কেশবপুরের মঙ্গলকোট বিল গরালিয়া খালের ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ, পূণরায় নির্মানের দাবী

কেশবপুরের মঙ্গলকোট বিল গরালিয়া খালের ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ, পূণরায় নির্মানের দাবী
Keshabpur's Mangalkot Beel Garalia Canal Bridge at Risk, Demands Reconstruction


কেশবপুরের মঙ্গলকোট ইউনিয়নে বিল গরালিয়া খালের ওপর ব্রিজটি মৃত্যুকূপে পরিনত হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে পূণরায় নির্মানের প্রয়োজন। কন্দর্পপুর নিছার আলীর মোড় হতে বংশীর বাজার সড়কের কন্দর্পপুর সীমান্তের বড়েঙ্গা জব্বার হাজির বাড়ির পাশের ব্রিজটি মৃত্যুকূপে পরিনত হয়েছে। প্রায় দেড় বছর হলো ব্রিজটির উপরের অংশ ভেঙ্গে পড়েছে। সেখানে একটি সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে। সাইনবোর্ডটিতে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজ, ভারী যানবাহন চলা নিষেধ, আদেশক্রমে কতৃপক্ষ কথাগুলো লেখা আছে। ব্রিজটির যেখানে ভেঙ্গে গেছে সেখানকার রড নিম্ন মানের যা আদৌও টেকার কথা নয়। যে কোন সময় ব্রিজে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। ব্রিজটি নতুনভাব তৈরী করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। 

আরো পড়ুন: পরিচালনায় শাহরুখ-পুত্র, ওয়েব সিরিজের শ্যুটিং শুরু করলেন আরিয়ান

মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ-নূর-আল আহসান বাচ্চু বলেন, ব্রিজটি দিয়ে কেশবপুর, বড়েঙ্গা, কন্দর্পপুর পাঁচারই, ঘাঘা, পাথরা, মাগুরখালী, পাঁজিয়া বাকাবশী, আলতাপোল, বুড়লীসহ বিভিন্ন গ্রামের লোকজন চলাচল করে থাকেন। যশোর-চুকনগর রাস্তার নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় এই রাস্তটির গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। এ কারণে দ্রুত ব্রিজটি নির্মান/সংস্কার প্রয়োজন। বিষয়টি এমপি মহোদয়কে জানান হয়েছে ।


মঙ্গলকোট ইউনিয়নের বড়েঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ বলেন, বিল গরালিয়া খালের বড়েঙ্গা ও কন্দর্পপুর সীমান্তে জব্বার হাজির বাড়ির কাছে ব্রিজটি অবস্থিত। প্রায় বছর দেড়েক হলো ব্রিজটির ছাদ খসে পড়েছে। এ সম্পর্কে বর্তমান এমপি শাহীন চাকলাদারকে অবগত করানো হয়েছে। তিনি দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।


ব্রীজের এক পাশের এলাকা ইউপি মেম্বর মোতাহার হোসেন জানান, এমপি মহোদয় ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়েছিলেন এবং নতুন নির্মানের জন্য মেপে নিয়ে গেছেন।


ব্রীজের অন্য পাশের এলাকা ইউপি মেম্বর মেহেদী হাসান জানান, ব্রীজটি কেশবপুরের ইঞ্জিনিয়ার এসে দেখে মাফজোক করে নিয়ে গেছেন, কাজটি দ্রুত হবে বলে জানিয়েছেন।

 

মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বিশ্বাস জানান, এতোদোঞ্চলের কয়েকটি গ্রামের লোকজন বিল গরালিয়া খালের ওপর ব্রীজটি দিয়ে চলাচল করে থাকেন। তাছাড়া যশোর-চুকনগর হাইওয়ে রাস্তাটির বাইপাস সড়ক হিসাব ব্যবহার হয়ে থাকে। ব্রীজটির ছাদের কিয়দাংশ ভেঙ্গে পড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রীজটি দ্রুত নির্মানের ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। 





আরো পড়ুন:






একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget