Articles by "স্বাস্থ্য"

 


বর্ষাকালে নেই বৃষ্টির দেখা, তীব্র গরম কমবে কবে?


বাংলাদেশে আষাঢ় শেষে শ্রাবণ মাস শুরু হলেও গত কয়েকদিন ধরে ভারী বৃষ্টির দেখা নেই।

বিগত কয়েকদিন ধরে আবহাওয়া যেন রুদ্রমূর্তি ধারণ করে আছে।

আকাশে শরত ও হেমন্তকালের মতো বিক্ষিপ্ত মেঘের আনাগোনা এবং একই সাথে তীব্র খরতাপ।

ফলে ভরা বর্ষাকালেও বাংলাদেশের মানুষকে ভ্যাপসা গরমের যন্ত্রণা সইতে হচ্ছে।

বর্ষাকালে আবাদি জমি ফেটে চৌচির

টানা কয়েক সপ্তাহ ধরে তীব্র রোদে সবচেয়ে ক্ষতির মুখে পড়েছে বাংলাদেশের কৃষিখাত।


জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার কৃষক মো. রেজওয়ানের আবাদি জমি এরইমধ্যে ফেটে চৌচির হয়ে গেছে।



অন্যান্য বছর এ সময়ে জলমগ্ন জমিতে আমনের চারা বুনলেও এবারে বৃষ্টির অভাবে জমিতে পানি নেই।

আমন চারার বয়স পেরিয়ে যাচ্ছে, ইতোমধ্যে অনেক চারা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। যে কটা সবজি চাষ করেছেন সেগুলোও তীব্র গরমে নষ্ট হওয়ার পথে।


সামনের ক'দিন বৃষ্টি না হলে অতিরিক্ত টাকা গুনে জমিতে সেচের ব্যবস্থা করতে হবে বলে তিনি জানান।


মি. রেজওয়ান বলছিলেন, "আমরা তো কৃষিকাজ করি। কিন্তু সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত মাঠে থাকতে পারি না। রোদে গা জ্বলে।মাঠে তো এক ছটাক বৃষ্টি নাই। আমন বোনার কোন পানিও নাই। আমনের চারাও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। সবজি চাষ করছি। সেগুলিও নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টি না হলে তো সেচ দিতে হবে। তখন দাম বেড়ে যাবে।"


গ্রামের মতো শহরাঞ্চলেও রোদের তাপ ও গরমে খোলা আকাশের নীচে কাজ করা মানুষের নাভিশ্বাস ওঠার উপক্রম হয়েছে। এমনকি ঘরের জানালা দরজা খুললেও ভেসে আসছে গরম বাতাসের হলকা।


ভারী বৃষ্টি এই গরম কমার সম্ভাবনা নেই বলছেন আবহাওয়াবিদরা।


কেন এতো গরম, বৃষ্টি নামবে কবে?

আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গিয়েছে গত সাত দিনের মতো রাজশাহী, রংপুর, ঢাকা, যশোর, কুষ্টিয়া ও সিলেটসহ কয়েকটি জেলার ওপর তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে।

যদি টানা তিন দিন অন্তত ১০ হাজার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে ৩৬ ডিগ্রী সেলসিয়াস বা তার বেশি তাপমাত্রা বিরাজ করে, সেটাকেই তাপপ্রবাহ বলে।


আরো পড়ুন:


 



মাঙ্কিপক্স কী?

মাঙ্কিপক্স একটি ভাইরাস যা ইঁদুর এবং বানর গোত্রীয় বন্য প্রাণীর মধ্যে দেখা যায় এবং মাঝে মাঝে মানুষের দেহেও এর সংক্রমণ ঘটে। বেশিরভাগই মধ্য এবং পশ্চিম আফ্রিকার মানুষের ক্ষেত্রে এই রোগটি দেখা গিয়েছে। ১৯৫৮ সালে গবেষণার জন্য রাখা বানরদের মধ্যে গুটিবসন্তের মতো রোগের দু’টি প্রাদুর্ভাব ঘটলে বিজ্ঞানীরা এই রোগটি প্রথম শনাক্ত করেন। এই কারণেই ভাইরসাটির নাম মাঙ্কিপক্স। প্রথম মানব সংক্রমণ ঘটে ১৯৭০ সালে কঙ্গোর প্রত্যন্ত অংশে ৯ বছর বয়সী এক শিশুর দেহে।

বিশ্বব্যাপী মহামারি করোনাভাইরাসের প্রকোপ শেষ না হতেই আরেক সংক্রামক ভাইরাস মাঙ্কিপক্সের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। মাঙ্কিপক্স একটি ‘একেবারে বিরল ও স্বল্প পরিচিত’ রোগ, যা মাঙ্কিপক্স প্রজাতির ভাইরাসের মাধ্যমে হয়ে থাকে। ইঁদুর ও কাঠবিড়ালির মতো প্রাণীর মাধ্যমে সাধারণত এই ভাইরাস ছড়িয়ে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। তা ছাড়া মানুষ থেকে মানুষেও সংক্রমণ ছড়াতে পারে। গবেষণা বলছে, মাঙ্কিপক্স ভাইরাসটি বায়ুবাহিত এবং প্রায় চার দিন পর্যন্ত বাতাসে টিকে থাকতে পারে। এর অর্থ এই সময়কালে এটি সংক্রামকও হতে পারে।

৭ মে প্রথম একজন ইউরোপীয় নাগরিকের দেহে মাঙ্কিপক্স শনাক্ত হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, পশ্চিম ও মধ্য আফ্রিকার উষ্ণ ও আর্দ্র বনাঞ্চলের বানররা ছিল এ রোগের প্রথম শিকার। এরপর একসময় মানবদেহেও সংক্রমণ ঘটায় এই ভাইরাসটি। সাধারণত হালকা ভাইরাল সংক্রমণের জন্য দায়ী এই ভাইরাস। ভাইরাসটি গুটিবসন্তের মতো ভাইরাল প্রজাতির সদস্য। এই প্রজাতির মধ্যে রয়েছে ভেরিওলা ভাইরাস, ভ্যাক্সিনিয়া ভাইরাস ও কাউপক্স ভাইরাস


করোনাভাইরাসের পর নতুন আতঙ্ক হিসেবে বিশ্ববাসীর সামনে হাজির হয়েছে মাঙ্কিপক্স।

 বৃটেন সহ ইউরোপের অনেক দেশ, যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, ইসরাইলে দেখা দিয়েছে এই পক্স বা বসন্ত। মাঙ্কিপক্স ভাইরাস দ্বারা এই রোগের সৃষ্টি হয়। জলবসন্ত সৃষ্টি করে যে ভাইরাস, সেই একই পরিবারের সদস্য এই ভাইরাস। তবে এর ভয়াবহতা অনেকটা কম। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মাঙ্কিপক্ষে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা অনেক কম। সাধারণত এই রোগ দেখা দেয় রেইনফরেস্ট এলাকার কাছে মধ্য ও পশ্চিম আফ্রিকার দেশগুলোর প্রত্যন্ত অঞ্চলে। এই ভাইরাসের দুটি স্ট্রেইন আছে। তাহলো পশ্চিম আফ্রিকান এবং মধ্য আফ্রিকান। প্রথমেই এই রোগের লক্ষণগুলোর মধ্যে আছে জ্বর, মাথাব্যথা, শরীর ফুলে যেতে পারে, ব্যাকপেইন, মাংসপেশীর ব্যথা, নিঃরস ভাব।



ইতিমধ্যে ইউরোপ, উত্তর আমেরিকাসহ বেশ কয়েকটি দেশে এই ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার তথ্য পাওয়া গেছে।

সর্বশেষ মধ্যপ্রাচ্যেও এই রোগটি শনাক্ত হয়েছে। আফ্রিকার বাইরে ‘মাঙ্কিপক্সের’ এই অস্বাভাবিক বিস্তার বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। সূত্রমতে, এ পর্যন্ত বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ১১৫ জনের মধ্যে এই ভাইরাসের সংক্রমণ দেখা দিয়েছে বা সন্দেহভাজন আক্রান্তের খবর পাওয়া গেছে। সন্দেহভাজন আক্রান্ত ব্যক্তিদের মধ্যে অস্ট্রেলিয়া, কানাডা, জার্মানি, ফ্রান্স, সুইডেন, ইতালি, স্পেন, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশও রয়েছে। এ ছাড়া আরও কয়েকটি দেশে শিগগিরই এই ভাইরাস ছড়াতে পারে বলে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে সতর্ক করা হচ্ছে। এই সংস্থাটি ইতিমধ্যে আক্রান্ত ও সন্দেহভাজন আক্রান্ত দেশসহ অন্যান্য দেশের স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করা শুরু করেছে। জীবনঘাতী এই ভাইরাসের শনাক্তকরণ, নজরদারি ও আক্রান্ত ব্যক্তিদের চিকিৎসাসহ সার্বিক সহযোগিতার জন্য কাজ করছে এই সংস্থাটি।


আরো পড়ুন:


 করোনায় তিনজনের মৃত্যু শনাক্ত ৩২৭

327 deaths were identified in Corona


করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সারাদেশে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২৯ হাজার ১০০ জনে দাঁড়িয়েছে।


একই সময় নতুন করে এ ভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩২৭ জন। এ নিয়ে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়ালো ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ৭৯৮ জনে। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১ দশমিক ৯১ শতাংশ।


বৃহস্পতিবার (১০ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

আরো পড়ুন: সন্তানের সামনে গৃহবধূ গণধর্ষণের ঘটনায় আদালতে মামলা

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় (মঙ্গলবার সকাল ৮টা থেকে বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) একজনের মৃত্যু এবং ৩২৩ জন নতুন রোগী শনাক্তের তথ্য জানিয়েছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে দৈনিক শনাক্তের হার ছিল ১ দশমিক ৯৭ শতাংশ।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশের ৮৭৮টি ল্যাবরেটরিতে ১৭ হাজার ৯৩টি নমুনা সংগ্রহ করা হয় এবং ১৭ হাজার ১০৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে দেশে মোট এক কোটি ৩৬ লাখ ৩৮৭টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। মহামারি শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩৩ শতাংশ।


এদিকে, একদিনে আলোচ্য সময়ে করোনা থেকে সেরে উঠেছেন দুই হাজার ৪৭৯ জন। এ নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৫৫ হাজার ২৪৯ জন।

আরো পড়ুন: যা থাকছে নিপুণের ওয়েব সিরিজ ‘সাবরিনা’য় (ভিডিও)

গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত তিনজনই পুরুষ। তাদের দুজন ঢাকা বিভাগের ও একজন খুলনা বিভাগের বাসিন্দা। তিনজনই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।


২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ প্রথম মৃত্যুর তথ্য জানায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।


আরো পড়ুন:


২৪ ঘণ্টায় টিকা নিলেন ৬ লাখ ৮০ হাজার ৩৩৬ জন

6 lakh 80 thousand 336 people were vaccinated in 24 hours


 দেশে এক কোটি মানুষকে করোনাভাইরাসের প্রথম ডোজের টিকা দেওয়া হচ্ছে আজ (শনিবার)। টিকা পেতে কোনো ধরনের নিবন্ধন কিংবা কাগজপত্রের প্রয়োজন হচ্ছে না। 

তবে এই কর্মসূচি বৃদ্ধি করা হবে কিনা তা সন্ধ্যায় জানা যাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের জ্যেষ্ঠ সচিব লোকমান হোসেন মিয়া।


শনিবার সকালে টিকাদান কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা জানান। 

স্বাস্থ্য সচিব বলেন, শেষ মুহূর্তে বিপুলসংখ্যক মানুষকে টিকাকেন্দ্রে উপস্থিত হতে দেখা যাচ্ছে। প্রথম ডোজের জন্য এক কোটি টিকা দেওয়ার যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে তার চেয়ে বেশি দেওয়া হবে আজ। বিরতিহীনভাবে আজ চলবে এই টিকা কার্যক্রম।


তিনি বলেন, প্রচুর মানুষ টিকা নিতে এসেছেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত এই টিকাদান কার্যক্রম চলবে। তবে আমাদের আশঙ্কা, আজ অনেকেই টিকা দিতে পারবে না।

আরো পড়ুন: পুতিনের বেপরোয়া পদক্ষেপ ইউরোপকে সরাসরি হুমকি দিচ্ছে


সে ক্ষেত্রে সময় বাড়ানো হবে কিনা গণমাধ্যমকর্মীদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্য সচিব বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব হলো টিকা দেওয়া। আমরা টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। আমরা সন্ধ্যা পর্যন্ত কার্যক্রম দেখি, তারপর যদি প্রয়োজন হয় আমরা সময় বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করব।


জানা গেছে, দেশের ২৮ হাজার বুথে টিকা দেওয়া হচ্ছে আজ। এসব বুথে টিকা দেওয়ার কাজে নিযুক্ত আছেন স্থাস্থ্য বিভাগের কর্মীদের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবকেরাসহ মোট এক লাখ ৪২ হাজার জন। 


দেশের প্রত্যেকটি ইউনিয়নে নির্ধারিত টিকাকেন্দ্রের বাইরেও পাঁচটি করে ভ্রাম্যমাণ দল রয়েছে। এছাড়া সিটি করপোরেশনের প্রতিটি অঞ্চলে ৩০ থেকে ৫০টি করে বুথে টিকা দেওয়া হচ্ছে। 

আরো পড়ুন: Russia Ukrain: বাংলাদেশি জাহাজে হামলার জন্য ইউক্রেনকে দুষছে রাশিয়া

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, দেশে করোনার গণটিকাদান শুরু হয় ২০২১ বছরের ৭ ফেব্রুয়ারি। করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন ১০ কোটি ৯ লাখ ১১ হাজারের বেশি মানুষ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার ৬০ শতাংশের মতো।


তাদের মধ্যে সাত কোটি ১৪ লাখ ৭৫ হাজারের বেশি মানুষ দ্বিতীয় ডোজ এবং ২৬ লাখ ৯৪ হাজারের বেশি মানুষ তৃতীয় বা বুস্টার ডোজ পেয়েছেন।


এর মধ্যে গতবছরের সেপ্টেম্বরে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষ্যে ৭৬ লাখ ডোজের বেশি টিকা দেওয়া হয়েছিল একদিনে।  


আরো পড়ুন:

 করোনায় আরও ৭ জনের মৃত্যু, শনাক্ত ৪৪৬ 


7 more died in Corona, 446 identified


গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আরও সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৯৬ জনের।

একই সময়ে নতুন করে করোনা শনাক্ত হয়েছেন ৪৪৬ জন। সব মিলিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪৮ হাজার ১৪৮ জন।

মঙ্গলবার (০৮ মার্চ) বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।


বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ঢাকা সিটিসহ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ও বাড়িতে উপসর্গ বিহীন রোগীসহ গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়েছেন তিন হাজার ৬২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন ১৮ লাখ ৪৯ হাজার ৯৪৬ জন। সারাদেশে সরকারি ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৮৭৮টি ল্যাবে ২৪ ঘণ্টায় নমুনা সংগ্রহ হয়েছে ২০ হাজার ১৫৪টি এবং নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে ১৯ হাজার ৯৬৪ নয়টি। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা হয়েছে এক কোটি ৩৫ লাখ ৬৬ হাজার ৯১৪টি।


এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার দুই দশমিক ২৩ শতাংশ। এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় সুস্থতার হার ৯৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।


আরো পড়ুন: ইউক্রেনে নাজুক অবস্থায় পড়ে গেছি: প্রতিমন্ত্রী


বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ২৪ ঘণ্টায় মৃত সাতজনের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ এবং দু’জন নারী রয়েছেন। মৃত সাতজনের ৩১ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে একজন, ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে একজন, ৬১ থেকে ৭০ বছরের মধ্যে দুইজন, ৭১ থেকে ৮০ বছরের মধ্যে তিনজন রয়েছেন।  

     

এতে আরও বলা হয়, মৃত সাতজনের মধ্যে ঢাকা বিভাগের ছয়জন, সিলেট বিভাগের একজন মারা গেছেন। এদের মধ্যে ছয়জন সরকারি হাসপাতালে এবং একজন বেসরকারি হাসপাতালে মারা যান।


এতে আরও জানানো হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় আইসোলেশনে এসেছেন ৭৬ জন ও আইসোলেশন থেকে ছাড় পেয়েছেন ৭৪৬ জন। এ পর্যন্ত আইসোলেশনে এসেছেন চার লাখ ৪২ হাজার ৫৪১ জন। আইসোলেশন থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন চার লাখ তিন হাজার ৮৩০ জন। বর্তমানে আইসোলেশনে আছেন ৩৮ হাজার ৭১১ জন।


স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা ভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম একজনের মৃত্যু হয়। এরপর ধীরে ধীরে আক্রান্তের হার বাড়তে থাকে।


আরো পড়ুন:

 প্রতারণা করেছেন জায়েদ খান: ইলিয়াস কাঞ্চন


Cheated by Zayed Khan: Ilyas Kanchan


সেক্রেটারি পদে জায়েদ খানের শপথ গ্রহণ অবৈধ ঘোষণা করেছেন চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন। পাশাপাশি গত শুক্রবারের শিল্পী সমিতির প্রথম মিটিংও বাতিল ঘোষণা করেছেন সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন। তাঁর দাবি, জায়েদ খান আদালতের অন্য রায়ের ‘পুরোনো কাগজ’ দেখিয়ে শপথ গ্রহণ করেছেন। সেটি রীতিমতো প্রতারণার শামিল।


সোমবার সন্ধ্যায় এফডিসির বাগানে সংবাদ সম্মেলন করে এসব কথা বলেন ইলিয়াস কাঞ্চন। জায়েদ খানের শপথ গ্রহণ অবৈধ ঘোষণা করেন সমিতির নবনির্বাচিত সভাপতি ও একুশে পদকপ্রাপ্ত এই অভিনেতা। তিনি বলেন, ‘৯ ফেব্রুয়ারির অন্য রায়ের কোর্টের একটি কাগজ দেখিয়ে শপথ নেন জায়েদ খান। নতুন কোনো কাগজ দেখাতে পারেননি৷ তড়িঘড়ি করে শুক্রবার শপথ নিয়েছেন। তিনি শিল্পী সমিতির সঙ্গে, সভাপতির সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। একই সঙ্গে মিডিয়ার সঙ্গেও ছলনা করেছেন। তাঁর শপথ গ্রহণ আমি অবৈধ ঘোষণা করলাম।’

তিনি বলেন, যেহেতু শপথ অবৈধ, তাই গত মিটিংয়ে জায়েদ খানের উপস্থিতিও অবৈধ। এ কারণে মিটিংয়ের কোরামও পূর্ণ না হওয়াতে শুক্রবারের মিটিংও বাতিল করা হলো।


এদিকে গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সেক্রেটারি অনুপস্থিত থাকলে তাঁর দায়িত্ব পালন করেন সহসেক্রেটারি। যেহেতু শিল্পী সমিতিতে আপাতত সেক্রেটারি কেউ নন, তাই আপাতত সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করবেন সহসাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী নায়ক সাইমন। 


ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, পরে মিটিং ডেকে বাকি সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে সাইমনের সেক্রেটারি হওয়ার বিষয়টি পাস করা হবে। যত দিন জায়েদ-নিপুণের সেক্রেটারি পদ আদালত থেকে প্রক্রিয়াধীন থাকবে, আগামী মিটিংয়ের পর থেকে তত দিন গঠনতন্ত্র অনুযায়ী সাইমন সেক্রেটারির দায়িত্ব পালন করবেন।

এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জায়েদ খান। তিনি বলেন, ‘আমি কোনোভাবেই প্রতারণার আশ্রয় নিইনি। নিয়ম অনুযায়ী রায় পাওয়ার পরে যে কেউ তাঁর আইনজীবীর কাছ থেকে ল ইয়ার সার্টিফিকেট নিতে পারেন। আদালতের রায় হয়ে গেছে সবাই জানেন। আমি ল ইয়ার সার্টিফিকেটও জোগাড় করেছি। এটা বৈধ।’ তিনি প্রশ্ন করেন, ‘আমি যদি ভুয়া কাগজ জোগাড় করে শপথ নিই, তাহলে নিপুণ কি ভুয়া কাগজ দেখিয়ে আপিল করলেন? রায় হয়েছে বলেই তো সেটার প্রমাণ দেখিয়ে আপিল করেছেন তিনি।’ তিনি আরও বলেন, ‘এমনিতে আমাদের শিল্পী সমিতির জন্য শপথ জরুরি না; বরং সেদিন আমাদের সভা বৈধ। সেখানে কোরাম পূর্ণ হয়েছিল।’


এদিন সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন খোরশেদ আলম, সাইমন সাদিক প্রমুখ।


আরো পড়ুন:


শনাক্তের হার কমে দুইয়ের কাছে, মৃত্যু ৪

The detection rate decreased to two, death 4



দেশে গত এক দিনে মহামারি করোনাভাইসে আক্রান্ত হিসেবে শনাক্ত হয়েছেন ৪৩৬ জন। এতে শনাক্তের হার নেমেছে এসেছে দুইয়ের কাছাকাছি। গত এক দিনে পরীক্ষার বিপরীতে শনাক্তের হার ২.১৮ শতাংশ। রবিবার ছিল ২.৬৩ শতাংশ ও শনিবার ছিল ২.৯১ শতাংশ।

এ দিকে গত এক দিনে করোনাভাইরাসে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আর সুস্থ হয়েছেন ৩ হাজার ৫৪৬ জন।

সোমবার বিকালে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, গত এক দিনে ২০ হাজার ১৩২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ পর্যন্ত শনাক্ত হয়েছেন ১৯ লাখ ৪৭ হাজার ৭০২ জন। মোট শনাক্তের হার ১৪.৩৮ শতাংশ।

গত এক দিনে মারা যাওয়া ৪ জনের মধ্যে ১ জন পুরুষ এবং ৩ জন নারী। এ নিয়ে করোনায় মৃতের সংখ্যা ২৯ হাজার ৮৯ জনে গিয়ে দাঁড়ালো।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর আরও জানায়, নতুন সুস্থ হওয়া ৩ হাজার ৫৪৬ জনকে নিয়ে মোট সুস্থ হলেন ১৮ লাখ ৪৬ হাজার ৮৮৪ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় প্রথম মৃত্যুর খবর আসে। গত বছরের ২০ নভেম্বর দেশে প্রথমবারের মতো এবং ৯ ডিসেম্বর দ্বিতীয়বারের মতো করোনায় মৃত্যুহীন দিন দেখে বাংলাদেশ। এছাড়া বাকি সব দিনই মৃত্যু দেখেছে বাংলাদেশ।

 করোনায় মৃত্যু বেড়ে দ্বিগুণ, শনাক্ত কমে ৩৬৮


Deaths in Corona doubled, detection decreased to 368


রাজধানীসহ সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত ১৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। তাদের মধ্যে পুরুষ ৭ জন ও নারী ৬ জন। মৃত ১৩ জনের মধ্যে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ১২ জন এবং বেসরকারি হাসপাতালে ১ জন মারা যান।


এ নিয়ে মোট মৃতের সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৭৭ জনে। মৃত্যুহার ১ দশমিক ৪৯ শতাংশ।

আজ শনিবার (৫ মার্চ) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনা পরিস্থিতি সংক্রান্ত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা গেছে।


একই সময়ে করোনা শনাক্তে নমুনা পরীক্ষায় নতুন ৩৬৮ জন রোগী শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২ দশমিক শূন্য ১১ শতাংশ।


 সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় সরকারি ও বেসরকারি ৮৭৬টি ল্যাবরেটরিতে ১৭ হাজার ৪১৪টি নমুনা সংগ্রহ ও ১৭ হাজার ৪৬৩টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়। এ নিয়ে মোট শনাক্তকৃত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৯ লাখ ৪৬ হাজার ৭৩৭ জনে। আর মোট নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়ে হয়েছে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৬ হাজার ৮০৯টি।


২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে প্রথম করোনা আক্রান্ত রোগী শনাক্ত ও ১৮ মার্চ করোনা আক্রান্ত প্রথম রোগীর মৃত্যু হয়। ৫ মার্চ পর্যন্ত মোট মৃত ২৯ হাজার ৭৭ জনের মধ্যে পুরুষ ১৮ হাজার ৫৬০ জন ও নারী ১০ হাজার ৫১৭ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ থেকে চলতি বছরের ৫ মার্চ পর্যন্ত নতুন রোগী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক শূন্য ৪১ শতাংশ।


গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে ৪ হাজার ১৮ জন রোগী সুস্থ হয়েছেন। এ নিয়ে সুস্থ হওয়া রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৮ লাখ ৩৯ হাজার ৯৯৮ জনে। রোগী সুুস্থতার হার ৯৪ দশমিক ৫২ শতাংশ।


২৪ ঘণ্টায় করোনায় মৃত ১৩ জনের মধ্যে ত্রিশোর্ধ্ব ১ জন, পঞ্চাশোর্ধ ৫ জন, ষাটোর্ধ্ব ৩ জন, সত্তরোর্ধ্ব ২ জন এবং আশি বছরের বেশি বয়সী ২ জনের মৃত্যু হয়েছে।


বিভাগীয় হিসেবে করোনায় মৃত ১৩ জনের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৮ জন, চট্টগ্রামে ১ জন, বরিশালে ২ জন, রংপুর এবং ময়মনসিংহে ১ জন করে মারা গেছেন।

Holy Foods ads

Holy Foods ads

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget