংয়ের একটি অসাধারণ নিদর্শন এটি। মুদ্রাটি নিজ চোখে দেখার পরও আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না।’


যুক্তরাজ্যের নাগরিক উইলিয়াম ওয়েন্টওয়ার্থের উত্তরসূরি ওয়েন্টওয়ার্থ বিউমন্ট। উইলিয়াম ওয়েন্টওয়ার্থ ১৬৩৬ সালে যুক্তরাষ্ট্রের নিউ ইংল্যান্ড অঞ্চল পরিদর্শন করেন। যুক্তরাষ্ট্রে ব্রিটিশ শাসনের সময় তাঁর পরিবারের অনেক সদস্য গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন। ওয়েন্টওয়ার্থ বিউমন্ট বলেন, ‘আমি মনে করি, অনেক বছর আগে আমার কোনো এক পূর্বপুরুষ যুক্তরাষ্ট্র থেকে শিলিংটি ইংল্যান্ডে এনেছিলেন।’

 দেশের দুই শীর্ষ ব্যবসায়ী গ্রুপের মধ্যকার বিরোধের কারণে তিন বছর ধরে ঝুলে আছে নতুন একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ। এটির নাম কাজী ফার্মস অর্থনৈতিক অঞ্চল। প্রস্তাবিত এ অর্থনৈতিক অঞ্চলের জমি নিয়ে সানোয়ারা গ্রুপের সঙ্গে কাজী ফার্মস গ্রুপের রশি-টানাটানি চলছে। বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ (বেজা) দুই ব্যবসায়ী গ্রুপকে সমঝোতায় আনার চেষ্টা করলেও শেষ পর্যন্ত কোনো সুরাহা হয়নি। সে জন্য বেজা এখনো কাজী ফার্মসকে অর্থনৈতিক অঞ্চলের লাইসেন্স দেয়নি।

বেজা সূত্রে জানা গেছে, চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় ১৩০ একর জমিতে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলতে তাদের কাছে কাজী ফার্মস গ্রুপ ২০১৭ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তাব পেশ করে। পরের বছর, অর্থাৎ ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বেজার এক বোর্ড সভায় কাজী ফার্মস অর্থনৈতিক অঞ্চলটি অনুমোদন দেওয়া হয়। কিন্তু এরপর গত তিন বছরেও জমি নিয়ে জটিলতার কারণে এই অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপনে প্রয়োজনীয় ও আনুষঙ্গিক কার্যক্রম শুরু করতে পারেনি কাজী ফার্মস গ্রুপ।

জানতে চাইলে কাজী ফার্মস গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) কাজী জাহেদুল হাসান সম্প্রতি প্রথম আলোকে বলেন, ‘চন্দনাইশে আমরা একটি অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে চাই। সে জন্য সানোয়ারা গ্রুপ থেকে জমি অধিগ্রহণ করেছি। সেখানে খাদ্য প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা করা হবে। বিদেশি বিনিয়োগকারীদেরও আগ্রহ আছে সেখানে বিনিয়োগে। তাঁদের আমরা জমি লিজ দেব।’

দুই পক্ষের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, অর্থনৈতিক অঞ্চল করতে কাজী ফার্মস গ্রুপ ২০১৫ সালে সানোয়ারা গ্রুপের কাছ থেকে চট্টগ্রামের চন্দনাইশ উপজেলায় ১৩০ একর জমি কেনে। কিন্তু এরপর কাজী ফার্মস অর্থনৈতিক অঞ্চলের প্রক্রিয়া শুরু করতেই উভয় পক্ষের মধ্যে বিরোধ দেখা দেয়। এ বিরোধের প্রেক্ষাপটে সানোয়ারা গ্রুপ ২০১৯ সালে বেজায় অভিযোগ করে, কাজী ফার্মস যে জমি অধিগ্রহণ করেছে, সেখানে পুরোপুরি সীমানা নির্ধারণ (ডিমারকেশন) করা হয়নি। অভিযোগের জেরে বেজা নিজস্ব কার্যালয়ে একাধিকবার শুনানি করলেও দুই পক্ষের মধ্যে কোনো সমাধান হয়নি।

উভয় পক্ষকে শুনানিতে ডাকার পর বেজা সিদ্ধান্ত দেয়, সানোয়ারা গ্রুপ থেকে কাজী ফার্মস যে জমি নিয়েছে, তাতে কোনো জটিলতা দেখা যাচ্ছে না। সানোয়ারা গ্রুপের আপত্তি গ্রহণযোগ্য নয়। তাই সেখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে ভূমিসংক্রান্ত কোনো সমস্যা নেই। তবে বেজা জানায়, অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিচালনা করতে গিয়ে পাশের কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের জমিতে আসা-যাওয়ার ক্ষেত্রে যেন কোনো প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না হয়, সেটি কিন্তু কাজী ফার্মস গ্রুপকে নিশ্চিত করতে হবে।
এদিকে বেজার সিদ্ধান্তে খুশি না হয়ে একই বছরে, অর্থাৎ ২০১৯ সালে আদালতে মামলা করে সানোয়ারা গ্রুপ, যা এখনো চলছে। আদালতে চলমান মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কাজী ফার্মসকে অর্থনৈতিক অঞ্চলের লাইসেন্স দেওয়া হবে না বলে বেজা জানিয়ে দিয়েছে। বেজার কর্মকর্তারা বলছেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠার বিষয়টি এখন আদালতের বিচারাধীন। তাই এখানে বেজার কিছুই করার নেই।


দুই প্রতিষ্ঠানের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলাপ করে জানা যায়, সানোয়ারা গ্রুপ চায় না সেখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল হোক। কারণ, জমি কেনার সময় বিষয়টি তাদের জানায়নি কাজী ফার্মস গ্রুপ। তাই এ নিয়ে তাদের অসন্তোষ আছে। এ ছাড়া সেখানে সানোয়ারা গ্রুপের আরও জমি রয়েছে। অবশিষ্ট জমিও কিনে নিতে কাজী ফার্মসকে অনুরোধ করেছিল সানোয়ারা গ্রুপ। কিন্তু সেই জমির প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছিল কাজী ফার্মস। তাদের দাবি, অবশিষ্ট ওই জমির মালিকানা নিয়ে সমস্যা আছে। এই অস্বীকৃতির পর থেকেই পরিস্থিতি বদলাতে থাকে। বিষয়টি বেজা থেকে আদালত পর্যন্ত গড়ায়।

এ নিয়ে সানোয়ারা গ্রুপের ম্যানেজার জাহাঙ্গীর আলম প্রথম আলোকে বলেন, ‘জমি নিয়ে কাজী ফার্মসের সঙ্গে কিছু ঝামেলা হয়েছে। তবে তাদের সঙ্গে কথাবার্তা চলছে। আশা করছি, উভয় পক্ষের মধ্যে একটা সুরাহা হবে।’ তিনি বলেন, ‘যেখানে কাজী ফার্মস অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করছে, সেখানে মোট জমি আছে ৩০০ একরের মতো। এর মধ্যে ১৩০ একর অধিগ্রহণ করেছে কাজী ফার্মস। বাকি ১৭০ একরের মতো জমি কাজী ফার্মস নেবে কি না, তা নিয়ে আলোচনা চলছে। আমরা চাই, তারা বাকি জমিও কিনে নিক।’

এ সম্পর্কে সম্প্রতি বেজার নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ ইউসুফ হারুন প্রথম আলোকে বলেন, ২০১৮ সালে বেজার বোর্ড সভায় যখন কাজী ফার্মস গ্রুপের অর্থনৈতিক অঞ্চলটি অনুমোদন দেওয়া হয়েছিল, তখন তাদের বেশ কিছু শর্ত দেওয়া হয়। তারা সেসব শর্ত এখনো পূরণ করতে পারেনি। জমি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মামলা চলছে। দুই ব্যবসায়ী গ্রুপ যদি নিজেদের মধ্যে মীমাংসা করে কিংবা সমঝোতা করে, তাহলে চূড়ান্ত লাইসেন্স দেওয়া সম্ভব হবে।

শেখ ইউসুফ হারুন আরও বলেন, কাজী ফার্মস যেখানে অর্থনৈতিক অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করতে চায়, তার মাঝখানে আরও বেশ কিছু জমি আছে। সেই জমির কী হবে, তারও সুরাহা হওয়া উচিত।

এদিকে অর্থনৈতিক অঞ্চলের লাইসেন্স পাওয়ার আগে বন বিভাগ ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের অনাপত্তিপত্র নিতে বলা হয়েছে কাজী ফার্মস গ্রুপকে। কিন্তু এখন পর্যন্ত তারা তা পায়নি।


পরিচয় মিলেছে বৌ-শাশুড়ির সঙ্গে লাশ হওয়া সেই যুবকেরদেয়াল লিখন। ছবি: বাংলানিউজ

টাঙ্গাইল: টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলায় বউ-শাশুড়ির মরদেহের সঙ্গে উদ্ধার হওয়া সেই যুবকের পরিচয় পাওয়া গেছে।

নিহত যুবকের নাম শাহজালাল ইসলাম সোহাগ।

নিহত সুমির মা রেখা বেগম জানান, তাদের কোনো সন্তান ছিল না। সুমিকে পাশের এলাকার বাছেদ মিয়ার কাছ থেকে দত্তক নেন। নয় বছর আগে প্রবাসী জয়েনের সঙ্গে সুমির বিয়ে হয়। এই সংসারেই সুমি একটি ছেলে সন্তানের জন্ম দেন। এরপর তিনি মোবাইল ফোনে শাহজালালের সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। তারা পালিয়ে গিয়ে বিয়েও করেছিলেন। তবে আট মাস পর সুমি আবার আগের সংসারে ফিরে আসেন। শাহজালালকে তালাক দিয়ে বিয়ে করেন জয়েনকে। বিয়ের দুই মাস পর জয়েন আবার সৌদি আরবে চলে যান।

এদিকে যে ঘর থেকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে, সেই ঘরের দেওয়ালে রক্ত দিয়ে লেখা একটি চিরকুট পাওয়া গেছে। তাতে লেখা—‘এমনটা হতো না যদি আমার সুমী আমার কাছে থাকতো। এই সবকিছুর জন্য সুমীর বাবা দায়ী। ’ অন্যদিকে এদিন নিহত শাহজালালের বাড়িতে গিয়ে কাউকে পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশীরা জানান, সকালে ঘরে তালা দিয়ে বাড়ির সবাই পালিয়ে গেছেন।

দিগর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ মামুন বলেন, পরকীয়ার কারণে এ মর্মান্তিক ঘটনা ঘটেছে। জমিলা বেগমের দুই ছেলেই প্রবাসে থাকে। বাড়িতে কোনো পুরুষ মানুষ ছিল না। তিনি দুই ছেলের বৌকে নিয়ে থাকতেন। ইতোমধ্যে পুলিশ, র‌্যাব, পিবিআই ও সিআইডি’র কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

এ বিষয়ে টাঙ্গাইলের পুলিশ সুপার সরকার মোহাম্মদ কায়সার বাংলানিউজকে বলেন, এ ঘটনার রহস্য উদঘাটনের জন্য আলামত সংগ্রহ করা হচ্ছে। এছাড়া ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। আর দেয়ালে লেখার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। 

 

ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগে একযোগে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

248809838_2985311361736345_5661384838462971511_nশেষ সময়ে একটু ঝালিয়ে নেওয়া

পরীক্ষা কেন্দ্রের গেটে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট-পুলিশের উপস্থিতিতে প্রবেশপত্র এবং মেটাল ডিটেক্টরের সাহায্যে মোবাইল ফোন, ঘড়ি, ইলেকট্রনিক ডিভাইসসহ নিষিদ্ধ সামগ্রী তল্লাশির মধ্য দিয়ে প্রার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়।

পিএসসি জানায়, পিএসসির চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইনের মোহাম্মদপুর রেসিডেনশিয়াল মডেল স্কুল অ্যাড কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শনের কথা রয়েছে।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget