Articles by "বাংলাদেশ"

 



ভারতে পাচার হওয়া ৫ বাংলাদেশী নারীকে বেনাপোলে হস্তান্তর

বেনাপোল প্রতিনিধি: ভালো কাজের প্রলোভনে ভারতে পাচারের শিকার ৫ বাংলাদেশী নারীকে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে বেনাপোল হস্তান্তর করেছে ভারতীয় পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৮ এপ্রিল) সন্ধ্যায় বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে তাদের দেশে ফেরত পাঠানো হয়।





ফেরত নারীরা চুয়াডাঙ্গার, ফরিদপুরের, চট্রগ্রাম ও রাজবাড়ি এলাকার বাসীন্দা।

জানা যায়, দেশের বিভিন্ন সীমান্ত পথে তিন বছর আগে এরা ভারতে গিয়েছিল। এসময় অবৈধ অনুপ্রবেশের অভিযোগে ভারতীয় পুলিশ তাদের আটক করে জেলে পাঠায়। পরে তাদের ঠাই হয় ভারতীয় মানবাধিকার সংস্থ্যায়। পরে বাংলাদেশ সরকারের সহযোগীতায় বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে তারা দেশে ফেরার সুযোগ পায়।

বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি রাজু আহম্মেদ জানিয়েছেন, পুলিশের কার্যক্রম শেষে ফেরত আসা বাংলাদেশিদের বেনাপোল চেকপোস্ট থেকে এনজিও সংস্থ্যা গ্রহন করেছে।

এদিকে ফেরত আসা এসব নারীরা যদি পাচারকারীদের সনাক্ত করে মামলা দিতে চাই তবে আইনী সহয়তা দেওয়া হবে জানিয়েছেন নারীদের গ্রহনকারী মানবাধিকার সংস্থা জাস্টিস এন্ড কেয়ার।


আরো পড়ুন:




 






ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলা বিএনপি’র দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে সভাপতি পদে আতাউর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক পদে আলিফ এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদে এম আর বকুল মজুমদার ও আফজাল হোসেন নির্বাচিত হয়েছেন।


দ্বি-বার্ষিক সন্মেলনের মাধ্যমে রবিবার (১৫ মে) দুপুরে পৌরশহরের শান্তা কমিউনিটি সেন্টারে উৎসবমূখর পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এতে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক ও সাংগঠনি সম্পাদক এই ৩টি পদে ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। দুপুর থেকে বিকাল পর্যন্ত গোপন ব্যলোটের মাধ্যমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়।

নির্বাচনে ভোট গননার পর ফলাফলে উপজেলা বিএনপি’র সাবেক সম্পাদক আতাউর রহমান ২৯৫ ভোট পেয়ে
সভাপতি পদে নির্বাচিত হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র সিনিয়র সহ-সভাপতি মনজুরুল আলম পায় ২৫৫ ভোট।

সাধারণ সম্পাদক পদে ইউনিয়ন সাধারণ সম্পাদক আল্লামা আল ওয়াদুদ বিন নূর আলিফ ২২৩ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন।
তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি’র প্রচার সম্পাদক নুরনবী ১৮৫ ভোট এবং পৌর বিএনপি’র সহ-সভাপতি মাহমুদুন নবী পান্না বিশ্বাস পায় ১৪২ ভোট।


সাংগঠনিক সম্পাদক পদে মোখলেসুর রহমান বকুল মজুমদার ৩১১ভোট পেয়ে ১ম সাংগঠনিক সম্পাদক ও উপজেলা বিএনপির সদস্য মোঃ আফাজ হোসেন ২৩৫ ভোটে ২য় সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন।

বিএনপি’র সহ সভাপতি বীরমুক্তিযোদ্ধা নুর করিম জানান, জেলা বিএনপি’র তত্বাবধানে তিনটি পদে ব্যালটের মাধ্যমে রাণীশংকৈল উপজেলা বিএনপির তৃণমূল পর্যায়ের ৫৬৮ জন ভোটারের মধ্যে ৫৫১ জন ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করেন নির্বাচন প্রস্তত কমিটির আহবায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা নূর করিম, সদস্য এ্যাডভোকেট সারওয়ার হোসেন ও এ্যাডভোকেট বদিউজ্জামান বাদল।

নির্বাচন চলাকালীন সময়ে উপস্থিত ছিলেন, পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি ও ঠাকুরগাঁও-৩ আসনের এমপি জাহিদুর রহমান, জেলা সমন্বয়ক সুলতানুল ফেরদৌশ নম্র চৌধুরী, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এ্যাডঃ জয়নাল আবেদীন, পীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক জিয়াউর রহমান জিয়া, রাণীশংকৈল উপজেলা বিএনপি’র নির্বাচন পরিচালনা কমিটির আহবায়ক আইনুল হক মাস্টার, জমিরুল ইসলাম (চেয়ারম্যান), মানিক হোসেন, শাহাদাত হোসেন, খলিলুর রহমান ও জেলা ও বিভিন্ন উপজেলা বিএনপি’র নেতাকর্মি প্রমুখ।

আনোয়ার হোসেন আকাশ
রাণীশংকৈল প্রতিনিধি


আরো পড়ুন:



কেশবপুরের বসুন্তিয়া সার্বজনীন বাসন্তী পূজা সমাপ্ত
Basuntiya public Basanti Puja of Keshabpur is over


ঋতু যাই হোক, মহাপুরুষরা বিপদকালে অশুভ শক্তির বিনাশের উদ্দেশ্যে আদ্যাশক্তির আরাধনা করেছেন। ‘রামায়ণ’-এ শ্রী রামচন্দ্র শরৎ কালে অশুভ শক্তি নাশ করতে দেবীর আরাধনা করেন। পুরাণ অনুযায়ী চিত্রবংশীয় রাজা সুরথ বসন্ত কালে দেবীর আরাধনা করেন। কালের পার্থক্য হলেও আরাধনা দেবী দুর্গারই। কালের প্রভেদের কারণে পূজা রীতির সামান্য পার্থক্য হলেও উভয় পূজার রীতি প্রায় একই। শরৎকালে শারদীয়া দুর্গাপূজা, বসন্ত কালে শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজা।


কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের বসুন্তিয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী তারকেশ্বর পূজা মন্দিরে সার্বজনীন শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজা বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হয়ে সোমবারে শেষ হলো। 

আরো পড়ুন:  যে কারণে ১০ বছর মিডিয়া থেকে দূরে থাকেন বিজয়

পূজা মন্দির কমিটির সভাপতি মাস্টার সুজিত কুমার সরকার জানান, প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বৃহস্পতিবার থেকে সোমবার পাঁচ দিন ব্যাপী শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গত দুই বছর অত্যাধিকহারে করোনা ভাইরাস বৃদ্ধির কারণে ভক্তদের সমাগম ছিল কম। কিন্তু এবার করোনার প্রাদুর্ভাব না থাকায় পরিবেশ জাকজমকপূর্ণ হয়েছে। 


পূজা মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাস্টার প্রদীপ কুমার দেবনাথ জানান, পঞ্জিকায় লেখক, গণক, চণ্ডী পাঠক ও গবেষক প্রয়াত তারকনাথ ভট্টাচার্যের নামানুসারে বাংলা ১৩৫৫ সালে এই মন্দিরটি স্থাপন করা হয়। সে অবধি এখানে চলে আসছে শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজাসহ আরও অনেক পূজা। লেখক, গণক, চণ্ডী পাঠক ও গবেষক হিসাবে তারকেশ্বর ভট্টাচার্যের নাম পঞ্জিকায় লিপিবদ্ধ ছিল। এখানে এই শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজা ৭৩ বছরে পদার্পন করলো।  বহু দূর থেকে হাজার হাজার ভক্তবৃন্দ এখানে পূজা দেখতে আসেন। 


 তারকেশ্বর পূজা মন্দির কমিটির যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মিন্টু রায় জানান, প্রয়াত তারকনাথ  ভট্টাচার্যের স্মৃতি বিজড়িত মন্দিরটি নতুন করে নির্মান করা হচ্ছে কিন্তু আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে এখনও সম্পন্ন করতে পারিনি। সকলের সহযোগিতা থাকলে অসমাপ্ত কাজটুকু করতে সক্ষম হবো। 


কেশবপুর পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ হালদার বলেন, শ্রী শ্রী বাসন্তী পূজায় সরকারীভাবে কোন  অনুদান নাই তবে, আগামীতে এ পূজার সময় যাতে কিছু অনুদান পাওয়া যায় তার জন্য আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে চেষ্ঠা করবো। 


পূজা উপলক্ষে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন, মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বিশ্বাস। বিশেষ অতিথি ছিলেন, কেশবপুর উপজেলা, স্বেচ্ছাসেবকলীগের আহবায়ক আব্দুল গফুর গফ্ফার, এলাকা ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম, কেশবপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আশুতোষ হালদার, মঙ্গলকোট ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও মঙ্গলকোট আদর্শ মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক আজিজুর রহমান, প্রধান অতিথির একান্ত সহকারী কনক রায়, মঙ্গলকোট বাসষ্ট্যাণ্ড বাজার কমিটির সাবেক সভাপতি পরিতোষ কুমার সরকার, যুবলীগের কামরুজ্জামান মিন্টু, ছাত্রলীগের মাহফুজুর রহমানসহ অন্যান্য সফরসঙ্গীবৃন্দ।


প্রধান অতিথি পূজা মন্দির কমিটির সাধারণ সম্পাদক মাস্টার প্রদীপ কুমার দেবনাথ-এর নিকট কিছু আর্থিক অনুদান তুলে দেন। তিনি সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড তুলে ধরেন এবং সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।


পূজায় নবমী ও দশমীর পূজা শেষে রাতে ছিল সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অনুষ্ঠান শেষে প্রত্যেক প্রতিযোগিকে পুরস্কার দেওয়া হয়। প্রতিযোগি সেজুতি সরদার বলে, অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে পেরে সে খুব খুশি। বুড়ুলি গ্রামের জয়া পাল বলে, আমি পূজা দেখতে এসে অনুষ্ঠানে যোগদান করে একটি ভাল কাপসহ কিছু টাকা পেয়েছি। নরনিয়া গ্রামের পূজা রাহা জানায়, আমি এখানে পূজা দেখতে এসে অনুষ্ঠানে অংশগ্রহন করতে পেরে আমার খুব ভাল লেগেছে। আমি একটি ভাল কাপ উপহার পেয়েছি।



আরো পড়ুন:


মেডিকেল ভর্তি নিয়ে দুশ্চিন্তায় সুব্রত গাইন ও তার পরিবার
Subrata Gain and his family are worried about medical admission


বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে হত দারিদ্র পারিবারের সন্তান সুব্রত গাইন। এতে খুশি হওয়ার কথা থাকলেও তার মুখে হাসি নেই। কারণ তার পড়াশুনার খরচ কীভাবে চলবে তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে পরিবারটি। অর্থের অভাবে তার মেডিকেলে ভর্তিও অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ছেলের চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্নপূরণে বিত্তবানদের সহযোগিতা কামনা করেছেন তার বাবা-মা। সুব্রত গাইন যশোরের কেশবপুর উপজেলার মঙ্গলকোট ইউনিয়নের বড়-পাথরা গ্রামের হত দরিদ্র মৎস্যজীবি নারায়ন চন্দ্র গাইনের ছেলে। তার এক ছেলে ও দুই মেয়ে। ভাইবোনের মধ্যে সুব্রত ছোট। গৃহিণী মা জবা গাইন তাদের কষ্ঠ বুঝতে না দেওয়ার চেষ্টা করেছেন।

আরো পড়ুন:  যে কারণে ১০ বছর মিডিয়া থেকে দূরে থাকেন বিজয়

 উপজেলার কাঁকবান্ধাল সমিতি বছরে ১২ হাজার করে দুই বছর সুব্রতকে বৃত্তি দিয়েছিল। করোনার দুই বছর আর দেয়নি। সমিতি থেকে এককালীন ৬০ হাজার ও কিস্তিতে ২০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে এ পর্যন্ত এসেছি। বাবা নারায়ন চন্দ্র গাইন জানান, নদি-বিল থেকে মাছ ধরে বিক্রি করে এবং দুই/তিনটি গরু পুষে কোনরকম টিকে আছি। এক বিঘা জমি আছে তাও বন্ধক রেখেছি। ছোটবেলা থেকেই লেখাপাড়ায় খুব আগ্রহী ছিল সুব্রত। পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষায় জিপিএ-৫, এবং এসএসসি ও এইচএসসিতেও বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পেয়েছেন জিপিএ-৫। 


খুলনার বয়রা মহিলা কলেজ কেন্দ্রে পরীক্ষা দিয়ে বগুড়া মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পেয়েছে সুব্রত।  এদিকে অর্থের অভাবে ছেলেকে মেডিকেলে ভর্তি করা নিয়ে অনিশ্চিয়তার মধ্যে পড়েছেন হত দরিদ্র মৎস্যজীবি নারায়ন চন্দ্র গাইন। 


তার একটা ছেলে ও দুই মেয়ে। বড় মেয়ে কাজলী গাইন খুলনা আজমখান কলেজে মাষ্টার্সে অধ্যায়নরত এবং ছোট মেয়ে রূপা গাইন সাতক্ষীরা সরকারী কলেজে অনার্সে অধ্যায়নরত।সুব্রত গাইনের মা জবা গাইন বলেন, খুব দুঃখ-কষ্টের মধ্য দিয়ে আমার ছেলে-মেয়েরা বড় হয়েছে। কখনও খাবার জুটেছে, কখনও জোটেনি। ছেলে-মেয়ের মধ্যে সুব্রত ছোট। তার বড় বোন কাজলী গাইন খুলনা আজমখান কলেজে মাষ্টার্সে অধ্যায়নরত এবং ছোট বোন রূপা গাইন সাতক্ষীরা সরকারী কলেজে অনার্সে অধ্যায়নরত। অর্থনৈতিক দুরবস্থার মধ্যেও সন্তানের পড়ালেখায় উৎসাহ দিয়েছি। আমরা বহু কষ্ট করে তাকে পড়িয়েছি ।


 তিনি বলেন, সকলের আশির্বাদে আমার ছেলে মেডিকেলে ভর্তির চান্স পেয়েছে। কিন্তু তাকে ভর্তি করার মতো টাকা-পয়সা আমাদের নেই। আমি চিন্তা করে কোনো কূলকিনারা পাচ্ছি না, কীভাবে ছেলেকে ভর্তি করাব? কীভাবে বই কিনে দিব? কীভাবে খরচ চালাব? সাহায্যের জন্য আমি মানবতার মা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সহ বিত্তবানদের কাছে আবেদন করছি। আপনারা সবাই আমার ছেলের জন্য সাহায্য করুন। আপনারা যদি সাহায্য করেন তাহলে ছেলেটাকে ডাক্তারি পড়াতে সক্ষম হবো। তা না হলে আমার কোনো ক্ষমতা নেই তাকে পড়াশোনা করানোর। আমি ইউএনও মহোদয়ের কাছে মৌখিক আবেদন করলে ছেলেকে নিয়ে যেতে বলেছেন।


কেশবপুরের পাথরা পল্লী উন্নয়ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক তপন ব্রহ্ম বলেন, সুব্রত এই বিদ্যালয় থেকে জেএসসি ও এস,এস,সি পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পেয়েছে। সে বগুড়া মেডিকেল কলেজে ভর্তির সুযোগ পাওয়ায় আমরা গর্বিত।



আরো পড়ুন:




কেশবপুরের মঙ্গলকোট বিল গরালিয়া খালের ব্রিজ ঝুঁকিপূর্ণ, পূণরায় নির্মানের দাবী
Keshabpur's Mangalkot Beel Garalia Canal Bridge at Risk, Demands Reconstruction


কেশবপুরের মঙ্গলকোট ইউনিয়নে বিল গরালিয়া খালের ওপর ব্রিজটি মৃত্যুকূপে পরিনত হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে পূণরায় নির্মানের প্রয়োজন। কন্দর্পপুর নিছার আলীর মোড় হতে বংশীর বাজার সড়কের কন্দর্পপুর সীমান্তের বড়েঙ্গা জব্বার হাজির বাড়ির পাশের ব্রিজটি মৃত্যুকূপে পরিনত হয়েছে। প্রায় দেড় বছর হলো ব্রিজটির উপরের অংশ ভেঙ্গে পড়েছে। সেখানে একটি সাইনবোর্ড দেওয়া হয়েছে। সাইনবোর্ডটিতে ঝুঁকিপূর্ণ ব্রীজ, ভারী যানবাহন চলা নিষেধ, আদেশক্রমে কতৃপক্ষ কথাগুলো লেখা আছে। ব্রিজটির যেখানে ভেঙ্গে গেছে সেখানকার রড নিম্ন মানের যা আদৌও টেকার কথা নয়। যে কোন সময় ব্রিজে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। ব্রিজটি নতুনভাব তৈরী করার জন্য প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী। 

আরো পড়ুন: পরিচালনায় শাহরুখ-পুত্র, ওয়েব সিরিজের শ্যুটিং শুরু করলেন আরিয়ান

মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ-নূর-আল আহসান বাচ্চু বলেন, ব্রিজটি দিয়ে কেশবপুর, বড়েঙ্গা, কন্দর্পপুর পাঁচারই, ঘাঘা, পাথরা, মাগুরখালী, পাঁজিয়া বাকাবশী, আলতাপোল, বুড়লীসহ বিভিন্ন গ্রামের লোকজন চলাচল করে থাকেন। যশোর-চুকনগর রাস্তার নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় এই রাস্তটির গুরুত্ব আরও বেড়ে গেছে। এ কারণে দ্রুত ব্রিজটি নির্মান/সংস্কার প্রয়োজন। বিষয়টি এমপি মহোদয়কে জানান হয়েছে ।


মঙ্গলকোট ইউনিয়নের বড়েঙ্গা ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রশিদ বলেন, বিল গরালিয়া খালের বড়েঙ্গা ও কন্দর্পপুর সীমান্তে জব্বার হাজির বাড়ির কাছে ব্রিজটি অবস্থিত। প্রায় বছর দেড়েক হলো ব্রিজটির ছাদ খসে পড়েছে। এ সম্পর্কে বর্তমান এমপি শাহীন চাকলাদারকে অবগত করানো হয়েছে। তিনি দ্রুত সংস্কারের আশ্বাস দিয়েছেন।


ব্রীজের এক পাশের এলাকা ইউপি মেম্বর মোতাহার হোসেন জানান, এমপি মহোদয় ইঞ্জিনিয়ার পাঠিয়েছিলেন এবং নতুন নির্মানের জন্য মেপে নিয়ে গেছেন।


ব্রীজের অন্য পাশের এলাকা ইউপি মেম্বর মেহেদী হাসান জানান, ব্রীজটি কেশবপুরের ইঞ্জিনিয়ার এসে দেখে মাফজোক করে নিয়ে গেছেন, কাজটি দ্রুত হবে বলে জানিয়েছেন।

 

মঙ্গলকোট ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের বিশ্বাস জানান, এতোদোঞ্চলের কয়েকটি গ্রামের লোকজন বিল গরালিয়া খালের ওপর ব্রীজটি দিয়ে চলাচল করে থাকেন। তাছাড়া যশোর-চুকনগর হাইওয়ে রাস্তাটির বাইপাস সড়ক হিসাব ব্যবহার হয়ে থাকে। ব্রীজটির ছাদের কিয়দাংশ ভেঙ্গে পড়ায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। ব্রীজটি দ্রুত নির্মানের ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। 





আরো পড়ুন:






পরশুরামে ৫শতাধিক পরিবারের মাঝে "ঢাকাস্থ'' পরশুরাম সমিতি''র ইফতার সামগ্রী বিতরণ
Distribution of Iftar items of "Dhaka Parasthuram Samiti" among more than 500 families in Parashuram


ফেনীর পরশুরামে ৫শতাধিক পরিবারের মাঝে "ঢাকাস্থ পরশুরাম সমিতি"র উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।শুক্রবার ৮ এপ্রিল বিকেলে সমিতির নেতৃবৃন্ধ পরশুরাম পৌরসভা কার্যাালয়, বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন পরিষদ, চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ ও মির্জানগর ইউনিয়ন পরিষদে এক যোগে এসব ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন।

আরো পড়ুন: সন্তানের সামনে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় আদালতে মামলা

ঢাকাস্থ পরশুরাম সমিতির সভাপতি ও বিআরটিএ'র চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মজুমদারের সভাপতিত্বে উক্ত ইফতার সামগ্রী বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে ইফতার সামগ্রী বিতরণ করেন ফেনী জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি খায়রুল বশর মজুমদার তপন, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবক ও শিক্ষাণুরাগী জালাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী পাপ্পু, ঢাকাস্থ পরশুরাম সমিতি নবনির্বাচিত সহ-সভাপতি সিরাজুল মোস্তফা চৌধুরী ও আবদুল মোতালেব খন্দকার নাসিম।


ঢাকাস্থ পরশুরাম সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও সোনালী ব্যাংক জেনারেল ম্যানাজার (জিএম) আশরাফুল হায়দার চৌধুরী পিংকুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য রাখেন পরশুরাম উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন মজুমদার, পরশুরাম পৌরসভার মেয়র নিজাম উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী সাজেল, জেলা পরিষদ সদস্য এম. সফিকুল হোসেন মহিম, চিথলিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান জসিম উদ্দিন, বক্সমাহমুদ ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল গফুর ভুইয়া ও ফেনী জেলা জাসদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবদুল মোমেন মজুমদার বাবুলসহ প্রমুখ।


ঢাকাস্থ্ পরশুরাম সমিতির পক্ষ থেকে উপজেলায় ৫শতাধিক পরিবারের মাঝে ইফতার সামগ্রী উপহার দেওয়া হয়েছে।



আরো পড়ুন:




ফরিদপুরের  ভাঙ্গায় পূর্ব শত্রুতা ও আধিপত্য নিয়ে ২ যুবককে কুপিয়ে হত্যা এবং আহত ১
Two youths were hacked to death & one was injured in Faridpur Bhanga due to previous hostility and domination


ফরিদপুরের ভাঙ্গা উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের জান্দি গ্রামে পূর্ব শত্রুতা ও এলাকার আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ২ যুবককে পরিকল্পিতভাবে কুপিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মারাত্মক আহত হয়েছেন আরও একজন। 


 বৃহস্পতিবার  রাত ১০টার দিকে উপজেলার তুজারপুর ইউনিয়নের ওই গ্রামের পার্শ্ববর্তী  পোদ্দারবাজার নামক এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তিরা হলেন, উপজেলার জান্দী গ্রামের  মতিউর রহমান শরীফের ছেলে ছলেমান শরীফ (৩৮) ও কালাম মাতবরের ছেলে কামরুল মাতবর (৩২)। একই গ্রামের গুরুতর আহত ব্যক্তি হলেন মমিন উদ্দিনের ছেলে আমিনুল ইসলাম (৪০)।

আরো পড়ুন: সন্তানের সামনে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় আদালতে মামলা

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  স্থানীয় আলতাফ মাতবর পক্ষের জামাল শেখের সঙ্গে ইমারত মাতবরের পক্ষের কামরুল মাতুব্বরদের সাথে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দীর্ঘদিন বিরোধ চলছিল।  সেই ধারাবাকিতায় বৃহ¯পতিবার রাত ১০টার দিকে ওই তিন যুবক পোদ্দারবাজার থেকে মোটরসাইকেলযোগে নিজ বাড়ি জান্দির উদ্দেশ্যে রওনা হন। এ সময় বাজার পার হতেই পূর্ব পরিকল্পিতভাবে প্রতিপক্ষের লোকজন তাদের গতিরোধ করে। এ সময় জামাল শেখ, আলতাফ মাতবর, সুমন শেখ, শাহীন চৌধুরী, আবুল খায়ের মুন্সি, আজিজুল শরীফ, বাকী শেখসহ তাদের সহযোগীরা ধারাল অস্ত্র দিয়ে ওই তিন যুবককে উপর্যিপরি কুপিয়ে জখম করে ফেলে রেখে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই ছলেমান শরীফ মারা যান। পরে গুরুতর আহত অন্য দুজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে ভাঙ্গা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং পরে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় কামরুলের অবস্থার অবনতি হলে ঢাকায় নেওয়ায় পথে রাত আড়াইটার দিকে তার মৃত্যু হয়।


ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ভাঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম রেজা জানান, গ্রাম্য দলাদলিতে দু,পক্ষের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে মনে হয়।  সকালে দুই যুবকের মরদেহ ফরিদপুর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। 


খবর পেয়ে শুক্রবার সকালে  ফরিদপুর পুলিশ সুপার আলীমুজ্জামান,অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) ফাহিমা কাদের চৌধুরী  ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।  


ফরিদপুরের পুলিশ সুপার আলীমুজ্জামান এলাকাবাসী ও নিহতের পরিবারের সদস্যদের উদ্যেশ্যে বলেন, যারা হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত তাদের খুজে বের করে অচিরেই আইনের আওতায় আনা হবে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ এলাকায় অশান্তি সৃষ্টি করলে তাদের বিরুদ্বেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। ঘটনার পর থেকে  পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য অতিরিক্ত পুলিশ, ডিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এদিকে নিহতের বাড়িতে গিয়ে দেখা যায়,স্বজনদের আহাজারিতে এলাকায় বাতাস ভারী হয়ে উঠেছে।



আরো পড়ুন:






পরশুরামে অপহৃত স্কুলছাত্রী গাজীপুর থেকে উদ্ধার, যুবক আটক
Schoolgirl abducted in Parashuram rescued from Gazipur, youth arrested


ফেনীর পরশুরাম থেকে অপহৃত স্কুলছাত্রীকে (১৬) কে বিশ দিন পর গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে উদ্ধার করেছে পরশুরাম মডেল থানার পুলিশ।গত রবিবার ৩রা এপ্রিল রাতে র‍্যাব-১ গাজীপুরের পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সহযোগিতায় গাজীপুরের কালিয়াকৈরকে অভিযান চালিয়ে তাকে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় মোঃ সোহাগ আহম্মেদ(২১) নামের এক যুবকেকে আটক করেছে পুলিশ।


সোহাগ দিনাজপুর জেলার চিরিরবন্দর থানার উত্তর পলাশবাড়ীর আবু হানিফের এর ছেলে। এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে পরশুরাম থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।


পুলিশ জানায়, পরশুরামের স্থানীয় একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির ওই ছাত্রী মোবাইল ফোনে মোঃ সোহাগ আহম্মেদ নামের যুবকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ায়।

 

জানা যায়, সোহাগ ওই স্কুল ছাত্রীকে গত ১৪ মার্চ বিকেলে বিভিন্ন প্রলোভন দেখাইয়া ও ফুসলাইয়া পরশুরাম থেকে অপহরণ করে নিয়ে যায়।

আরো পড়ুন: সন্তানের সামনে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় আদালতে মামলা

মেয়েকে খুঁজে না পেয়ে তার বাবা বাদী হয়ে মেয়ের সন্ধান চেয়ে পরশুরাম মডেল থানায় গত ১৫ মার্চ একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। জিডির দেওয়া তথ্যের উপর ভিত্তি করে পরশুরাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: সাইফুল ইসলাম এর নেতৃত্বে শেখাব উদ্দিন সেলিম সহ রবিবার (৩ মার্চ) সকালে পুলিশ প্রযুক্তির সহায়তায় মোঃ সোহাগ আহম্মেদ এর অবস্থান নিশ্চিত করে।


এরপর গাজীপুরের র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১ পোড়াবাড়ি ক্যাম্পের সহয়তায় অভিযান চালিয়ে ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত মোঃ সোহাগ আহম্মেদকে আটক করে।  


প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মোঃ সোহাগ আহম্মেদ পুলিশের কাছে ঘটনার দায় স্বীকার করেছে। 


পরশুরাম মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো: সাইফুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, প্রযুক্তির সহায়তায়  র‍্যাপিড এ্যাকশন ব্যাটালিয়ন-১ কে সঙ্গে নিয়ে পরশুরাম থানা পুলিশের একটি টিম গাজীপুরের কালিয়াকৈর থেকে অপহৃত স্কুল ছাত্রীকে উদ্ধার করে এবং অভিযুক্ত মু সোহাগ আহম্মেদ কে আটক করে।



আরো পড়ুন:





যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget