জামিন নিয়ে যা ভাবছেন তাহসান | What Tahsan thinks about bail

ইভ্যালির এক গ্রাহকের করা মামলায় অভিনয়শিল্পী মিথিলা আজ রোববার আগাম জামিন আবেদন করেছেন। কাল সোমবার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চে এর শুনানি হবে। আর এদিন বিকেল পর্যন্ত শবনম ফারিয়ার আইনজীবী জেসমিন সুলতানা জানান, তিনিও ফারিয়ার আগাম জামিন আবেদনের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

এই মামলার আরেক অভিযুক্ত দেশের জনপ্রিয় গায়ক ও অভিনয়শিল্পী তাহসান খান তাহলে কী ভাবছেন?

স্টেজ শোর জন্য আমন্ত্রিত তাহসান খান এই মুহূর্তে আছেন যুক্তরাষ্ট্রে। প্রথম আলোকে তিনি জানালেন, সেখানে তাঁর কয়েকটি কনসার্টে গান পরিবেশনের কথা রয়েছে। আজ রোববার তাহসান জানালেন, তাঁর আইনজীবী মামলার কাগজপত্র পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনিই সিদ্ধান্ত নেবেন কবে কীভাবে জামিনের জন্য আবেদন করবেন।


তাহসান খান
তাহসান খান
ছবি 

দুই দশকের বেশি সময় ধরে বিনোদন অঙ্গনে গান আর অভিনয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তাহসান। এই দীর্ঘ সময়ে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার মুখোমুখি হননি তিনি। তাই এ ঘটনা তাঁর জন্য বিব্রতকর। তাহসান বলেন, ‘এমন ঘটনা আমার জন্য অনেক বিব্রতকর। ভক্তদের ভালোবাসাই জাস্ট আমার ক্ষমতা। এ ছাড়া আমার আর কোনো ক্ষমতা নেই। ভক্তরা যেন আমাকে ভুল না বোঝেন। আমি একদিন হয়তো পুরো ঘটনা কোনো বইয়ে লিখব। যতটুকু পারি ততটুকু গল্পটা বলব আরকি।’
দেশে ফিরবেন কবে? এমন ঘটনার পর দেশে ফেরা নিয়ে কোনো অস্বস্তি হচ্ছে কি না, জানতে চাইলে তাহসান বলেন, ‘দেশে ফিরতে অস্বস্তি বোধ করব কেন। আমি তো কোনো অপরাধ করিনি। মামলা হয়েছে, আমি আইনগতভাবে মোকাবিলা করব, দ্যাটস ইট। তবে এই ধরনের ঘটনা অপমানজনকও।’


তাহসান খান
তাহসান খান

গায়ক ও অভিনয়শিল্পী তাহসান খান শুভেচ্ছাদূত হিসেবে যুক্ত ছিলেন ইভ্যালিতে। আর মিথিলা ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির ‘ফেস অব ইভ্যালি লাইফস্টাইল’। এ ছাড়া চলতি বছরের জুন মাসে প্রধান জনসংযোগ কর্মকর্তা হিসেবে প্রতিষ্ঠানটিতে যোগ দিয়েছিলেন শবনম ফারিয়া। কিন্তু আড়াই মাস চাকরি করে কোনো বেতন পাননি তিনি।
ইভ্যালিতে যুক্ত হওয়া ও ছেড়ে দেওয়া প্রসঙ্গে তাহসান খান বলেন, ‘ইভ্যালি আমার কাছে প্রথম যখন এসেছিল, তখন আমি কিন্তু যুক্ত হইনি। এই বছর যখন তারা এল, তাদের স্পষ্ট কথা ছিল, আমি কেন তাদের সঙ্গে কথা বলতে সংকোচ বোধ করছি। তারা বলছিল, ইভ্যালি এখন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় ই–কমার্স কোম্পানি, ৪০ লাখ তাদের গ্রাহক। তারা আইটি অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছে, তারা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সিনেমার স্পনসর, জাতীয় দলের স্পনসর, তাহলে আমি কেন করব না। ওই মুহূর্তে আমার মনে হয়েছে, আমি তাদের সঙ্গে যুক্ত হতে পারি। তাদের কথা ও কার্যক্রম দেখে আমার তখন মনেই হয়নি, তারা ইলিগ্যাল কোনো কোম্পানি।


তাহসান খান
তাহসান খান

একটা ইলিগ্যাল কোম্পানির সঙ্গে তো বাংলাদেশের এত বড় বড় প্রতিষ্ঠান যুক্ত হতো না। তারা বাংলাদেশে সব বড় ব্র্যান্ডের পণ্য বিক্রি করছে। সেটা মোটরসাইকেল হোক বা গাড়ি। একটা ইলিগ্যাল কোম্পানি তো কখনোই এত বড় বড় কোম্পানির সঙ্গে কাজ করতে পারে না। এত এত অ্যাওয়ার্ডও পেতে পারে না, আমি সেই চিন্তা থেকে যুক্ত হয়েছি। এরপর দেখলাম, কাস্টমার কমপ্লেইন এত বেশি, আমার পরিচিতজনদের কমপ্লেইনও তারা সলভ করতে পারছে না, তখনই দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে আমি বের হয়ে এসেছি।’

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget