Articles by "বিজ্ঞান"


বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ডেস্ক: বর্তমান সময়ে তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড
 রিয়েলমি। এবার নিজেদের সবচেয়ে দামী ডিভাইস নিয়ে চীনের মোবাইল ফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি আগামী মাসেই ইউরোপের হাই-এন্ড হ্যান্ডসেট বাজারে প্রবেশের প্রস্তুতি নিয়েছে। 

এরই মধ্যে নিজের বিভিন্ন ফোন নিয়ে বাজারে একটি শক্ত অবস্থান তৈরী করেছে রিয়েলমি।

শেনজেনভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি বাজেট ফোনের বাজারের বাইরেও শক্ত অবস্থান তৈরি করার উদ্যোগ হিসেবে নিজেদের সবচেয়ে দামি মডেলটি ইউরোপের বাজারে হাজির করবে। রিয়েলমি’র সিইও রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তার প্রতিষ্ঠান এ বছর বিশ্বব্যাপী শতকরা ৫০ ভাগ বেশি স্মার্টফোন বিক্রির পরিকল্পনা করছে।

বেশ কয়েকটি চীনা হ্যান্ডসেট নির্মাতা হুয়াওয়ের স্মার্টফোনের বাজার দখলের জন্য আগ্রাসী পদক্ষেপ নিচ্ছে। মার্কিন নিষেধাজ্ঞার পর এক সময়ের শীর্ষস্থান দখলকারী এই স্মার্টফোন নির্মাতার সাপ্লাই চেইন বন্ধ হয়ে যায় এবং নিজেদের অবস্থান হারায়।

রিয়েলমি ফেব্রুয়ারিতে ইউরোপে তার ফ্ল্যাগশিপ ফোন জিটি ২ প্রো সাতশ’ থেকে আটশ’ ডলারে বিক্রি করবে বলে জানিয়েছেন সিইও স্কাই লি।

জিটি মাস্টার এডিশনের মূল্য অ্যামাজন সাইটে ৩৯৫ ডলার। সে হিসেবে প্রো তার প্রায় দ্বিগুণ মূল্যে বিক্রি হবে, যেটি অ্যাপল এবং স্যামসাংয়ের প্রিমিয়াম ফোনের প্রায় কাছাকাছি দামের হতে যাচ্ছে।

লি বলেন, “আমরা মনে করি এটি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বাজার, হাইএন্ড ফোনের জন্য একটি বড় বাজার।”

মহামারীর ছোবল লেগেছে অর্থনীতিতে, স্মার্টফোনের চাহিদা কমে এসেছে এবং ক্রেতারা নতুন ফোন কিনতে আরও বেশি সময় নিচ্ছেন। তবে, বিশ্বের দ্রুততম বর্ধনশীল স্মার্টফোন নির্মাতা হিসাবে রিয়েলমি এখানে পরিবর্তন আনতে পারে বলে যোগ করেছেন লি।

কাউন্টারপয়েন্ট রিসার্চের ধারণা অনুসারে ইউরোপের স্মার্টফোন বাজার থেকে ২০২১ সালের প্রথম ১১ মাসে প্রায় ৮০ বিলিয়ন ডলার আয় হয়েছে। এর মধ্যে হাই-এন্ড ফোন থেকে এসেছে প্রায় ৫৫ বিলিয়ন ডলার।

“বাজার বৃদ্ধির প্রায় পুরোটাই আসে হাই-এন্ড মডেল থেকে, আর এই অংশটি চালাচ্ছে অ্যাপল এবং স্যামসাংয়ের প্রিমিয়াম মডেলগুলো” – কাউন্টারপয়েন্ট সিনিয়র বিশ্লেষক ইয়াং ওয়াং বলেন।

অ্যাপলের প্রিমিয়াম ফোন ইউরোপের বাজারে চলেছে সবচেয়ে বেশি। প্রতিষ্ঠানটির আইফোন ১৩’র দাম শুরু হয় প্রায় সাড়ে আটশ’ ডলার থেকে। গত প্রান্তিকে এর পরেই ছিল স্যামসাং এবং শাওমি যাদের প্রিমিয়াম ফোনের মূল্য ছিল যথাক্রমে নয়শ’ ও সাতশ’ ডলার।


মোবাইল জগতের একসময়ের রাজা ব্ল্যাকবেরি ফোনের অধ্যায় শেষ হচ্ছে চলতি মাসের ৪ জানুয়ারি। এদিন ব্ল্যাকবেরি নিজস্ব সফটওয়্যার চালিত ফোন বা ট্যাবলেটে অপারেটিং সিস্টেম ৭.১ এবং তার আগের সংস্করণ, একইসাথে ওএস ১০ ডিভাইসগুলোতে প্রধান প্রধান সেবা বন্ধ হয়ে যাবে।

একইদিনে কোম্পানির ট্যাবলেট ‘প্লেবুক’ এর অধ্যায়ও শেষ হচ্ছে। ব্ল্যাকবেরি ফোনের নিজস্ব অপারেটিং সিস্টেম বন্ধ হওয়ার ফলে জনপ্রিয় ফিচার যেমন জরুরি কলিং, ফোন কল, ডেটা চালু থাকবে- এমন গ্যারান্টিও দিচ্ছে না প্রতিষ্ঠানটি। যার ফলে গ্রাহকের ব্যবহার করা ফোনটি অকেজো হয়ে যাবে।

অবশ্য অবাক হওয়ার কিছু নেই। ২০১৯ সালেই ব্ল্যাকবেরি তাদের অ্যাপ স্টোর এবং জনপ্রিয় মেসেঞ্জার বিবিএম বন্ধ করে দেয়। ফলে ব্ল্যাকবেরির আর ফিরে আসার কোনো সম্ভাবনাই নেই।

একের পর এক ব্যর্থতায় বন্ধ হতে চলেছে ব্ল্যাকবেরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, আধুনিক প্রযুক্তিতে নিজেদের মানিয়ে নিতে না পারায় বাজার হারিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।


সারা বিশ্বে ৫০ হাজার মানুষের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে ও ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর ওপরে নজর রেখেছিল হ্যাকাররা। আর এর পেছনে যুক্ত ছিল ভারত, ইসরাইলসহ বিভিন্ন দেশের প্রতিষ্ঠান।

এমনই চঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা। বৃহস্পতিবার এসব তথ্য প্রকাশ করা হয় বলে খবর প্রকাশ করে এএফপি।

সেখানে মেটার পক্ষ থেকে বলা হয়, সারা বিশ্বে প্রায় ১০০ দেশের অধিকারকর্মী, ভিন্নমতাবলম্বী ও সাংবাদিকদের ওপর নজরদারি করেছে প্রতিষ্ঠানগুলো। এ কারণে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, হোয়াটসঅ্যাপ ও ইনস্টাগ্রাম থেকে প্রায় দেড় হাজার পেজ ও অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এসব পেজ ব্যবহার করেই মূলত তথ্য হাতিয়ে নেওয়া হতো। আর সাতটি প্রতিষ্ঠান এসব অ্যাকাউন্ট ও পেজ ব্যবহার করত বলে বলা হয় সিএনএন ও রয়টার্সের খবরে।

এ ছাড়া হ্যাকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে মেটা। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের আইনপ্রণেতারা ও প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও এসব হ্যাকিং প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ জোরদার করেছে।

এমন পদক্ষেপের অংশ হিসেবে ইসরাইলের আড়িপাতার সফটওয়্যার নির্মাতাপ্রতিষ্ঠান এনএসও গ্রুপের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন সরকার। এদিকে মেটাও এনএসওর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেছে।

এ ছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, সেগুলো হচ্ছে— ইসরাইলের ব্ল্যাক কিউব। এ প্রতিষ্ঠানটিকে ব্যবহার করেছিলেন ধর্ষণ ও যৌন নিপীড়নের ঘটনার দায়ে সাজাপ্রাপ্ত হলিউডের প্রভাবশালী প্রযোজক হার্ভি ওয়াইনস্টিন। ভারতের বেলট্রক্স নামের একটি প্রতিষ্ঠানের নামও রয়েছে এতে। ইসরাইলের কবওয়েবস টেকনোলজিস, কগনাইট, ব্লুহোয়াক সিআইয়ের অ্যাকাউন্ট মুছে ফেলেছে ফেসবুক থেকে। এ ছাড়া উত্তর মেসিডোনিয়ার সাইট্রক্স ও চীনের আরেকটি প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টও মুছে দিয়েছে ফেসবুক।


এ প্রসঙ্গে মেটার সিকিউরিটি পলিসি বিভাগের প্রধান নাথানিয়েল গ্লেইচার বলেন, এনএসওর মতো শুধু একটি প্রতিষ্ঠান নয়, আড়িপাতার জন্য সফটওয়্যার তৈরি করতে যেসব প্রতিষ্ঠান কাজ করে থাকে, সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

তবে এসব আড়িপাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সন্ধান কীভাবে মিলেছে সে বিষয়ে কিছু জানায়নি মেটা।


শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ হতে যাচ্ছে শুক্রবার (১৯ নভেম্বর)। বাংলাদেশ থেকেও এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।

নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৫টা ১২ থেকে ২৭ মিনিটের মধ্যে এই চন্দ্রগ্রহণ শুরু হতে পারে। এটি চলবে সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিট পর্যন্ত।

জানা গেছে, ঢাকায় বিকেল ৫টা ১৩ মিনিট, ময়মনসিংহে ৫টা ১১ মিনিট, চট্টগ্রামে ৫টা ১০ মিনিট, সিলেটে ৫টা ৫ মিনিট, খুলনায় ৫টা ১৮ মিনিট, বরিশালে ৫টা ১৫ মিনিট, রাজশাহীতে ৫টা ১৯ মিনিট এবং রংপুরে ৫টা ১৪ মিনিট থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যেতে পারে।

পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপরে পড়ায় শুরু হবে গ্রহণ। এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের একাংশে। তবে পূর্ণগ্রাস নয়, এই গ্রহণ হবে আংশিক। ঢাকা পড়বে চাঁদের ৯৭ শতাংশ।

গ্রহণ সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে উত্তর আমেরিকা থেকে। আমেরিকার ৫০টি প্রদেশ ও মেক্সিকো থেকে গ্রহণের প্রতিটি মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পারবেন মহাকাশপ্রেমীরা। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, পূর্ব এশিয়া, উত্তর ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকেও দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ।

২০০১ থেকে ২১০০ সালের মধ্যে এটাই হতে চলেছে এই শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। এই ১০ বছরে মোট ২২৮টি চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এর মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই এক মাসের মধ্যে দুটি করে চন্দ্রগ্রহণ হবে। এমনকি, তিনটি গ্রহণও হবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে।  

 


মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, ফেসবুকের ভবিষ্যৎ হলো মেটাভার্স। ত্রিমাত্রিক এই ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায় ব্যবহারকারীরা এমনভাবে কথোপকথন চালাতে কিংবা কাজে অংশ নিতে পারবেন, যেন একে অপরের ঠিক পাশেই আছেন। এখন তিনি বলছেন, সে জগতে কেবল দেখা কিংবা শোনা নয়, মিলবে স্পর্শের অনুভূতিও। সে জন্য হাতে থাকতে হবে বিশেষ প্রযুক্তির গ্লাভস বা দস্তানা। সে গ্লাভস কীভাবে কাজ করবে, গতকাল মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে তা-ও দেখিয়েছেন তিনি।

ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান দ্য রিয়েলিটি ল্যাবস এই গ্লাভস তৈরি করছে। এরই মধ্যে একটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ (প্রোটোটাইপ) দেখিয়েছে তারা, যেটি হাতে থাকলে ভার্চ্যুয়াল বস্তু হাতে নেওয়ার অনুভূতি মিলবে। সমন্বিত অভিজ্ঞতার জন্য ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) হেডসেটের সঙ্গে গ্লাভসটি বাজারজাত করা হতে পারে। আর ভবিষ্যতে অগমেনটেড রিয়েলিটি (এআর) গ্লাসের সঙ্গে ব্যবহারোপযোগী করে তোলা হবে বলে জানানো হয়েছে এনডিটিভির প্রতিবেদনে। এই ভিআর ও এআর প্রযুক্তির সাহায্যেই পরিচালিত হবে ভবিষ্যতের মেটাভার্স।


গতকাল মঙ্গলবার গ্লাভসটির কারিগরি খুঁটিনাটি প্রকাশ করে মেটা। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ বছর ধরে গ্লাভসটি তৈরিতে কাজ করছে রিয়েলিটি ল্যাবস। তবে কবে নাগাদ পূর্ণাঙ্গ গ্লাভস বিক্রি সম্ভব হবে, তা এখনো তাদের অজানা। এক বিবৃতিতে মেটা জানিয়েছে, গবেষণা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও তাদের লক্ষ্য মূলত আরও সমন্বিত অভিজ্ঞতার জন্য ভিআর হেডসেটের সঙ্গে গ্লাভস যুক্ত করা।

মেটার শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, গ্লাভসটি পরিধানকারীর হাতে এমন অনুভূতি তৈরি করে, যার মাধ্যমে বাস্তব বস্তুর ভর এবং স্পর্শ পাওয়া সম্ভব। গ্লাভসে যুক্ত থাকছে প্লাস্টিকের তৈরি ছোট ছোট মোটর যা অ্যাকচুয়েটর নামে পরিচিত। এগুলোর মাধ্যমেই পরিধানকারীর হাতে ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায় কোনো কিছু ধরার অনুভূতি মিলবে। সেটা হতে পারে বল ছুড়ে দিয়ে ধরা, আবার কারও সঙ্গে করমর্দন করা। ব্যাপারটা এমন যে দুই বন্ধু ২০০ কিলোমিটার দূরে নিজ নিজ ঘরে বসে থেকেও একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করতে পারবেন। তা-ও আবার যথারীতি হাত নাড়িয়ে।



গ্লাভসটি কাজ করে মাইক্রোফ্লুইডিকসের সাহায্যে, এর মাধ্যমে বাতাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাকচুয়েটরগুলোকে নাড়ানো যায়। পাশাপাশি হ্যান্ড-ট্র্যাকিং প্রযুক্তি নিয়েও কাজ করছে মেটা।

রিয়েলিটি ল্যাবসের প্রকৌশলী ক্যাথেরিন হিলি বলেন, ‘এখন দক্ষ প্রকৌশলীরা প্রতিটি গ্লাভস আলাদা করে তৈরি করছেন, যেখানে যন্ত্রাংশ তৈরি করে সেগুলো জুড়ে দেওয়ার কাজ করা হচ্ছে হাতে হাতে। সম্ভব হলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আধা স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে ঠিকই, তবে বিপুল পরিমাণ এই গ্লাভস তৈরির জন্য আমাদের সম্পূর্ণ নতুন উৎপাদনপ্রক্রিয়া উদ্ভাবন করতে হবে।’


শিক্ষার্থীদের ব্যবহারের জন্য উইন্ডোজ ১১ অপারেটিং সিস্টেমের নতুন একটি সংস্করণ ছাড়ার ঘোষণা দিল মাইক্রোসফট। গতকাল মঙ্গলবারের ঘোষণায় সেটিকে ‘উইন্ডোজ ১১ এসই’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়। ডেল বা এইচপির মতো কম্পিউটার নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো নতুন অপারেটিং সিস্টেমের (ওএস) কম্পিউটার বাজারে তো ছাড়বেই, মাইক্রোসফটের পক্ষ থেকেও নতুন একটি ল্যাপটপ কম্পিউটারের ঘোষণা এসেছে। ‘সারফেস ল্যাপটপ এসই’ মডেলের ল্যাপটপটিতে আগে থেকেই উইন্ডোজ ১১ এসই ইনস্টল করা থাকবে। ল্যাপটপটির দাম শুরু হচ্ছে ২৪৯ ডলার থেকে, বাজারে আসার কথা রয়েছে ২০২২ সালের শুরুর দিকে।

সিএনবিসির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অপারেটিং সিস্টেমের বাজারে নিজেদের অবস্থান আরও পোক্ত করতেই মাইক্রোসফটের এমন উদ্যোগ বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা। বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গার্টনারের তথ্যানুযায়ী, ২০২০ সালে বাজারে আসা পার্সোনাল কম্পিউটারগুলোর ৮৩ শতাংশে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ছিল, আর গুগলের ক্রোম ওএস-চালিত কম্পিউটার ছিল ১০ শতাংশ। গুগল বেশ পিছিয়ে থাকলেও ক্রমবর্ধমান বাজার হিস্যা মাইক্রোসফটকে ভাবিয়ে তুলেছে, আর সে কারণেই তুলনামূলক কম দামের ল্যাপটপগুলোতে মনোযোগী হলো তারা।


 করোনাকালে ঘরে থেকে অনলাইনে ক্লাস চালাতে শিক্ষার্থীদের জন্য ল্যাপটপের চাহিদা বেড়ে যায়। দাম কম হওয়ায় শিক্ষার্থীরাও ক্রোমবুকে ঝুঁকতে শুরু করে। করোনা পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে শুরু করলেও অনলাইন ক্লাসের রীতি এখনই বন্ধ হচ্ছে না। আর সে জন্যই শিক্ষার্থীদের সহজে ব্যবহারের জন্য এবং তাদের কথা মাথায় রেখে উইন্ডোজের সংস্করণটির ঘোষণা দিল মাইক্রোসফট।

সহজে ব্যবহার করার জন্য নতুন উইন্ডোজ ‘অপশন’ কম রাখছে মাইক্রোসফট। যেমন এক ঘরানার কেবল একটি অ্যাপ থাকবে। মনোযোগে ব্যাঘাত যেন না ঘটে, সে জন্য অ্যাপগুলো সচরাচর ফুলস্ক্রিন মোডে চালু হবে ইত্যাদি।

মাইক্রোসফট অফিস স্যুটের সফটওয়্যারগুলো এখন সাধারণত ইন্টারনেটে যুক্ত হয়ে ব্যবহার করতে হয়। তবে সব শিক্ষার্থীর বাড়িতে ভালো ইন্টারনেট সংযোগ না-ও থাকতে পারে। উইন্ডোজ ১১ এসইতে এই সফটওয়্যারগুলো অফলাইনে চালানো যাবে। ইন্টারনেটে যুক্ত হলে সেগুলো হালনাগাদ করে নেবে উইন্ডোজ। তা ছাড়া নিরাপত্তার জন্য উইন্ডোজ ১১ এসইতে চলা কম্পিউটারগুলোতে কেবল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আইটি অ্যাডমিনরা সফটওয়্যার ডাউনলোড ও ইনস্টল করতে পারবেন।

মাইক্রোসফটের নতুন সারফেস ল্যাপটপ এসইর প্রাথমিক মডেলটিতে ১১ দশমিক ৬ ইঞ্চি ডিসপ্লে, ইনটেল সেলেরন প্রসেসর, ৪ গিগাবাইট র‍্যাম এবং ৬৪ গিগাবাইট স্টোরেজ আছে। দাম ২৪৯ ডলার।

বিশেষ করে স্কুলে ব্যবহারের জন্য উইন্ডোজ এবং ল্যাপটপটি বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হলো
বিশেষ করে স্কুলে ব্যবহারের জন্য উইন্ডোজ এবং ল্যাপটপটি বাজারে ছাড়ার ঘোষণা দেওয়া হলো
মাইক্রোসফট

বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের জন্য কেনা কম্পিউটারগুলোতেও আগে থেকে উইন্ডোজ ১১ এসই ইনস্টল করার পরিকল্পনা মাইক্রোসফটের। আর সে কারণে উইন্ডোজ ১১ এসই চালিত ডিভাইসগুলো বেশির ভাগ আগামী বছরের শুরুতে বাজারে আসা শুরু করবে। স্কুলগুলো সচরাচর সে সময়ে নতুন কেনাকাটার জন্য বাজেট নির্ধারণ করে থাকে।

 ৮ লাখ কোটি টাকায় গ্রামীণফোন কিনেছি, মন্ত্রীকে ফোন!

ঢাকা: আট লাখ কোটি টাকায় গ্রামীণফোন কেনার দবি করেছে এক ব্যক্তি। আর এই দাবি জানিয়েছেন তিনি খোদ ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারকে।

‘অদ্ভুত’ সেই ফোন কলের ঘটনা বুধবার ফেসবুকে তুলে ধরেছেন মন্ত্রী।  

মন্ত্রী ফেসবুক স্ট্যাটাসে লিখেছেন, বড় অদ্ভুত একটা ফোন পেলাম একটু আগে। এক লোক ফোন দিয়ে বললো, তার নাম রাসেল। সে গ্রামীণফোনের মালিক। ২০১৬ সালে ৮ লক্ষ কোটি টাকা দিয়ে গ্রামীণফোন কেনা হয়েছে। তার আত্মীয় স্বজনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, তার উন্নত চিকিৎসা করার জন্য।

গ্রামীণফোনের মূল প্রতিষ্ঠান টেলিনর, বাংলাদেশে জনপ্রিয় মোবাইল ফোন অপারেটর হিসেবে সেবা দিচ্ছে। বিটিআরসির তথ্যমতে, দেশে মোট মোবাইল গ্রাহকের সংখ্যা ১৭ কোটি ৮৬ লাখ, যার মধ্যে ৮ কোটি ৩১ লাখ গ্রাহকই গ্রামীণফোনের।


নিউইয়র্ক : বদলের আবহে আরও নতুন একটি আপডেট আনল ফেসবুক (Facebook)। এবার থেকে মেসেঞ্জারের (Messenger) ভয়েস ও ভিডিও কলও এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপটেড (End-to-End encrypted) হবে। ব্যক্তিগত চ্যাটের পাশাপাশি মেসেঞ্জারে গ্রুপ চ্যাট, গ্রুপ অডিও বা ভিডিও কলের ক্ষেত্রে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন মার্ক জুকেরবার্গ (Mark Zukerberg)। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে যে বার্তা দেওয়ার পাশপাশি জুকেরবার্গের বার্তা, সমস্ত সার্ভিসের ক্ষেত্রেই এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন নিশ্চিত করা তাদের লক্ষ্য।


কিছুদিন আগেই ফেসবুক থেকে বদলে মূল কোম্পানির নাম মেটা (Meta) করার কথা ঘোষণা করেছিলেন জুকেরবার্গ। যে মেকওভার চলার মাঝেই মেসেঞ্জারের নতুন আপডেটের কথা জানালেন তিনি। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপ হোয়াটসঅ্যাপের (Whatsapp) মালিকানা আপাতত জুকেরবার্গের কোম্পানির হাতেই। যেখানে কার্যকর এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন। এবার সেই একই পরিষেবা মেসেঞ্জারের ক্ষেত্রেও আনার কথা জানালেন তিনি। যদিও এই আপডেটের ঘোষণা উৎসাহিের তুলনায় সমালোচকদের সংখ্যাই বেশি। অনেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় বলছেন, তাহলে এতদিন মেসেঞ্জারের তথ্য যে এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপটেড ছিল না, সেটাই কী ঘুরিয়ে স্বীকার করে নিলেন জুকেরবার্গ।



প্রসঙ্গত, এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশনের অর্থ যে দু'জনের মধ্যে কথোপকথন হয়েছে, তারা বাদে সেই তথ্য অন্য কেউ দেখতে পাবেন না। অবশ্য জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে যা ব্যবহার করা যায়। কিন্তু ফেসবুকের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তারা দীর্ঘদিন ধরেই নিজেদের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে ব্যক্তিপরিসরে উঁকি মারে। ব্যক্তিগত তথ্য (Data) হাতিয়ে নিয়ে তা অন্য সংস্থাকে অনৈতিকভাবে বিক্রি করে ব্যবসা করার মতো অনৈতিক অভিযোগও উঠেছে তাদের বিরুদ্ধে। যার বিরুদ্ধে ইউরোপীয়ান ইউনিয়নের সঙ্গে লড়াই চলছে তাদের। যদিও বরাবর ব্যক্তিতথ্য সুরক্ষিত রেখে অনৈতিক কোনও কাজের অভিযোগ মানতে অস্বীকার করেছে ফেসবুক।


তবে জুকেরবার্গের অন্যবারের আপডেটের ক্ষেত্রে যেমন উৎসাহের আবহ বেশি থাকে, এবারে তেমনটা কিন্তু হচ্ছে না। এন্ড-টু-এন্ড এনক্রিপশন বা ব্যক্তিতথ্য পরিসরের অপ্রিয় প্রসঙ্গ এসে পরাতে কিছুটা বিড়ম্বনাতেই পড়তে হচ্ছে ফেসবুককে। 

 

মোবাইলে ইন্টারনেট না থাকলেও জরুরি প্রয়োজনে ফেসবুক মেসেঞ্জার ব্যবহার করে টেক্সট পাঠানো যাবে। এ সুবিধা চালু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) ও মোবাইল অপারেটরগুলো। এজন্য ‘শুধু টেক্সটের মাধ্যমে যোগাযোগের জন্য ফেসবুক মেসেঞ্জার ও ডিসকভার অ্যাপ’ উদ্বোধন করা হবে। একই সঙ্গে ‘মোবাইল ডাটা প্যাকেজ নির্দেশিকা’ও প্রকাশ করবে বিটিআরসি।

মঙ্গলবার বেলা ১২টায় বিটিআরসির সম্মেলন কক্ষে সংবাদ সম্মেলনে ‘মোবাইল ডাটা প্যাকেজ নির্দেশিকা এবং শুধুমাত্র টেক্সটের মাধ্যমে ফেসবুক মেসেঞ্জার ও ডিসকভার অ্যাপ’ উদ্বোধন করা হবে। বিটিআরসি চেয়ারম্যান শ্যাম সুন্দর সিকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার এবং সচিব মো. খলিলুর রহমান উপস্থিত থাকবেন।

বিটিআরসির এক কর্মকর্তা জানান, সবার সবসময় ডাটা (ইন্টারনেট) থাকে না। গ্রাহকরা যাতে ডাটা ছাড়াই টেক্সট পাঠাতে পারেন, সে জন্য অপারেটররা মিলে এই সুবিধা চালু করছে।

রাজশাহী:
 বৈশাখী ঝড়-ঝঞ্ঝার পর রুদ্রমূর্তি ধারণ করেছে রাজশাহীর প্রকৃতি। আগুন ঝরানো আবহাওয়ায় সাধারণ মানুষের ত্রাহি ত্রাহি দশা। সূর্যোদয়ের পর থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত প্রায় একই তাপমাত্রা বিরাজ করছে। সেজন্য প্রকৃতির একটু শীতল পরশের জন্য এখন ব্যাকুল হয়ে উঠেছে পদ্মাপাড়ের মানুষ। 
বৈশাখের দিন যত গড়াচ্ছে তাপমাত্রা ততই বাড়ছে। দিনভর সূর্যের অগ্নিবান আর লু হাওয়া, রাতের গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে সবার। বৃষ্টির জন্য পদ্মাপাড়ের মানুষের মধ্যে যেনো হাহাকার পড়ে গেছে। 

আগুন ঝরানো সূর্যের তাপে বর্তমানে শরীরের চামড়া পুড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এর মধ্যে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় তাপমাত্রা বেশি অনুভূত হচ্ছে। তীব্র রোদে পুড়ছে বরেন্দ্রর মাটি। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষগুলো।

রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাজীব খান বাংলানিউজকে বলেন, এক সপ্তাহের বেশি সময় থেকে রাজশাহী অঞ্চলের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শনিবার (২০ এপ্রিল) রাজশাহীতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 
সাধারণত তাপপ্রবাহ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠলে তা মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। ফলে রাজশাহীর ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। 
জানতে চাইলে তিনি বলেন, শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সকাল ৬টায় বাতাসের আর্দ্রতা ৯৩ শতাংশ থাকলেও বিকেলে তা কমে দাঁড়ায় ৩৪ শতাংশে। ফলে তাপদাহে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি বিরাজ করছে। 
ভারী বৃষ্টিপাত না হলে এই তাপমাত্রা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানান আবহাওয়াবিদ রাজীব খান।
(বৈশাখের দিন যত গড়াচ্ছে তাপমাত্রা ততই বাড়ছে। দিনভর সূর্যের অগ্নিবান আর লু হাওয়া, রাতের গরমে নাভিশ্বাস উঠেছে সবার। বৃষ্টির জন্য পদ্মাপাড়ের মানুষের মধ্যে যেনো হাহাকার পড়ে গেছে। 

আগুন ঝরানো সূর্যের তাপে বর্তমানে শরীরের চামড়া পুড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এর মধ্যে বাতাসের আর্দ্রতা কমে যাওয়ায় তাপমাত্রা বেশি অনুভূত হচ্ছে। তীব্র রোদে পুড়ছে বরেন্দ্রর মাটি। সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষগুলো।
রাজশাহী আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগারের জ্যেষ্ঠ পর্যবেক্ষক রাজীব খান বাংলানিউজকে বলেন, এক সপ্তাহের বেশি সময় থেকে রাজশাহী অঞ্চলের ওপর দিয়ে তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। শনিবার (২০ এপ্রিল) রাজশাহীতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। 
সাধারণত তাপপ্রবাহ ৩৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠলে তা মৃদু তাপপ্রবাহ বলা হয়। ফলে রাজশাহীর ওপর দিয়ে বর্তমানে মৃদু তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। 
জানতে চাইলে তিনি বলেন, শনিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ২১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন সকাল ৬টায় বাতাসের আর্দ্রতা ৯৩ শতাংশ থাকলেও বিকেলে তা কমে দাঁড়ায় ৩৪ শতাংশে। ফলে তাপদাহে সাধারণ মানুষের মধ্যে অস্বস্তি বিরাজ করছে। 
ভারী বৃষ্টিপাত না হলে এই তাপমাত্রা কমার কোনো সম্ভাবনা নেই বলেও জানান আবহাওয়াবিদ রাজীব খান।
(banglanews24)

বাগেরহাট: 
বাগেরহাটের শরণখোলায় লোকালয় থেকে উদ্ধার হওয়া অজগর সাপ সুন্দরবনে অবমুক্ত করেছে ওয়াইল্ড টিমের সদস্যরা।




বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) বিকেলে উপজেলার সোনাতলা গ্রামের ছালাম খানের বাড়ির বাগান থেকে ভিলেজ টাইগার টিমের (ভিটিআরটি) সদস্যরা সাপটিকে উদ্ধার করে বন বিভাগকে খবর দেয়। পরে বিকেলে বনবিভাগ সাপটিকে সুন্দরবনের ধাবড়ির ভাড়ানী এলাকায় সাপটিকে অবমুক্ত করে।

সুন্দরবনের শরনখোলা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদিন বাংলানিউজকে বলেন, টাইগার টিমের লতিব ভাই এবং মিঠু খান অজগরটি উদ্ধার করে বন বিভাগকে খবর দেয়। পরে আমরা সকলের সহায়তায় সাপটিকে সুন্দরবনে অবমুক্ত করি। ১১ ফুট লম্বা এবং ১৪ কেজি ওজনের সাপটি খাবারের সন্ধানে লোকালয়ে এসেছিল।
এর আগে, ৬ মার্চও সোনাতলা গ্রামে একটি অজগর সাপ এসেছিল। সাপটিকে উদ্ধার করে সুন্দরবনে অবমুক্ত করা হয়।
বাংলাদেশ সময়: ২০৩০ ঘণ্টা, এপিল ১৮ ২০১৯
(banglanews24)

মহাকাশে দূরত্ব মাপার উপায় কী? মাইল বা কিলোমিটারের মতো পরিচিত মাপকাঠি দিয়ে আমাদের সৌরজগতে মাপজোক করা সম্ভব নয়৷
গত কয়েক দশকে আমরা সৌরজগতের সীমানার বাইরেও মহাকাশযান পাঠিয়েছি৷ এমনকি পৃথিবীর সবচেয়ে কাছের মহাজাগতিক বস্তু, অর্থাৎ প্রায় ৪ লক্ষ কিলোমিটার দূরে চাঁদের বুকে মানুষ পা রেখেছে৷ প্রায় দেড়শো কোটি কিলোমিটার দূরে শনিগ্রহের সঙ্গে তুলনা করলে সেই দূরত্ব অবশ্য কিছুই নয়৷

কখনো যদি আমাদের সবচেয়ে কাছের সৌরজগতে যেতে হয়, তার জন্য প্রায় ৪০ লক্ষ কোটি কিলোমিটার পাড়ি দিতে হবে৷ সেই দূরত্ব অতিক্রম করতে আলোর প্রায় ৩ বছর সময় লাগবে৷ বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে আলো একই গতিতে এগিয়ে যায়৷ জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা তাই সেই সময়কে মানদণ্ড হিসেবে স্থির করেই দূরত্বের বর্ণনা দেন৷সেইসঙ্গে তথাকথিত ‘প্যারালাক্স' পদ্ধতির মাধ্যমে তাঁরা দূরত্ব মাপেন৷ সে ক্ষেত্রে তাঁরা কোনো বিশেষ নক্ষত্রের কোণ মাপেন৷ ৬ মাস পর আবার নতুন করে সেই মাপ নেওয়া হয়৷ ত্রিকোণমিতির সাহায্যে তাঁরা অঙ্ক কষে পৃথিবী থেকে সেই নক্ষত্রের দূরত্ব নির্ণয় করেন৷ তবে এই প্রক্রিয়া শুধু অপেক্ষাকৃত কাছের অঞ্চলে প্রয়োগ করা সম্ভব৷ অর্থাৎ প্রায় ১৫০ আলোকবর্ষ পর্যন্ত দূরত্বে তা কার্যকর হয়৷
জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা মিল্কি ওয়ে ছায়াপথের আয়তন অথবা আমাদের প্রতিবেশী ছায়াপথের সঙ্গে দূরত্ব মাপতে চাইলে অন্য মাপকাঠির প্রয়োজন হয়৷ তার পোশাকি নাম ‘সেফাইড' – অর্থাৎ যে সব নক্ষত্রের মিটমিটে আলোর বিকিরণের সঠিক পরিমাণ জানা আছে, সেগুলিই মাপকাঠি হয়ে ওঠে৷ সেগুলিকে মান নির্ণায়ক মোমবাতিও বলা হয়৷ ‘সেফাইড' থেকে যে পরিমাণ আলো টেলিস্কোপে ধরা পড়ে, তা বিচার করে জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দূরত্ব মাপতে পারেন৷ নির্দিষ্ট ধরনের বিস্ফোরণরত নক্ষত্র আরও উজ্জ্বল মান নির্ণায়ক মোমবাতি৷
মহাকাশে হাবল টেলিস্কোপে দৃশ্যমান ব্রহ্মাণ্ডের প্রান্ত পর্যন্ত আলোর এই সব উৎস ধরা পড়ে৷ একটি ছবিতে এমন সব গ্যালাক্সি দেখা যাচ্ছে, যেগুলি পৃথিবী থেকে প্রায় ১,৩০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে রয়েছে৷ এত দূরের কোনো দৃশ্য সত্যি বিরল৷

(dw)

চাঁদের বুকে আচমকা আছড়ে পড়ল উল্কা। চাঁদের মাটি চিরে ফোয়ারার মতো বেরিয়ে এলো পানির কণা। এরপর মহাকাশে কোথায় যেন বাষ্প হয়ে উধাও হয়ে গেল পানি। হারিয়ে গেল মহাকাশের অতল অন্ধকারে।
আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান-জার্নাল ‘নেচার-জিওসায়েন্সে’ -এ আবিষ্কারের গবেষণাপত্রটি বের হয়েছে। গবেষক দলের প্রধান হিসেবে রয়েছেন মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টে নাসার গডার্ড স্পেস ফ্লাইট সেন্টারের বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী মেহেদী বেন্না।চমকে দেয়ার মতো এ ঘটনার সাক্ষী হয়েছে নাসার পাঠানো উপগ্রহ ‘ল্যাডি’। যার পুরো নাম- ‘লুনার অ্যাটমস্ফিয়ার অ্যান্ড ডাস্ট এনভায়রনমেন্ট এক্সপ্লোরার’। তাহলে কি আগামী দিনে চাঁদে সভ্যতার দ্বিতীয় উপনিবেশ বানাতে বা ভিন গ্রহে যাওয়ার জন্য পৃথিবীর একমাত্র উপগ্রহে ট্রান্সপোর্টেশন হাব গড়ে তোলার চিন্তাটা কমবে আমাদের? এ আবিষ্কার অনিবার্যভাবে সেই প্রশ্নেরই জন্ম দেয়।
উল্কার আচমকা আঘাতে চাঁদ থেকে পানির কণা বেরিয়ে আসবে তাত্ত্বিকভাবে তা বিজ্ঞানীদের অজানা ছিল না। তবে চোখে না দেখতে পারলে বিজ্ঞান কিছুই বিশ্বাস করে না। ‘সিয়িং ইজ বিলিভিং’ -এ প্রথম সেই চমকে দেয়ার মতো ঘটনা ঘটলো।
সুইডেন থেকে নাসার জেট প্রোপালশন ল্যাবরেটরির (জেপিএল) বিশিষ্ট বিজ্ঞানী গৌতম চট্টোপাধ্যায় বলেছেন, ‘এটা সত্যিই একটি মাইলস্টোন আবিষ্কার। অনেক দিন ধরেই বিজ্ঞানীদের ধারণা ছিল, চাঁদের মাটির নীচে এখনও জল থাকতে পারে। সে জন্যই সম্প্রতি চাঁদ নিয়ে আগ্রহ বেড়েছে নাসার।’তিনি বলেন, ‘চাঁদ নিয়ে গবেষণার জন্য আমাদের (নাসা) প্ল্যানেটারি ডিভিশন একটি নতুন কর্মসূচি নিয়েছে। তার নাম- ‘ডালি’ ‘ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড অ্যাডভান্সমেন্ট অফ লুনার ইনস্ট্রুমেন্টেশন’। এ আবিষ্কার একটি নতুন দিগন্ত খুলে দিল।’
নাসার বিজ্ঞানী গৌতম চট্টোপাধ্যায় আরও জানান, ‘লুনার ফ্লাশলাইট নামে নতুন একটি যন্ত্র বানানো হচ্ছে। সেটাও নাসার অ্যাডভান্সড এক্সপ্লোরেশান সিস্টেম (এইএস)-এর অংশ হিসেবে চাঁদের মাটির নীচে থাকা জলের খোঁজ-খবর নেবে। উল্কার মতোই কৃত্রিমভাবে চাঁদে আঘাত হানার কথাও ভাবা হয়েছে। সেই অভিঘাতের ফলে চাঁদের মাটির নীচ থেকে যে জলের অণু ও হাইড্রোক্সিল আয়ন বেরিয়ে আসবে, তার পরিমাণ মাপা হবে।’

    (jagonews24)

(প্রিয়.কম) আমাদের দেশে শীতকাল থাকে মাত্র কয়েক মাস। এরপর বাকি পাঁচটি ঋতু আসে পালাক্রমে। এর কারণ হলো আমাদের বাড়ি; এই পৃথিবীটি ঠিক সোজা হয়ে তার অক্ষের ওপর ঘোরে না, বরং অক্ষ থেকে একটু হেলে গিয়ে ঘোরে; এ কারণেই ঋতু পরিবর্তন হয়, বছরের একেক সময়ে পৃথিবীর একেক অংশে শীতকাল থাকে। শীত আসে, আবার চলেও যায়। কিন্তু জনপ্রিয় সিরিজ ‘গেম অব থ্রোনসের’ মতো যদি পৃথিবীতে বছরের পর বছর শীতকাল থাকত, তাহলে কেমন হতো?

ইউনিভার্সিটি অব অ্যালাবেনির অ্যাটমস্ফেরিক সায়েন্সেজ রিসার্চ সেন্টারের গবেষক, ক্রিস্টোফার ওয়ালচেক জানান, ঠিক কী কারণে এমন বছরের পর বছর শীতকাল থাকবে, তা জানাটা জরুরি।ধরুন, আমাদের পৃথিবী যদি ঘোরা বন্ধ করে দেয়। তা আসলে হবে না, কিন্তু তাত্ত্বিকভাবে ধরে নিলাম, ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি দিকে গিয়ে পৃথিবী ঘোরা বন্ধ করে দিলো। এতে উত্তর মেরু পাকাপাকিভাবে সূর্য থেকে দূরে সরে থাকবে। ফলে উত্তর গোলার্ধে দিন হবে ছোট, রাত হবে বড়। মেরুর কাছাকাছি দেশগুলোতে বরফের ঝড় হবে বেশি বেশি। যেহেতু গ্রীষ্ম এসে বরফ গলিয়ে দিতে পারবে না, তাই বরফ জমতেই থাকবে।কয়েক বছর পর বাস্তুসংস্থানে বড় পরিবর্তন চলে আসবে। যেসব গাছ শীতে পাতা ঝরায় এবং বসন্ত এলে নতুন কুঁড়ি বের করে, সেগুলো মারা যেতে থাকবে। এতে কাঠবিড়ালি ও ভাল্লুক খাবার পাবে না, মারা যাবে। হরিণের সংখ্যাও কমে আসবে। সব প্রজাতির প্রাণীই কমে আসবে। হাইবারনেশন বা শীতনিদ্রায় থাকা প্রাণীগুলো মারা পড়বে।
গেম অব থ্রোনসের দেশ ওয়েস্টেরসে বছর দুই-তিন পর শীত চলে যায়। কিন্তু পৃথিবীতে যদি শীত রয়েই যায়? যদি শত শত বছর ধরে শীত না দূর হয়? তাহলে অবস্থাটা হবে অনেকটা আইস এজ বা তুষার যুগের মতো, যেখানে শীত ছাড়া কোনো ঋতু থাকবে না।ঋতুহীন এই আইস এজে পানি তো জমে যাবেই, মাটির ওপরেও মোটা প্রলেপে বরফ জমে তৈরি করবে হিমবাহ। ইউরোপ এবং কানাডা জমে যাবে পুরোপুরি। নিউ ইয়র্ক থাকবে এমনই এক হিমবাহ ঘেঁষে। কৃষিকাজের বদলে মানুষ আবার শিকারের কাজে ফিরে যাবে। তবে এমনটা হওয়ার ঝুঁকি একেবারেই নেই। তাই এমন ভয়াবহ শীত কখনো আপনার জীবনে আসবে না, এটা জেনে নিয়েই উপভোগ করুন ‘গেম অব থ্রোনস’।
সূত্র: লাইভ সায়েন্স
(priyo)

বাগেরহাট: 
সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের হাড়বাড়িয়া খালে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের চারটি কুমিরের বাচ্চা অবমুক্ত করা হয়েছেপরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শাহাব উদ্দিন শুক্রবার (১৯ এপ্রিল) দুপুরে কুমিরের বাচ্চাগুলো অবমুক্ত করেন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন- একই মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার, মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুল্লাহ আল মোহসীন চৌধুরী, খুলনা অঞ্চলের বন সংরক্ষক আমীর হোসেন চৌধুরী, মোংলা উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবু তাহের হাওলাদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রবিউল ইসলাম, বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মদিনুল আহসান, সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) মাহমুদুল হাসান,  সুন্দরবন পশ্চিম বন বিভাগের বিভাগীয় কর্মকর্তা (ডিএফও) বশিরুল আল মামুন, করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আজাদ কবির প্রমুখ।

 পরে মন্ত্রী বেনর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখেন। বনের চলমান সমস্যা নিরসন ও পর্যটক আকর্ষণের জন্য বিভিন্ন কাজ করার প্রতিশ্রুতি দেন।
ডিএফও মদিনুল আহসান বলেন, সুন্দরবনের নদ-নদীতে কুমিরের সংখ্যা বৃদ্ধি করে প্রতিবেশ ও পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা করতে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্র থেকে চারটি কুমির হারবাড়িয়া খালে অবমুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি নারী ও একটি পুরুষ কুমির রয়েছে। পর্যায়ক্রমে আরও কুমির সুন্দরবনের বিভিন্ন নদী ও খালে অবমুক্ত করা হবে।
জানা যায়, করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রে ২০৭টি কুমির রয়েছে। এদের মধ্যে আট থেকে নয় বছর বয়সী ৩৩টি কুমির আছে। যারমধ্যে ২৫টি নারী ও আটটি পুরুষ। এদের থেকে তিনটি নারী ও একটি পুরুষকে একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ পরিবার বিবেচনায় ভদ্রা নদীতে অভমুক্ত করা হয়েছে। এ নদীতে মাছ আহরণ নিষিদ্ধ রয়েছে। 
এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি সুন্দরবনের ভদ্রা খালে করমজল বন্যপ্রাণী প্রজনন কেন্দ্রের চারটি কুমিরে অবমুক্ত করেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার।
বাংলাদেশ সময়: ১৯১৪ ঘণ্টা, এপ্রিল ১৯, ২০১৯
(banglanews24)

হাতুড়ে ডাক্তারের কথা শুনে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি খেয়ে ফেলেন ৫৪ বছর বয়সী এক কানাডিয়ান ব্যক্তি। এরপর তার কিডনির চরম ক্ষতি হয়ে যায়। এ ঘটনার বর্ণনা দেওয়া হয় কানাডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন জার্নালে।

ওই ব্যক্তি দক্ষিণ-পশ্চিম এশিয়ায় ভ্রমণের পর কানাডায় ফিরে হাসপাতালে ছোটেন। তিনি ভ্রমণের দুই সপ্তাহ প্রতিদিন ছয় থেকে আট ঘণ্টা রোদে কাটিয়েছিলেন। এর পাশাপাশি হাতুড়ে ডাক্তারের কথা শুনে ৮-১২ ফোঁটা ভিটামিন ডি গ্রহণ করেন। এতে তার রক্তে ক্যালসিয়ামের মাত্রা অতিরিক্ত বেড়ে যায় এবং তার কিডনিতে সমস্যা দেখা যায়।
জেনে রাখা ভালো, একজন সুস্থ মানুষ দৈনিক ৪০০-১০০০ আইইউ (ইন্টারন্যাশনাল ইউনিট) ভিটামিন ডি গ্রহণ করতে পারেন। যাদের অস্টিওপোরোসিসের ঝুঁকি আছে তারা ৮০০-২০০০ আইইউ খেতে পারেন। কিন্তু কানাডার ওই ব্যক্তি দিনে ৮,০০০-১২,০০০ আইইউ ভিটামিন ডি খাচ্ছিলেন। এ কারণেই তার ক্ষতি হয়।
হাড় শক্ত রাখার জন্য ভিটামিন ডি ও ক্যালসিয়ামের গুরুত্ব অনেক। কিন্তু খুব বেশি ক্যালসিয়াম (হাইপারক্যালসেমিয়া) উল্টো হাড়কে দুর্বল করে ফেলতে পারে। এমনকি হৃৎপিণ্ড ও মস্তিষ্কের কাজে তা বাধা দিতে পারে, কিডনিতে পাথর তৈরি করতে পারে। রক্তে খুব বেশি ক্যালসিয়াম থাকলে বমি, হাড়ে ব্যথা ও বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে।
হাসপাতালে যাবার পর ডাক্তাররা জানতে পারেন, ওই ব্যক্তি প্রায় আড়াই বছর ধরে অতিরিক্ত ভিটামিন ডি খাচ্ছেন। এর পাশাপাশি ভ্রমণে অতিরিক্ত রোদে ঘোরাঘুরি করায় তার কিডনি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। কিডনির ওই ক্ষতির কারণে তার মৃত্যু হবে না ঠিক, কিন্তু এই ক্ষতি থেকে সেরে ওঠারও কোনো উপায় নেই। তাই যারা ভাবেন বেশি করে ভিটামিন খাওয়াটা উপকারী তারা আরেকবার ভেবে দেখুন।
(priyo)

 স্থানীয় সময় ১৫ এপ্রিল, সোমবার আগুন ধরে যায় প্যারিসের ঐতিহ্যবাহী নটর ডেম ক্যাথেড্রালে। ৪০০ দমকলকর্মী মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। কিন্তু এই অগ্নিকাণ্ডে যা ক্ষতি হয়ে গেছে, তা মেরামত করে তুলতে বছরের পর বছর চলে যেতে পারে।
ভালো সংবাদ হলো, নটর ডেমের সামনের অংশ এবং বড় দুটো টাওয়ার অক্ষত, আর ক্যাথেড্রালের ভেতরে থাকা শিল্পকর্ম ও ঐতিহাসিক নিদর্শনগুলোও বাঁচানো গেছে।
খারাপ সংবাদ হলো, ক্যাথেড্রালের ছাদের বেশির ভাগটাই পুড়ে গেছে আর ১৯শ শতকে তৈরি করা সুচালো গম্বুজটিও ধসে পড়েছে।
ফায়ার ব্রিগেডের তথ্য থেকে অনুমান করা হচ্ছে, অ্যাটিক তথা চিলেকোঠা থেকে এই আগুনের সূত্রপাত। এই চিলেকোঠা কাঠের তৈরি। এ ছাড়া এতে এমন অনেক ময়লা জমে ছিল, যা দাহ্য। সেখান থেকে আগুন দ্রুত ক্যাথেড্রালের ওক কাঠের কাঠামোতে ছড়িয়ে পড়ে। এই ওক কাঠ ছিল ১৩শ শতকের নিদর্শন। তা পুরোটাই ধ্বংস হয়ে গেছে।এ ছাড়া ক্যাথেড্রালে আগুন ধরে গেলে তা থামানোর কোনো উপায় ছিল না আর বাতাস চলাচলের মতো জায়গা থাকায় আগুন বারবার জ্বলে উঠছিল, যাতে খুবই বিপাকে পড়ে যান দমকলকর্মীরা। ক্যাথেড্রালের নকশায় এমন ভুল থাকার কারণেই আগুন ছড়িয়ে যায় এবং এত বিপুল পরিমাণে ক্ষয়ক্ষতি ঘটে।
সূত্র: আইএফএলসায়েন্স
প্রিয় বিজ্ঞান/আজাদ চৌধুরী

চাঁদে অবতরণের সময় ইসরাইলের একটি মাহাকাশযান বিধ্বস্ত হয়ে নিখোঁজ হয়েছে। বেরেশিট নামের ওই মহাকাশযানটি অবতরণের আগে ইঞ্জিনের কারিগরি সমস্যার কারণে বিধ্বস্ত হয়।

শুক্রবার (১২ এপ্রিল) বিবিসির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

খবরে বলা হয়েছে, চাঁদের বিভিন্ন ছবি তোলা ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালানোই ছিল এই মহাকাশযান পাঠানোর মিশন। কিন্তু সেই মিশন পূরণ হলো না ইসরায়েলের।



সাত সপ্তাহ যাত্রা শেষে চন্দ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৫ কিলোমিটারে শেষ কক্ষপথে পৌঁছানোর চেষ্টা চালিয়েছিল মহাকাশযানটি। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে সেটি বিধ্বস্ত হয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এর আগে রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র ও চীন চাঁদে মহাকাশযান পাঠাতে সফল প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। সেই তালিকায় চতুর্থ দেশ হিসেবে নিজেদের নাম লেখাতে চেয়েছিল ইসরায়েল।

গত ২২ ফেব্রুয়ারি ফ্লোরিডার ক্যাপ ক্যানাভেরাল থেকে চাঁদের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করে মহাকাশযানটি।

(somoynews)

সূর্যই আমাদের সবচেয়ে কাছের নক্ষত্র৷ মহাজাগতিক এই বস্তুর মধ্যে তুমুল আলোড়ন চলে৷ গোটা মানবজাতি সারা বছর যত পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহার করে, সেকেন্ডের ভগ্নাংশে সূর্যের মধ্যে একই পরিমাণ জ্বালানি সৃষ্টি হয়৷ আকার-আয়তনের তুলনায় সূর্যের কাছে পৃথিবী অত্যন্ত ক্ষুদ্র৷


সূর্য থেকে বৈদ্যুতিক কণায় ভরা মেঘ বার বার মহাকাশে বেরিয়ে আসে৷ তার থাবা পৃথিবী পর্যন্ত পৌঁছতে পারে৷ এমন সৌর ঝড়ের ফলে স্যাটেলাইটের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেছে৷ এমনকি ১৯৮৯ সালে বিদ্যুৎ সরবরাহ নেটওয়ার্কও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল৷ সৌর পদার্থবিজ্ঞানী ড. আলেক্সান্ডার ভারমুট সেই ঘটনার উল্লেখ করে বলেন, ‘‘সে সময়ে ক্যানাডার কুইবেক প্রদেশে ট্রান্সফর্মার গলে যাওয়ায় গোটা বিদ্যুৎ নেটওয়ার্ক বিকল হয়ে পড়েছিল৷ ফলে শীতকালের চরম আবহাওয়ার মধ্যে প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষ আচমকা বিদ্যুৎ সংযোগ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিলেন৷''জার্মানির পটসডাম শহরের পদার্থবিদরা সংবেদনশীল প্রযুক্তির সুরক্ষার লক্ষ্যে সৌর ঝড় সম্পর্কে পূর্বাভাষ দিতে চান৷ সেই লক্ষ্যে তাঁদের আরও ভালোভাবে সূর্য পরীক্ষা করতে হবে৷ একাধিক স্যাটেলাইট এর মধ্যেই সূর্য ও তার ঝোড়ো বায়ুমণ্ডলের অতি সূক্ষ্ম ছবি সরবরাহ করেছে৷ লাইবনিৎস ইনস্টিটিউটের সৌর পদার্থবিদ্যা বিভাগের প্রধান প্রো. ড. গটফ্রিড মান বলেন, ‘‘এমন ছবি সত্যি খুব বিস্ময়কর৷ এটাই সৌর পদার্থবিদ্যার বৈশিষ্ট্য৷ যে সহকর্মীরা নক্ষত্র বা ছায়াপথের পদার্থবিদ্যা নিয়ে চর্চা করেন, তাঁরা এত কাছ থেকে প্রক্রিয়াগুলি দেখতে পারেন না, যেমনটা সূর্যের ক্ষেত্রে সম্ভব৷ তাছাড়া তাঁদের কাছে সময়ের মানদণ্ডও অন্য রকম৷''
সোলার অর্বিটার মহাকাশযানের মাধ্যমে গবেষকরা এই প্রথম সৌর ঝড়ের উৎপত্তি পর্যবেক্ষণ করতে চান৷ তার জন্য এই স্যাটেলাইটকে সূর্যের কাছে গিয়ে ১০ দিন ধরে একই অংশের দিকে নজর রাখতে হবে৷
এই স্যাটেলাইটের জন্য পটসডাম শহরের পদার্থবিদরা গুরুত্বপূর্ণ একটি যন্ত্র সৃষ্টির কাজে অংশ নিয়েছেন এবং আইনস্টাইন টাওয়ারে তা পরীক্ষাও করেছেন৷ ৯০ বছরেরও বেশি সময় ধরে সেখানে সৌর গবেষণার কাজ চলছে৷ এই ঐতিহাসিক ভবনে তাঁরা এখন বিশেষ ধরনের টেলিস্কোপের জন্য জটিল যন্ত্রাংশ পরীক্ষা করছেন৷
জোরালো রশ্মি থেকে সোলার অর্বিটার যান রক্ষা করতে বিশেষ এক তাপ নিরোধক বর্ম রয়েছে৷ যানের মধ্যে একটি টেলিস্কোপ ভালো করে সূর্য পর্যবেক্ষণ করবে এবং তার বায়ুমণ্ডলের সবচেয়ে উত্তপ্ত অংশগুলি পরীক্ষা করবে৷ সেই সব জায়গায়ই সৌর ঝড় সৃষ্টি হবার সম্ভাবনা বেশি৷
সূর্যের মধ্যে বিশাল মাত্রায় যে তোলপাড় কাণ্ড চলে, বিজ্ঞানীরা প্রতিদিন তা লক্ষ্য করেন৷ এই জ্ঞান কি পৃথিবী সম্পর্কে ধারণা বদলে দেবে? প্রো. ড. গটফ্রিড মান মনে করেন, ‘‘এমন উপলব্ধি হলে নিজেকে অতি তুচ্ছ মনে হয়৷ বোঝা যায় বিশ্মব্রহ্মাণ্ডে আমরা কতটা গুরুত্বহীন৷ মানুষ হিসেবে প্রায়ই আমরা প্রত্যেকেই নিজেকে খুব গুরুত্বপূর্ণ মনে করি৷ কিন্তু বাস্তবে আমরা ধুলিকণার মতো৷ প্রাকৃতিক নিয়মের সামনে সম্পূর্ণ অসহায়৷''
২০২০ সালে নতুন এই স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণ করা হবে৷ গবেষকরা এখন থেকেই এই অভিযান থেকে প্রাপ্য তথ্যের জন্য উদগ্রীব হয়ে আছেন৷ কারণ তা থেকে সূর্যের কর্মপ্রণালী সম্পর্কে সম্পূর্ণ নতুন জ্ঞান অর্জন করা সম্ভব হবে৷
কর্নেলিয়া বরমান/এসবি

(Dw)

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget