Articles by "বাংলাদেশ"

 



মৃত্যু উপত্যকা রাঙ্গুনিয়ায় পাহাড়ধসের ঝুঁকিতে ২০ হাজার মানুষ


বিগত ২০১৭ সালে সংঘটিত রাঙ্গুনিয়ার পাহাড় ধস ট্রাজেডি আজও কাঁদায় সেই ইসলামপুর ও দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের মানুষকে। ১ বছরেই পাহাড় ধসে মাটিচাপায় মারা গিয়েছে নারী, শিশুসহ ১২৫ জন মানুষ। কিন্তু আজও কমেনি পাহাড়ের পাদদেশে মানুষের ঝুঁকিপূর্ণ বসবাস। কেবল দুর্ঘটনা ঘটার পর স্থানীয় প্রশাসন কিছুটা তৎপর হয়ে পাহাড়-টিলার পাশে বসবাস না করার জন্য এলাকায় মাইকিং করে প্রচারণা চালিয়ে দায়িত্ব শেষ করলেও পরে চুপসে যায়। নেওয়া হয় না ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের অন্যত্র সরানোর কোন উদ্যোগ।

চলতি মৌসুমের গত কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে উপজেলায় বিভিন্ন ইউনিয়নে পাহাড় ধসের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে পাহাড়ের পাদদেশে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের প্রাণহানির শঙ্কা রয়েছে। 'মৃত্যুর ফাঁদ’ হয়ে দাঁড়িয়েছে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারী প্রায় সাড়ে ৯ হাজার পরিবারের জন্য। কিন্তু পাহাড়ে বসবাসকারীদের নিরাপদ আশ্রয়ে নিতে উপজেলা প্রশাসনের তেমন কোন তৎপরতা নেই। এ যেন আরেকটি 'পাহাড় ধস' ট্রাজেডির অপেক্ষা করছে সবাই।


তবে গত শনিবার (১৮ জুন) উপজেলা ফায়ার সার্ভিসের  পক্ষ থেকে কিছু কিছু পাহাড়ি এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ বসবাসকারীদের নিরাপদে সরে আসতে মাইকিং করা হলেও প্রশাসন কিংবা স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের টনক নড়েনি এখনো।  


জানা যায়, রাঙ্গুনিয়া পৌরসভার বিভিন্ন এলাকায় ৯ হাজার একর ও উপজেলার ১৫ ইউনিয়নে ১৫ হাজার একরবনভূমি (পাহাড়) রয়েছে। এসব পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে সাড়ে ৯ হাজার পরিবারের প্রায় ২০-২৫ হাজার মানুষ। সবাই সেখানে পাহাড় কেটে বসতি গড়েছে। সবচেয়ে বেশি ঝুঁকিতে বসবাস করছে, পৌরসভার ইছাখালীর গুচ্ছগ্রাম, জাকিরাবাদ, কাদের নগর, নোয়াগাঁও সহ উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের কমিউনিটি সেন্টার, জঙ্গল বেতাগী, উত্তর রাঙ্গুনিয়ার ১নং রাজানগরের সুগারমিল এলাকার রিজার্ভ পাড়া, একাই ইউনিয়নের বগাবিলি এলাকার ১নং ওয়ার্ড ও ৩নং ওয়ার্ড, ১৪নং দক্ষিণ রাজানগরের মোহাম্মদপুর, বাইশ্যাের ডেবা, লেলিঙার টিলা, ১৩নং ইসলামপুরের মঘাইছড়ি, রইস্যাবিল, ১৫ নং লালানগরের চাঁদের টিলা, ছনখোলা বিল, পেইট্ট্যাঘোনা, আগুনিয়া চা বাগান, ২নং হোসনাবাদের নিশ্চিন্তাপুর, ফকিরারটিলা, ফুইট্ট্যােগোদা, চন্দ্রঘোনা ইউনিয়নের বনগ্রাম, পোমরা, কোদালা, পারুয়া ইউনিয়নের জঙ্গল পারুয়া, সরফভাটা, শিলক ও পদুয়া ইউনিয়নের একাধিক পাহাড়সহ ৩০-৩৫টি এলাকায় ২০ হাজারেরও বেশি মানুষ। এসব পাহাড়ি এলাকার অধিকাংশই বন বিভাগের রক্ষিত ও সংরক্ষিত বনভূমি। 


তবে স্থানীয়দের ভাষ্য, বন বিভাগের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার বিভিন্ন পাহাড়ে অবৈধভাবে অসংখ্য বসতঘর গড়ে উঠেছে। যার অধিকাংশ ঘর নির্মাণ করেছে পাহাড় কেটে। আর এসব ঘরে মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বসবাস করছে কয়েক হাজার পরিবার। 

আর বর্ষা মৌসুমে এলেই প্রশাসন অনেকটা মাইকিং করে দায়সারাগোছের প্রচার চালায়। কিন্তু ঝুঁকিতে বসবাসকারীদের সরানোর কার্যকরী পদক্ষেপ ও উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করতে দেখা যায়না। একই সাথে ২০১৭ সালের মতো আরেকটি পাহাড়ধস ট্রাজেডি ঘটার আগেই শুধুমাত্র মাইকিং এর মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে কঠোর অভিযান চালিয়ে পাহাড়ে ঝুঁকিপূর্ণভাবে বসবাসকারীদের সরিয়ে নেয়ার জন্য উপজেলা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানান সচেতন মহল। 


এ প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগের ইছামতী রেঞ্জ কর্মকর্তা খশরুল আমিন বলেন, ‘বৃষ্টিতে পাহাড় ধসের শঙ্কায় পাহাড়ে ঝুঁকি নিয়ে বসবাসরতদের উচ্ছেদ ও নিরাপদ আশ্রয়ে সরে যেতে মাইকিং করা হচ্ছে। কিন্তু বসবাসকারীরা তাতে কর্ণপাত করছে না। উচ্ছেদ করার পরও আবার বসতি গড়ছে। তবে লোকবলের অভাবে রেঞ্জের একার পক্ষে এ কাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।’


রাঙ্গুনিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আতাউল গণি ওসমানী বলেন, 'পাহাড়ে ঝুঁকিতে বাসকারীদের নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ করা হচ্ছে। এছাড়াও পৌর মেয়রসহ উপজেলার সকল ইউপি চেয়ারম্যানদেরকে স্ব-স্ব ইউনিয়নে মাইকিং করে সতর্ক করতে বলা হয়েছে। চলতি সাপ্তাহে প্রশাসনের পক্ষ থেকে উপজেলার বেশ কয়েকটি স্থানে পাহাড় কাটাসহ ঝুঁকিপূর্ণ বসতিতে অভিযান চালানো হবে।'


উল্লেখ্য, রাঙ্গুনিয়ায় স্মরণকালের সবচেয়ে ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনাটি ঘটে ২০১৭ সালের ১৩ জুন। ওই দিন ভোরে ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে উপজেলার ইসলামপুর ইউনিয়নের মগাইছড়ি এলাকায় পাহাড় ধসের ঘটনায় অকালে ঝরে পড়েছিল দুই পরিবারের ২২ জনের প্রাণ। 

একই বছরের ৩০ ডিসেম্বর দক্ষিণ রাজানগর ইউনিয়নের মোহাম্মদপুর এলাকায় পাহাড় কাটার সময় মাটি চাপা পড়ে এক শিশু সহ ৩ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়। এছাড়াও গত ২০১২ সাল থেকে ২০২১ সাল পর্যন্ত ভারী বর্ষণে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে ২ শতাধিক বসতঘর মাটি চাপা পড়ে হতাহতের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু পাহাড় ধসে মৃত্যুর এ মিছিল দীর্ঘ হলেও পাহাড় থেকে সরানো যাচ্ছে না বসবাসকারিদের।


আরো পড়ুন:


 


গৃহবধূর চুল কেটে নির্যাতনের অভিযোগ মহিলা চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ! 


ঠাকুরগাঁওয়ে পীরগঞ্জে এক চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে গৃহবধূকে মারপিট ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার পর থেকে পলাতক রয়েছেন ওই চেয়ারম্যান।

গতকাল বুধবার (১৬ জুন) বিকেলবেলা গৃহবধূ শহর বানু (৪৪) এমন অভিযোগ করেন উপজেলার বৈরচুনা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা চেয়ারম্যান তেলিনা সরকার হিমু সরকারের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় বুধবার সন্ধ্যায় পীরগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন ভুক্তোভোগীর স্বামী হাছান আলী। 

নির্যাতনের স্বীকার গৃহবধূ শহর বানু
 হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জানান, গত রোববার (১২জুন) রাত ১০টায় স্থানীয় ফারুক ও রুবলে সহ বেশ কয়েকজন আমাকে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এসময় তারা আমাকে বলে চেয়ারম্যান আমাকে ডাকছে। আমার নামে বিভিন্ন ধরনের অভিযোগ রয়েছে। পরে তারা আমাকে একজনের বাসায় নিয়ে যায় এবং সেখানে হিমু চেয়ারম্যান সহ তার কয়েকজন ছেলে আমাকে মারধর করে। পরে চেয়ারম্যান হিমু নিজে আমার মাথার চুল কেটে দেয়।

এছাড়া চেয়ারম্যান আমাকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দিয়ে থাকে। এবং এই ঘটনার কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেয়। এরপর থেকে ৩দিন তারা আমাকে ও আমার স্বামীকে বাসায় আটকিয়ে রাখেন। 



গৃহবধূর স্বামী হাছান আলী বলেন,

কোন অপরাধ ছাড়াই আমার স্ত্রীকে চেয়ারম্যান সহ তার ছেলেরা মারপিট করে মাথার চুল কেটে দিয়েছে। আমি বাসায় ছিলাম না এই সুযোগে তারা আমার স্ত্রীকে রাতে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে গেছে। কি কারণে তারা আমার স্ত্রীকে মারপিট করলো তা আমরা জানি না। পরে আমরা বাসায় আসলে তারা আমাদের বাসা থেকে বের হতে দেয়না। বিভিন্ন ধরনের ভয় দেখায়।

আমার স্ত্রী বেশি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে নিয়ে এসে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছি। আমরা এর সঠিক বিচার চাই। 

এবিষয়ে অভিযুক্ত ইউপি চেয়ারম্যান তেলিনা সরকার হিমুর বাড়িতে গিয়ে তাকে পাওয়া যায়নি। তার মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়। 

পীরগঞ্জ থানা পরিদর্শক (ওসি) জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এ ঘটনায় গৃহবধূর স্বামী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছে। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়া হবে। এছাড়া সেই চেয়ারম্যানের বাসায় আমাদের পুলিশ গেলে তাকে পাওয়া যায়নি । বর্তমানে চেয়ারম্যানসহ অন্যান্য অভিযুক্তরা পলাতক রয়েছে।

আরো পড়ুন:

 


ফিরতি রেলে পণ্য রপ্তানি করার সুযোগ

ভারতের শুল্ক দপ্তর এ ধরনের একটি প্রস্তাবের অনুমোদন দিয়েছে বলে বাংলাদেশের দৈনিক প্রথম আলোর খবরে বলা হয়েছে।

তবে কীভাবে এবং কবে থেকে এই রপ্তানির সুযোগ শুরু হবে, তা এখনও সুনির্দিষ্ট হয়নি।বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা বলছেন, রেলপথ ব্যবহার করে ভারতে পণ্য রপ্তানির সুযোগ পেলে তা তাদের জন্য অনেক সুবিধা করে দেবে।বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে প্রতি বছর ৬০০ কোটি ডলারের বাণিজ্য হলেও রেলপথ ব্যবহার করে শুধুমাত্র ভারত থেকে বাংলাদেশে পণ্য আসে। বাংলাদেশে থেকে ভারতে পণ্য রপ্তানি হয় শুধুমাত্র সড়কপথে।

রেলপথে পণ্য রপ্তানি

করোনাভাইরাসের প্রকোপ শুরু হওয়ার পরে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত বন্ধ করে দেয়া হলেও দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য বন্ধ হয়নি।তখন সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে ভারত থেকে রেলপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে পণ্য ও কাঁচামাল রপ্তানি করা হতো।

কারণ রেলপথ ব্যবহার করে লোকবল কম ব্যবহার করতে হয়, সংক্রমণের ঝুঁকিও কমে যায়।কিন্তু বাংলাদেশে পণ্য খালাসের পর কন্টেইনারগুলো খালি অবস্থায় ফেরত চলে যায়।সেই সময় থেকে ভারতের মতো বাংলাদেশ থেকেও রেলপথ ব্যবহার করে পণ্য রপ্তানির আলোচনা শুরু হয়।

রেলপথ মন্ত্রণালয় থেকেও এরকম প্রস্তাব দেয়া হয়েছিল।

এই বছরের জানুয়ারি মাসে দুই দেশের বাণিজ্য সচিব পর্যায়ে যে বৈঠক হয়, সেখানে ভারতের মতো বাংলাদেশ থেকেও রেল ব্যবহার করে পণ্য রপ্তানির প্রস্তাব করা হয় বাংলাদেশের তরফ থেকে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব নূর মোহাম্মদ মাহবুবুল হক বিবিসি বাংলাকে বলছেন, ''গত কমার্স সেক্রেটারি লেভেলের মিটিংয়ে, বাংলাদেশ একটি বিষয় এজেন্ডভুক্ত করে আলোচনা করেছে যাতে বাংলাদেশে এক্সপোর্টের পণ্য ইন্ডিয়ান ফিরতি রেলওয়ে কন্টেইনারে করে যেতে পারে। ইন্ডিয়া তাতে ওয়েলকাম জানায় এবং বলেছে, তারা একটি মডালিটি (পদ্ধতি) তৈরি করে বাংলাদেশকে জানাবে। ''

দুই হাজার কুড়ি সালের জুলাই মাস থেকে বেনাপোল-পেট্রোপোল দিয়ে কন্টেইনার রেল সার্ভিস শুরু করে ভারতের রেল বিভাগ।কিন্তু বাংলাদেশ রেলওয়ের কন্টেইনার স্বল্পতার কারণে ভারতের মতো বাংলাদেশ থেকে সেদেশে কন্টেইনারে পণ্য পাঠানো যায়নি।মার্চ মাসে নয়াদিল্লিতে ওই বৈঠকের আগে বাংলাদেশের বাণিজ্য সচিব তপন কান্তি ঘোষ বলেছিলেন, ভারতের খালি যাওয়া কন্টেইনারগুলোয় বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির সুযোগ রয়েছে।

কিন্তু এজন্য ভারতীয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি নিতে হয়।

অনুমোদন ছাড়া সহজেই যাতে খালি কন্টেইনারে ভারতে পণ্য রপ্তানি করা যায়, সেজন্য প্রস্তাব করবে বাংলাদেশ।

বাংলাদেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে জানা গেছে, এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের তরফ থেকে এই বিষয়ে কোন চিঠি তারা পাননি।

তবে ভারতের শুল্ক কর্তৃপক্ষের বরাত দিয়ে বাংলাদেশের জাতীয় দৈনিক প্রথম আলোতে প্রকাশিত খবরে বলা হয়েছে, এই বিষয়ে গত ১৭ই মে একটি আদেশ জারি করেছে ভারতের শুল্ক কর্তৃপক্ষ।

সেখানে বলা হয়েছে, ভারতের ব্যবসায়ী, বিভিন্ন মন্ত্রণালয় থেকে রেলপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশ থেকে ভারতে পণ্য রপ্তানি করতে দেয়ার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।এছাড়া ভারতের রপ্তানি করা ফিরতি কন্টেইনার ব্যবহার করে পণ্য রপ্তানির অনুরোধ করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন।

ভারত থেকে রেলপথ ব্যবহার করে বাংলাদেশে পণ্য রপ্তানি করার পর কন্টেইনারগুলো আবার খালি অবস্থায় ভারতে ফেরত যায়।এখন সেসব কন্টেইনারে করে বাংলাদেশি পণ্য ভারতে রপ্তানি করার সুযোগের অনুরোধ করেছেন দেশটির ব্যবসায়ীরা।

আরো পড়ুন:


 


রাণীশংকৈলে শোবার ঘর থেকে স্কুলছাত্রের মরদেহ উদ্ধার 


ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে মেহেদী হাসান (১৩) নামে এক স্কুলছাত্রের ঝুলন্ত  মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রবিবার (১২ জুন) রাতে পৌর শহরের আশা এনজিও অফিসের ভাড়া বাড়ির শোবার ঘর থেকে স্কুলছাত্রের সেই ঝুলন্ত মরদেহ  উদ্ধার করা হয়।

মৃত স্কুলছাত্র মেহেদী হাসানের ঝুলন্ত  মরদেহ উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন 

রাণীশংকৈল থানা পরিদর্শক  ওসি এস এম জাহিদ ইকবাল। 

মৃত মেহেদী হাসান রাণীশংকৈল কেন্দ্রীয় হাইস্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্র ছিল। সে রাউতনগর গ্রামের হবিবর রহমানের ছেলে।



সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, ঘটনার দিন রাত ১০টার দিকে ওই ভাড়া বাড়িতে ছোট ভাই মেহেদী হাসান ও বড় ভাই তারেক হাসানের মধ্যে ১০০ টাকা নিয়ে কথা কাটাকাটি হয়। পরে মেহেদী তার শোবার ঘরে চলে যায়। মা মাজেদা বেগম, তারেক ও অন্যরা অন্য ঘরে টিভি দেখছিলেন। ঘণ্টাখানেক পরে মেহেদীকে ভাত খাওয়ার জন্য ডাকতে গেলে তার ঘরের দরজা বন্ধ পাওয়া যায়। ওই ঘর থেকে কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে রাত ১২টার দিকে পুলিশকে খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে থানার ওসি সঙ্গীয় পুলিশ নিয়ে এসে ওই ঘরের দরজা ভেঙে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে মেহেদীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেন।

থানা পরিদর্শক (ওসি) এস এম জাহিদ ইকবাল বলেন, ‌‌‘এ বিষয়ে থানায় মামলা হয়েছে। লাশ দাফনের জন্য এডিএম'র অনুমতি সাপেক্ষে স্কুলছাত্রের মরদেহ পারিবারিকভাবে দাফনের ব্যবস্হা করা হয়। ।

আরো পড়ুন:


 



শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হল উত্তর রাঙ্গুনিয়া হাই স্কুলের নির্বাচন


ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে রাঙ্গুনিয়া উপজেলার ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান উত্তর রাঙ্গুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের নির্বাচন জাঁকজমকপূর্ণ সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (১১ জুন) সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে ভোট গ্রহণ চলে। পরে ব্যালট গণনা শেষে বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে প্রিজাইডিং অফিসার নুরুল ইসলাম চৌধুরী (উপজেলা মাধ্যমিক অফিসার) ফলাফল ঘোষণা করা হয়।

উত্তর রাঙ্গুনিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পরিচালনা পর্ষদের অভিভাবক সদস্য পদে মোট ৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। মহিলা পদে একক প্রার্থী হিসেবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ফুল মালা বেগম।

নির্বাচিতরা হলেন- মো. খোরশেদ আলম ৩০৫ ভোট পেয়ে প্রথম,আলমগীর হোসেন বাবু ২৮০ ভোট পেয়ে ২য়, মীর গোলাম মোস্তফা বাবুল ২৬৯ ভোট পেয়ে ৩য় এবং ফজলুল কাদের ২৩৩ ভোট পেয়ে ৪র্থ স্থানে অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচিত হোন। 

নির্বাচনে প্রিজাইডিং অফিসারের দায়িত্বে থাকা উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা নুরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে সাথে নিয়ে সুষ্ঠ ও সুন্দর পরিবেশে ভোট গ্রহণ সম্পর্ণ হয়েছে। প্রত্যেক অভিভাবক ভোটারের রায়ের ভিত্তিতে সদস্যরা নির্বাচিত হয়েছেন। মোট ভোটার সংখ্যা ৮২০ জন, তন্মধ্যে ভোট প্রদান করেছেন ৪৭৬ জন। সরাসরি ভোটে ৪ জন অভিভাবক সদস্য নির্বাচিত হোন।

তিনি আরও বলেন, সম্পুর্ণ নিরপেক্ষ ও সততার সাথে ফলাফল ঘোষণা করা হলো। পাশাপাশি তিনি প্রত্যেক সদস্যকে সহযোগীতার জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন এবং ভবিষ্যতে সবাইকে স্কুলের স্বার্থে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার আহ্বান জানান।

নির্বাচিত অভিভাবক সদস্যরা যৌথভাবে বিদ্যালয়ের সার্বিক সহযোগীতা ও ইভটিজিংয়ের ব্যাপারে কঠোর হওয়ার ঘোষণা দেন।


আরো পড়ুন:

 


রাজিবপুর সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ে হামলা,ভাঙচুরের ঘটনায়  সংবাদ সম্মেলন।


রাজিবপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের বহিরাগত উচ্ছৃংখল ছাত্রদের সন্ত্রাসী হামলা/ভাঙচুর ও  প্রধান শিক্ষককে হত্যার হুমকির প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন। আয়োজনে রাজিবপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী।আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২ ঘটিকার সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলন করেছেন।


শিক্ষার্থীর পক্ষে বলা হয়েছে, বর্তমান বিদ্যালয় পরিস্থিতি স্বাভাবিক এবং সুন্দরভাবে পরীক্ষা চলছে। এটা নিয়ে আর আতঙ্ক নেই।

আমরা বিভিন্নভাবে জেনেছি পরীক্ষার ফি বেশি নেওয়া হয়নি। বহিরাগতদের উস্কানিতে বিদ্যালয়ে ভাংচুর করায় থানায় মে অভিযোগ করেছিলেন আমরা প্রধান শিক্ষকের কাছে ক্ষমা চেয়েছি তিনি ক্ষমা করে দিয়েছেন এবং অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।

আমরা বহিরাগতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।

পরিশেষে বিদ্যালয়ের মঙ্গল কামনা করছি।


সংবাদ সম্মেলনে প্রধান শিক্ষক আলহাজ্ব মোঃ আজীম উদ্দিন বলেন, সন্মানিত রাজিবপুর উপজেলাবাসী  আজকে সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়েছি, কিছু বিষয় আপনাদের অবগত করার জন্য। আপনারা জানেন গত (৪ জুন ২০২২) শনিবারে রাজিবপুর সরকারি মডেল পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ে সকাল ১০ ঘটিকার সময় অর্ধবার্ষিক চলাকালীন অবস্থায় বহিরাগত উচ্ছৃংখল ছাত্র, সাংবাদিক, অভিভাবক আমি ইতি মধ্যে তাদের চিহ্নিত করেছি।


তাদের উস্কানিতে ওগো ছাত্রদেরকে ভুল বুঝিয়ে প্রধান শিক্ষক পনেরশত টাকা নিচ্ছে এই মিথ্যা প্রচার করে ছেলেদের উত্তেজিত করে পরীক্ষার হল থেকে ইউএনোর কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তাদের ইউএনোর সাথে মত বিনিময় করার আগেই তাদের স্লোগান শিখিয়ে দেওয়া হয়। 

প্রধান শিক্ষক পনেরশো টাকা পরীক্ষা নিয়ে নিচ্ছে আমরা পরীক্ষা দেবো না এছাড়াও শিক্ষকদের নামে বিভিন্ন অশ্লীল ভাষায় স্লোগান দিয়ে বিদ্যালয় প্রবেশ করায়। ছাত্ররা বলেছিল আমরা ইউএনও স্যারের সাথে মত বিনিময় করে দেখি কি বলে কিন্তু তাদের কথা মানা হয়নি। উস্কানীদাতারা তাদেরকে বিদ্যালয়ের প্রবেশ করিয়ে অনুষ্ঠিত পরীক্ষা কেন্দ্রে ঢুকে খাতা পত্র, বিদ্যালয়ের দরজা,জানালা ভাংচুর করে এবং ভয়ভীতি দেখিয়ে মেয়েদের রুম থেকে বের করে দেয়। শিক্ষকদের লাঞ্ছিত করে এবং আমার নামে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে আমাকে বিভিন্ন ভাবে চাঁদা দাবি করে  হত্যার হুমকি দেওয়া হয়।

বিদ্যালয়ের এমন পরিস্থিতি দেখে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করি, পরে দাঁড়াও এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ ও মিথ্যা প্রচারণা চালানো হয়েছিল যে আমি পনের শত টাকা পরীক্ষার ফি নিচ্ছি। কিন্তু আদো একথা সত্য নয়, বানোয়াট, মিথ্যা অপপ্রচার চালানো হয়েছে।অন্য অন্য স্কুলের সাথে সমঝোতা বজায় রেখে আমরা শিক্ষক মিলায়াতনে শিক্ষকদের সাথে পরামর্শ করে পরীক্ষার ফি,সেশন চার্জ ও অন্যান্য ফি নির্ধারণ করে দিয়েছি।

এখানে কিছু সাংবাদিক আমার বিরুদ্ধে টাকা বেশি নেওয়ার, কোথাও দূর্নীতিবাজ বলা হয়েছে। কোন সুনির্দিষ্ট প্রমাণ না নিয়ে বা না দেখিয়ে টাকা বেশি নেওয়া মিথ্যা প্রচার করা আইনত শুদ্ধ নয় এটা আমার সম্মানহানি করা হয়েছে। সহকারী শিক্ষক ও বিদ্যালয় ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে। আমার বিদ্যালয়টি যাতে সরকারিকরণ না হয় তাই তারা চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে। আমার বিরুদ্ধে যারা অপপ্রচার চালিয়েছে তাদেরকে ডিজিটাল নিরাপত্তায় মামলা করব।

বিদ্যালয়ের ছেলেমেয়েরা শান্ত রয়েছে। পরীক্ষার ফি, সেশন চার্জ ও অন্যান্য ফি দিয়ে সতস্ফুর্ত ভাবে তারা পরীক্ষা দিচ্ছে।

আরো পড়ুন:

  1. ফেনীর ফুলগাজীতে দুই মহিলা ছিনতাইকারী গ্রেফতার
  2. Afran Nisho: ভারতীয় ওয়েব সিরিজে আফরান নিশো
  3. জয়নাল হত্যা মামলার সব আসামি খালাস; পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ
  4. ফেনীর দাগনভূঁঞায় মোটরসাইকেল চোরাই চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার 
  5. বালিয়াডাঙ্গীতে এক পরিবারের চার সন্তানই প্রতিবন্ধী
  6. পুতিনের বেপরোয়া পদক্ষেপ ইউরোপকে সরাসরি হুমকি দিচ্ছে 
  7. Russia Ukrain: বাংলাদেশি জাহাজে হামলার জন্য ইউক্রেনকে দুষছে রাশিয়া 
  8. সাড়ে ১২ কোটি মানুষ টিকার আওতায়
  9. নিয়ন্ত্রণহীন ভোজ্য তেলের বাজার
  10. ইউক্রেনে নাজুক অবস্থায় পড়ে গেছি: প্রতিমন্ত্রী


 



ঠাকুরগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু-বঙ্গমাতা জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল 


জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জাতীয় গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট  বালক-বালিকা (অনুর্দ্ধ-১৭) এর ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

বুধবার বিকেলে (৮ জুন) সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় বড় মাঠে ফাইনাল খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়।

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে জেলা প্রশাসন ও ঠাকুরগাঁও জেলা ক্রীড়া অফিসের আয়োজন ও ক্রীড়া সংস্থার সহযোগিতায় এই ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত হয়।

ফাইনাল খেলা শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো: মামুন ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে বক্তব্য দেন, প্রধান অতিথি ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ও জেলা ক্রীড়া সংস্থার সভাপতি মো: মাহবুবুর রহমান, বিশেষ অতিথি অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মির্জা তারেক আহমেদ বেগ, জেলা ক্রীড়া অফিসার গৌতম কুমার সরকার, পৌর মেয়র আঞ্জুমান আরা বেগম বন্যা, জেলা আ’

আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক দীপক কুমার রায়, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক মাসুদুর রহমান বাবু, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের সভাপতি প্রবীর কুমার গুপ্ত বুয়া প্রমুখ। 



এ সময় জেলা ক্রীড়া অফিসের  কর্মকর্তা-কর্মচারী, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জেলা ফুটবল এসোসিয়েশনের বিভিন্ন কর্মকর্তা, সদস্য, ক্রীড়া সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং বিজয়ী এবং বিজীত টিমের খেলোয়াড়েরা উপস্থিত ছিলেন। শেষে চ্যাম্পিয়ন ও রানার আপ টিমের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন অতিথিরা।  

ফাইনাল খেলায় (বালক) দলে ঠাকুরগাঁও পৌরসভা দলে ১-০ গোলে রানীশংকৈল উপজেলা দলকে পরাজিত করে। অপরদিকে (বালিকা)’য় রানীশংকৈল উপজেলা দল ৫-০ গোলে সদর উপজেলা দলকে পরাজিত করে চ্যাম্পিয়ন হয়।


খেলা পরিচালননার দায়িত্ব পালন করেন আলতাফুর আলিম। সহকারী পরিচালকের দায়িত্ব পালন করেন, ইউনুস আলী, জুয়েল ইসলাম, জয়নাল আবেদীন, আলিফ হোসেন, মো: আপেল, জাকির হোসেন। 

খেলা চলাকালীন সময়ে হাজারও দর্শকের সমাগম ঘটে। ধারা বর্ণনা করেন স্বনামধন্য ধারাভাষ্যকার সুজন খান।

উল্লেখ্য, টুর্নামেন্টে (বালক-বালিকায়) মোট ৬টি করে দল অংশগ্রহন করে। দলগুলো হলো ঠাকুরগাঁও পৌরসভা , সদর উপজেলা , বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা, হরিপুর উপজেলা, পীরগঞ্জ উপজেলা ও রানীশংকৈল উপজেলা দল।


আরো পড়ুন:


  1. বালিয়াডাঙ্গীতে এক পরিবারের চার সন্তানই প্রতিবন্ধী
  2. Afran Nisho: ভারতীয় ওয়েব সিরিজে আফরান নিশো
  3. জয়নাল হত্যা মামলার সব আসামি খালাস; পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থার নির্দেশ
  4. ফেনীর দাগনভূঁঞায় মোটরসাইকেল চোরাই চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার 
  5. ফেনীর ফুলগাজীতে দুই মহিলা ছিনতাইকারী গ্রেফতার
  6. পুতিনের বেপরোয়া পদক্ষেপ ইউরোপকে সরাসরি হুমকি দিচ্ছে 
  7. Russia Ukrain: বাংলাদেশি জাহাজে হামলার জন্য ইউক্রেনকে দুষছে রাশিয়া 
  8. সাড়ে ১২ কোটি মানুষ টিকার আওতায়
  9. নিয়ন্ত্রণহীন ভোজ্য তেলের বাজার
  10. ইউক্রেনে নাজুক অবস্থায় পড়ে গেছি: প্রতিমন্ত্রী

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget