করোনা শনাক্তের হারে নতুন রেকর্ড | New record for corona detection rate


করোনা মহামারিকালে দেশে রোগী শনাক্তের হারে নতুন রেকর্ড হয়েছে গত ২৪ ঘণ্টায়। ভয়ংকর ডেল্টার তাণ্ডব সময়ের শনাক্তের হারের রেকর্ডকে পেছনে ফেলে অতি সংক্রমণশীল ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের কবলে পড়ে দেশে শনাক্তের হারের এ রেকর্ড হলো।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এর আগে গত বছরে ডেল্টার সময়ে ২৪ জুলাই শনাক্তের সর্বোচ্চ হার ছিল ৩২ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় নতুন করে শনাক্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ৪৪০ জন। এ নিয়ে টানা চতুর্থ দিনের মতো নতুন শনাক্ত ১৫ হাজারের বেশি।

গতকাল (২৭ জানুয়ারি) ১৫ হাজার ৮০৭ জন, তার আগের দিন বুধবার (২৬ জানুয়ারি) ১৫ হাজার ৫২৭ জন ও মঙ্গলবার (২৫ জানুয়ারি) ১৬ হাজার ৩৩ জন রোগী শনাক্ত হওয়ার কথা জানিয়েছিল অধিদফতর।

নতুন শনাক্ত হওয়া ১৫ হাজার ৪৪০ জনকে নিয়ে দেশে করোনায় এখন পর্যন্ত মোট শনাক্ত হলেন ১৭ লাখ ৬২ হাজার ৭৭১ জন। 

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে আরও ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ৩০৮ জনের মৃত্যু হলো বলেও জানাচ্ছে অধিদফতর।

করোনা আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে উঠেছেন এক হাজার ৩২৬ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট ১৫ লাখ ৬২ হাজার ৩৬৯ জন সুস্থ হয়ে উঠেছেন বলেও জানাচ্ছে অধিদফতর।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার নমুনা সংগৃহীত হয়েছে ৪৬ হাজার ২৯২টি আর নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ৪৬ হাজার ২৬৮টি।

দেশে এখন পর্যন্ত করোনার মোট নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ২৩ লাখ ৫৬ হাজার ৯৪৫টি। এরমধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরীক্ষা হয়েছে ৮৪ লাখ ১১ হাজার ৮১২টি আর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৩৯ লাখ ৪৫ হাজার ১৩৩টি।

গত ২৪ ঘণ্টায় রোগী শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৩৭ শতাংশ আর এখন পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ২৭ শতাংশ।

শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৮৮ দশমিক ৬৩ শতাংশ আর মৃত্যুর হার এক দশমিক ৬১ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ২০ জনের মধ্যে পুরুষ আট জন আর নারী ১২ জন। তাদের নিয়ে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত মোট পুরুষ মারা গেলেন ১৮ হাজার ৮৮ জন অর নারী ১০ হাজার ২২০ জন।

তাদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি রোগীর মৃত্যু হয়েছে ৭১ থেকে ৮০ বছর বয়সীদের। এ বয়সের মারা গেছেন সাত জন। এরপর ৮১ থেকে ৯০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন পাঁচ জন, ১১ থেকে ২০ আর ৪১ থেকে ৫০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন দুই জন করে আর শূন্য থেকে ১০ বছর, ২১ থেকে ৩০ বছর, ৬১ থেকে ৭০ বছর আর ৯১ থেকে ১০০ বছরের মধ্যে মারা গেছেন একজন করে।

২০ জনের মধ্যে চট্টগ্রাম বিভাগে মারা গেছেন সর্বোচ্চ ৯ জন। এরপর ঢাকা বিভাগে মারা গেছেন পাঁচ জন, রাজশাহী ও সিলেট বিভাগে মারা গেছেন দুই জন করে আর বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগে মারা গেছেন একজন করে। তাদের মধ্যে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে সরকারি হাসপাতালে। বাকি তিন জনের মৃত্যু হয়েছে বেসরকারি হাসপাতালে।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget