Latest Post


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার অনুমতি না পেলে সংসদ থেকে দলীয় সদস্যরা পদত্যাগ করতে পারেন। দলটির একাধিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে এমনই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

তারা জানান, সংরক্ষিত নারী আসনসহ বিএনপির সাতজন সংসদ সদস্য (এমপি) রয়েছেন। দলের চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা এখন চরম খারাপ। যা নিয়ে তৃণমূলসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উদ্বিগ্ন।

এ অবস্থায় সরকার মানবিক বিবেচনায় বিদেশে সুচিকিৎসার অনুমতি দেবে বলে সবার প্রত্যাশা। তা না হলে কঠোর কর্মসূচির বাইরেও সংসদ থেকে দলীয় সদস্যদের পদত্যাগের কথা চিন্তা করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য জিএম সিরাজ খালেদা জিয়াকে মানবিক দিক বিবেচনায় দু-এক দিনের মধ্যে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানান।

এ সময় তিনি বলেন, বিএনপির ছয়জন (সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছাড়া) এ সংসদে আছেন। আওয়ামী লীগের বন্ধুরা বলেন, এটা এ পার্লামেন্টের জন্য অলংকার। তাই বলতে চাই, আমাদের সংসদ নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যদি আমরা সত্যি সত্যি অলংকারই হয়ে থাকি তাহলে পার্লামেন্ট অলংকারবিহীন করবেন না। এ কারণে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্তে এমনও হতে পারে, ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যদি চরম অবস্থায় চলে যান, তাহলে হয়তো এ পার্লামেন্টে আমাদের থাকা সম্ভব নাও হতে পারে।

বিএনপি সূত্র জানায়, শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সবশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৈঠকে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে পাঠানো দরকার-মেডিকেল বোর্ডের এমন পরামর্শের কথা তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে বিদেশে নিতে পরিবারের আবেদনের বিষয়েও অবহিত করা হয়। এ সময় নেতারা বিদেশে নেওয়ার ব্যাপারে সরকার থেকে অনুমতি পাওয়া ও না পাওয়া-দুটি দিক নিয়েই আলোচনা করেন।

দলীয় প্রধানের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সরকার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেবে বলে প্রত্যাশা করেন নেতারা। অনুমতি না দেওয়া হলে কর্মসূচির পাশাপাশি সংসদে থাকা দলীয় সদস্যদের পদত্যাগের বিষয়টি বৈঠকে উঠে আসে।

কিন্তু বিদেশে চিকিৎসার ব্যাপারে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিএনপির সিনিয়র নেতাদের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। পরে করণীয় নিয়ে রাতে বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলেন দলটির হাইকমান্ড।

নেতারা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য কঠোর কর্মসূচিসহ দলীয় সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের বিষয়ে পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে সরকারের সঙ্গে তার (খালেদা জিয়া) পরিবারের সদস্যদের আরও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

একাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির সংদস্যরা হলেন-উকিল আব্দুস সাত্তার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২), হারুনুর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), আমিনুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), মোশাররফ হোসেন (বগুড়া-৪), জাহিদুর রহমান (ঠাকুরগাঁও-৩) ও গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) সিরাজ (বগুড়া-৬)। এছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির একমাত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

হারুনুর রশীদ যুগান্তরকে বলেন, পদত্যাগের বিষয়ে সংসদে দেওয়া জিএম সিরাজের বক্তব্যের সঙ্গে আমরা সব সংসদ সদস্য একমত। ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) মুক্তি ও সুচিকিৎসা নিয়ে তার পরিবার ও দল থেকে বারবার দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু সরকার তা কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়-দায়িত্ব সরকারের ওপর পড়বে। তখন পার্লামেন্ট থেকে আমরা বেরিয়ে যেতে পারি।

মোশাররফ হোসেন বলেন, দল যদি চায় আমাকে পদত্যাগ করতে হবে, আমি করব। এটা তো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের আবেগের জায়গা। আমরা পার্লামেন্টে থেকেও ম্যাডামের চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আবেদন করেছি। সেই সুযোগটুকু তারা দিচ্ছেন না। বিএনপির সংসদ সদস্যরা সবাই মিলে পদত্যাগ করতে পারেন।

তিনি বলেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) মুক্তি ও চিকিৎসা নিয়ে সংসদে বারবার কথা বলেছি। এও বলেছি, এত মানবতা দেখিয়েছেন, আরেকটু মানবতা দেখিয়ে অন্ততপক্ষে সুচিকিৎসাটা দেন। চিকিৎসা তো একটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। তিনি (খালেদা জিয়া) নারী নেত্রী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যে চেয়ারে বসেন, ওই একই চেয়ারে দেশনেত্রী বসতেন। তাদের অনেকেরই যখন চিকিৎসা দরকার হয়, তখন বিদেশ থেকে চার্টার প্লেন এনে নেওয়া হচ্ছে। আর ম্যাডামকে মুক্তি দেওয়ার অর্থ তো আক্ষরিক অর্থে মুক্তি নয়। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। তাকে অন্তত সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো উচিত। বিএনপি তো ছোট দল নয় যে দলীয় চেয়ারপারসন চলে গেলে আর দেশে আসবেন না।

 

দেশে এক দিনে আরও ২৪৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে; মারা গেছেন ৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত শনাক্ত নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত কোভিড রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ৪৫৮ জনে। তাদের মধ্যে ২৭ হাজার ৯৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় সেরে উঠেছেন ২৯৪ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠলেন ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫১৮ জন।

এই তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ১ জন। অর্থাৎ, জানা হিসেবে এই সংখ্যক মানুষ এখন করোনাভাইরাস সংক্রমিত অবস্থায় রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে ১৭৯ জনই ঢাকা বিভাগের যা মোট আক্রান্তের তিন চতুর্থাংশ। দেশের ৩৪টি জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং ১ জন রংপুর বিভাগের। বাকি পাঁচব বিভাগে কারও মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে সারা দেশে মোট ১৯ হাজার ৫০৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১ কোটি ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৪৩১টি নমুনা।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ১ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা আগেরদিন ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ ছিল।

এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। শনাক্ত অনুযায়ী মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের ৫ জনই পুরুষ। তাদের এক জনের বয়স ছিল ৭০ বছরের বেশি, তিনজনের বয়স ছিল ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। আর একজনের বয়স ৩১ থেকে ৪১ বছরের মধ্যে ছিল।

তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। গত ৩১ অগাস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়। এর আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১৪ সেপ্টেম্বর তা ২৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার আগে ৫ অগাস্ট ও ১০ অগাস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

বিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৫১ লাখ ২২ হাজার ছাড়িয়েছে। আর শনাক্ত হয়েছে ২৫ কোটি ৪৯ লাখের বেশি রোগী।



শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ হতে যাচ্ছে শুক্রবার (১৯ নভেম্বর)। বাংলাদেশ থেকেও এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।

নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৫টা ১২ থেকে ২৭ মিনিটের মধ্যে এই চন্দ্রগ্রহণ শুরু হতে পারে। এটি চলবে সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিট পর্যন্ত।

জানা গেছে, ঢাকায় বিকেল ৫টা ১৩ মিনিট, ময়মনসিংহে ৫টা ১১ মিনিট, চট্টগ্রামে ৫টা ১০ মিনিট, সিলেটে ৫টা ৫ মিনিট, খুলনায় ৫টা ১৮ মিনিট, বরিশালে ৫টা ১৫ মিনিট, রাজশাহীতে ৫টা ১৯ মিনিট এবং রংপুরে ৫টা ১৪ মিনিট থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যেতে পারে।

পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপরে পড়ায় শুরু হবে গ্রহণ। এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের একাংশে। তবে পূর্ণগ্রাস নয়, এই গ্রহণ হবে আংশিক। ঢাকা পড়বে চাঁদের ৯৭ শতাংশ।

গ্রহণ সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে উত্তর আমেরিকা থেকে। আমেরিকার ৫০টি প্রদেশ ও মেক্সিকো থেকে গ্রহণের প্রতিটি মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পারবেন মহাকাশপ্রেমীরা। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, পূর্ব এশিয়া, উত্তর ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকেও দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ।

২০০১ থেকে ২১০০ সালের মধ্যে এটাই হতে চলেছে এই শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। এই ১০ বছরে মোট ২২৮টি চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এর মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই এক মাসের মধ্যে দুটি করে চন্দ্রগ্রহণ হবে। এমনকি, তিনটি গ্রহণও হবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে।  

      বাসে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার দাবিতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।

শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাসে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার দাবিতে বিক্ষোভ করছেন ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা

বাসে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার দাবিতে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ।

আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে কলেজের সামনে মিরপুর রোড অবরোধ করে তারা বিক্ষোভ শুরু করেন।

তারা শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাসে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার দাবিতে স্লোগান দিতে থাকেন। 

এরপর তারা মিরপুর রোডে মিছিল করেন এবং বাস থামিয়ে 'গণপরিবহনে শিক্ষার্থীরা হাফ ভাড়া দিন' লেখা স্টিকার লাগিয়ে দেন।

বাসে হাফ ভাড়ার দাবিতে স্টিকার লাগিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

পুলিশের পক্ষ থেকে রাস্তা ছেড়ে দেওয়ার জন্য অনুরোধ করা হলে তারা ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেন। শিক্ষার্থীরা বলেন, আজকের মধ্যে সমস্যার সমাধান না হলে শনিবার থেকে কঠোর আন্দোলন শুরু করবেন তারা।

সকাল ১১টার দিকে ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে দিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

নিউ মার্কেট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম কাইয়ুম বলেন, শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে বাসে অর্ধেক ভাড়া নেওয়ার দাবিতে আজ ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়েছিল। আমরা তাদের সঙ্গে কথা বলে সড়ক ছেড়ে দিতে বলেছি। শিক্ষার্থীদের এই সমস্যা নিয়ে আমরা বাস মালিকদের সঙ্গে কথা বলবো। 

পতাকা ইস্যুতে মুখ খুললো পাকিস্তান

বাংলাদেশের মাটিতে অনুশীলনের সময় পাকিস্তান দলের পতাকা টাঙানো নিয়ে ব্যাপক সমালোচনা হয়। কয়েকদিন ধরে এ ব্যাপারে নিরব থাকা পাকিস্তান দল এবার তার জবাব দিলেন।

দলটির মিডিয়া ম্যানেজার ইব্রাহিম বাদ্রিস জানান সাকলাইন মুশতাক কোচ বলেই মাঠে পতাকা নেওয়া হচ্ছে।  

আজ বৃহস্পতিবার (১৮ নভেম্বর) মিরপুরে প্রথম টি-টোয়েন্টি পূর্ব সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজমের কাছে সেদেশের এক সাংবাদিক জানত চান- মাঠে পতাকা নিয়ে যাওয়া নিয়ে বাংলাদেশে যে বিতর্ক হচ্ছে, সে ব্যাপারটি তিনি কিভাবে দেখছেন? যেখানে বাংলাদেশের একজন মন্ত্রীও পতাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।

বাবরের হয়ে প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন দলটির মিডিয়া ম্যানেজার। তিনি বলেন, সাকলাইন মুশতাক কোচ হওয়ার পর থেকেই অনুশীলনে পতাকা নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। কোচ মনে করেন, এটা খেলোয়াড়দের উজ্জীবিত করে। যে কারণে বিশ্বকাপেও পতাকা নেওয়া হয়েছিল। আর কোনো কারণ নেই।


বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলায় গত বুধবার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য-জেরা সমাপ্তির পর কারাগারে ফিরে যাওয়ার সময় আসামি প্রদীপ কুমার দাশকে কাঁদতে দেখা যায়।

আদালতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেছেন, গত ২৭ জুন অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে মামলাটির বিচারিক কার্যক্রম শুরু হয়েছে। এর পরই গতকাল তাঁর চোখে পানি দেখা গেল। আদালতের কার্যক্রম শেষে গতকাল বুধবার বিকেল ৫টায় এজলাস থেকে বের করে আসামিদের পুলিশের প্রিজন ভ্যানে তোলার সময় টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কাঁদতে থাকেন।

মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি (পিপি) ফরিদুল আলম বলেন, এদিন কাঠগড়ায়ও বেশ ভারাক্রান্ত দেখা গেছে প্রদীপকে। আইনজীবীরা মন্তব্য করেন, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার সাক্ষ্য-জেরার পর থেকেই প্রদীপকে হয়তো বা অনুশোচনায় পেয়ে বসেছে।

উল্লেখ্য, গত বছর ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর মেরিন ড্রাইভ চেকপোস্টে গুলি করে হত্যা করা হয় সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে।

 প্রধানমন্ত্রীর এই কথা আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে: মাহমুদউল্লাহ

সবশেষ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে খালি হাতে ফিরেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। প্রথম রাউন্ডের শুরুতেই স্কটল্যান্ডের কাছে হেরে তুমুল সমালোচনায় পড়েন টাইগারদের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। 

এরপর সুপার টুয়েলভে একের পর এক হারে সেই সমালোচনা আরো তীব্রতর হয়। যা এখনো চলছে। দেশে ফিরে রীতিমতো বিসিবির তদন্ত কমিটির কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয়েছে মাহমুদউল্লাহকে। 

তবে এর ঠিক বিপরীতে অবস্থান নিয়ে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পক্ষে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বুধবার জলবায়ু সম্মেলনে অংশগ্রহণ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের পাশে দাঁড়ান তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমরা যা আশা করেছিলাম, তা হয়নি। আমি কিন্তু আমাদের ছেলে-পেলেদের কখনো হতাশ করি না। তাদেরকে বলি আরো ভালো খেলো, আরো মনোযোগী হও, আরো প্র্যাকটিস করো। আমি এই হতাশা দেখতে চাই না। কয়েকটা খেলা তো তারা খুব চমৎকার খেলেছে।’

পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া সেই বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুললেন মাহমুদউল্লাহ। জানালেন, প্রধানমন্ত্রীর এমন উৎসাহ-অনুপ্রেরণা সবসময়ই দলের জন্য কল্যাণকর।

মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আলহামদুলিল্লাহ্। আমিও শুনেছি (প্রধানমন্ত্রীর) কথাটা। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। তার এই কথা আমাদের আরও অনুপ্রাণিত করবে। সত্যি কথা বলতে, এটা আমাদের দলের জন্য অনেক ইতিবাচক একটা মন্তব্য। প্রধানমন্ত্রী সবসময় যেভাবে আমাদের অনুপ্রাণিত করেন, সমর্থন করেন এটা অবিশ্বাস্য। এর জন্য তাকে অসংখ্য অসংখ্য ধন্যবাদ। আমাদের পক্ষ থেকে এটা নিশ্চিত করবো যে, আমরা যেনো আমাদের শতভাগের বেশি দিয়ে এই সিরিজটা খেলতে পারি। ইনশাআল্লাহ্।’

 


২০২২ সালে ফের বসছে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের আসর। কিন্তু সেটিতে দেখা যাবে না নিউজিল্যান্ডের যুবাদের। এতে কপাল খুলেছে স্কটল্যান্ডের। বাছাইপর্ব পেরোতে না পারলেও তাদের অনূর্ধ্ব-১৯ দল সুযোগ পেয়ে গেল ২০২২ সালের বিশ্বকাপে।  

করোনা মহামারিতে নিউজিল্যান্ডে চলমান বিধিনিষেধের কারণেই এমনটি ঘটতে যাচ্ছে।

নিউজিল্যান্ডে এখনও করোনা বিধিনিষেধ পুরোপুরি শিথিল হয়নি। কঠোর কোয়ারেন্টিন রীতিতে নমনীয়তা আনেনি তারা। 

দেশের বাইরে যাওয়ার আগে ও বাইরে থেকে কেউ নিউজিল্যান্ডে গেলে এই কঠোর কোয়ারেন্টিন পালন করতে হয়।

কিউই ক্রিকেট বোর্ডের ধারণা, জুনিয়ররা অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করলে তাদের অত্যধিক সময় কোয়ারেন্টিনে কাটাতে হবে, যা স্বাস্থ্যের ওপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলতে পারে। সেই কথা মাথায় রেখেই বিশ্বকাপে নিউজিল্যান্ড অংশ নেবে না বলে ঠিক করেছে।

মূলত এ কারণেই আগামী বছরের অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ থেকে নিজেদের নাম সরিয়ে নিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

আগামী ১৪ জানুয়ারি থেকে ৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত হবে ২০২২ সালের যুব বিশ্বকাপ। ১৪তম আসরে চার গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়বে ১৬টি দল। আর এবার ১৬তম দল হিসেবে যোগ দিচ্ছে স্কটল্যান্ড।

স্কটল্যান্ড ছাড়াও এই বিশ্বকাপ দিয়ে বিশ্ব আসরে অভিষেক হতে চলেছে উগান্ডার। চার গ্রুপে ভাগ হয়ে লড়বে ১৬টি দল।  

ক্যারিবীয় দ্বীপপুঞ্জের চারটি দেশ অ্যান্টিগা এন্ড বারবুদা, গায়ানা, সেইন্ট কিটস এন্ড নেভিস ও ত্রিনিদাদ এন্ড টোবাগোর ১০ মাঠে হবে বিশ্বকাপের সব খেলা।

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ-২০২২ এর গ্রুপ-

গ্রুপ এ: বাংলাদেশ, ইংল্যান্ড, কানাডা, সংযুক্ত আরব আমিরাত
গ্রুপ বি: ভারত, আয়ারল্যান্ড, দক্ষিণ আফ্রিকা, উগান্ডা
গ্রুপ সি: আফগানিস্তান, পাকিস্তান, পাপুয়া নিউগিনি, জিম্বাবুয়ে
গ্রুপ ডি: অস্ট্রেলিয়া, স্কটল্যান্ড, শ্রীলংকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজ

 


মার্ক জাকারবার্গ বলেছেন, ফেসবুকের ভবিষ্যৎ হলো মেটাভার্স। ত্রিমাত্রিক এই ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায় ব্যবহারকারীরা এমনভাবে কথোপকথন চালাতে কিংবা কাজে অংশ নিতে পারবেন, যেন একে অপরের ঠিক পাশেই আছেন। এখন তিনি বলছেন, সে জগতে কেবল দেখা কিংবা শোনা নয়, মিলবে স্পর্শের অনুভূতিও। সে জন্য হাতে থাকতে হবে বিশেষ প্রযুক্তির গ্লাভস বা দস্তানা। সে গ্লাভস কীভাবে কাজ করবে, গতকাল মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে তা-ও দেখিয়েছেন তিনি।

ফেসবুকের মূল প্রতিষ্ঠান মেটার অঙ্গপ্রতিষ্ঠান দ্য রিয়েলিটি ল্যাবস এই গ্লাভস তৈরি করছে। এরই মধ্যে একটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ (প্রোটোটাইপ) দেখিয়েছে তারা, যেটি হাতে থাকলে ভার্চ্যুয়াল বস্তু হাতে নেওয়ার অনুভূতি মিলবে। সমন্বিত অভিজ্ঞতার জন্য ভার্চ্যুয়াল রিয়েলিটি (ভিআর) হেডসেটের সঙ্গে গ্লাভসটি বাজারজাত করা হতে পারে। আর ভবিষ্যতে অগমেনটেড রিয়েলিটি (এআর) গ্লাসের সঙ্গে ব্যবহারোপযোগী করে তোলা হবে বলে জানানো হয়েছে এনডিটিভির প্রতিবেদনে। এই ভিআর ও এআর প্রযুক্তির সাহায্যেই পরিচালিত হবে ভবিষ্যতের মেটাভার্স।


গতকাল মঙ্গলবার গ্লাভসটির কারিগরি খুঁটিনাটি প্রকাশ করে মেটা। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য অনুযায়ী, ৭ বছর ধরে গ্লাভসটি তৈরিতে কাজ করছে রিয়েলিটি ল্যাবস। তবে কবে নাগাদ পূর্ণাঙ্গ গ্লাভস বিক্রি সম্ভব হবে, তা এখনো তাদের অজানা। এক বিবৃতিতে মেটা জানিয়েছে, গবেষণা এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে থাকলেও তাদের লক্ষ্য মূলত আরও সমন্বিত অভিজ্ঞতার জন্য ভিআর হেডসেটের সঙ্গে গ্লাভস যুক্ত করা।

মেটার শেয়ার করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, গ্লাভসটি পরিধানকারীর হাতে এমন অনুভূতি তৈরি করে, যার মাধ্যমে বাস্তব বস্তুর ভর এবং স্পর্শ পাওয়া সম্ভব। গ্লাভসে যুক্ত থাকছে প্লাস্টিকের তৈরি ছোট ছোট মোটর যা অ্যাকচুয়েটর নামে পরিচিত। এগুলোর মাধ্যমেই পরিধানকারীর হাতে ভার্চ্যুয়াল দুনিয়ায় কোনো কিছু ধরার অনুভূতি মিলবে। সেটা হতে পারে বল ছুড়ে দিয়ে ধরা, আবার কারও সঙ্গে করমর্দন করা। ব্যাপারটা এমন যে দুই বন্ধু ২০০ কিলোমিটার দূরে নিজ নিজ ঘরে বসে থেকেও একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করতে পারবেন। তা-ও আবার যথারীতি হাত নাড়িয়ে।



গ্লাভসটি কাজ করে মাইক্রোফ্লুইডিকসের সাহায্যে, এর মাধ্যমে বাতাসের প্রবাহ নিয়ন্ত্রণ করে অ্যাকচুয়েটরগুলোকে নাড়ানো যায়। পাশাপাশি হ্যান্ড-ট্র্যাকিং প্রযুক্তি নিয়েও কাজ করছে মেটা।

রিয়েলিটি ল্যাবসের প্রকৌশলী ক্যাথেরিন হিলি বলেন, ‘এখন দক্ষ প্রকৌশলীরা প্রতিটি গ্লাভস আলাদা করে তৈরি করছেন, যেখানে যন্ত্রাংশ তৈরি করে সেগুলো জুড়ে দেওয়ার কাজ করা হচ্ছে হাতে হাতে। সম্ভব হলে কোনো কোনো ক্ষেত্রে আধা স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি ব্যবহার করা হচ্ছে ঠিকই, তবে বিপুল পরিমাণ এই গ্লাভস তৈরির জন্য আমাদের সম্পূর্ণ নতুন উৎপাদনপ্রক্রিয়া উদ্ভাবন করতে হবে।’

বায়ু দূষণের মাত্রা ক্রমাগত খারাপ হওয়ার কারণে ভারতে রাজধানী দিল্লিতে কর্তৃপক্ষ সব স্কুল-কলেজ অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে।

আগামী ২১শে নভেম্বর পর্যন্ত সব ধরনের নির্মাণকাজও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে পরিবহন এবং প্রতিরক্ষা-সম্পর্কিত প্রকল্পগুলোর কাজ এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

এছাড়াও শহরে যে ১১টি কয়লা-ভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র আছে, তার মধ্যে মাত্র পাঁচটি চালু রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে।দিওয়ালির উৎসবের পর থেকেই দিল্লির বাতাস বিষাক্ত ধোঁয়াশায় ঢেকে গেছে।

বাতাসে ক্ষুদ্র কণা

শহরের বাতাসে ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫ এর মাত্রা, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিরাপত্তা নির্দেশনায় যত মাত্রার কথা উল্লেখ করা হয়েছে, তার চাইতেও বেশি।

মঙ্গলবারে শহরের কোথাও কোথাও এই মাত্রা ৪০০-এর কাছাকাছি, এমনকি এর বেশিও রেকর্ড করা হয়েছে, যাকে "মারাত্মক" বলে উল্লেখ করা হচ্ছে।

বায়ুর গুণগত মান সূচক বা একিউআই অনুসারে বাতাসে এই কণার মাত্রা শূন্য থেকে ৫০ হলে তাকে "ভাল" আর যদি ৫১ থেকে ১০০ হয় তাহলে তা "সন্তোষজনক" বলে বিবেচনা করা হয়।

মুখে মাস্ক পরে বায়ু দূষণের প্রতিবাদ করছে এক ছাত্রী।


এই কণা মানুষের ফুসফুসে ঢুকে গিয়ে মারাত্মকর রকমের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে।দূষণের কারণে দিল্লির বেশ কিছু স্কুল গত সপ্তাহেই বন্ধ করে দেওয়া হয়।

দিল্লির সরকার এও বলছে যে বায়ু দূষণের মাত্রা কমাতে তারা শহরে সম্পূর্ণ লকডাউন জারি করার কথাও বিবেচনা করছে।

যেসব কারণে এই দূষণ

দিল্লির বায়ু দূষণের জন্য নানা কারণকে দায়ী করা হয় - যার মধ্যে রয়েছে পরিবহন এবং শিল্প ও কল-কারখানা। এসব থেকে নির্গমনের পাশাপাশি, ধুলা এবং আবহাওয়ার কারণে বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত রাজধানী হয়ে উঠেছে এই দিল্লি।

এছাড়া প্রতিবেশী রাজ্যগুলোতে কৃষকরা ফসলের নাড়া পোড়ানোর কারণে শীতকালে দিল্লির বাতাস বিষাক্ত হয়ে যায়। আর এই একই সময়ে দিওয়ালি উৎসবের সময় আতসবাজি পোড়ানোর কারণে বায়ুদূষণের মাত্রা আরো বেড়ে যায়।

দিল্লি


পরিস্থিতি এবার এতোটাই খারাপ হয়েছে যে আদালতও জরুরি ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে।

এছাড়াও শীতের সময় বাতাসের গতি খুব বেশি না হওয়ার কারণে পরিস্থিতির আরো অবনতি ঘটে, কারণ এসময় দূষণ বায়ুমণ্ডলের নিচের স্তরে আটকা পড়ে থাকে।এবছর পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে গেছে যে দেশটির সর্বোচ্চ আদালতও কর্তৃপক্ষকে এবিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ

সমস্যা সমাধানের জন্য সুপ্রিম কোর্ট "অনতিবিলম্বে জরুরি" ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কেন্দ্রীয় ও দিল্লির রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে।

সুপ্রিম কোর্টের শুনানির পর পরই দিল্লিতে বায়ুর গুণগত মানের তদারকি করে যে সংস্থাটি, তারা জরুরি বৈঠকে বসে এবং বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণের কথা ঘোষণা করে।

ফসলের মাঠে খড় এবং নাড়া পোড়ানোকেও এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী করা হচ্ছে।


ফসলের মাঠে খড় এবং নাড়া পোড়ানোকেও এই বায়ু দূষণের জন্য দায়ী করা হচ্ছে।আরো যেসব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে তার মধ্যে রয়েছে দিল্লিসহ প্রতিবেশী ‌আরো কয়েকটি রাজ্য উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং রাজস্থানে ২১শে নভেম্বর পর্যন্ত ট্রাক প্রবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা। তবে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য বহনকারী ট্রাক এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবে।

এছাড়াও তারা দিল্লি এবং অন্যান্য রাজ্যের বেসরকারি অফিসগুলোকে নির্দেশ দেয় যেন তারা তাদের কর্মীদের ৫০ শতাংশকে বাড়ি থেকে অফিসের কাজ করার ব্যাপারে উৎসাহিত করে।

তারা আশা করছেন, এর ফলে পরিবহন চলাচল কম হবে যে কারণে নির্গমন ও ধুলার মাত্রাও হ্রাস পাবে।ভারতে এই বায়ু দূষণের সমস্যা শুধু রাজধানী দিল্লির মধ্যেই সীমিত নেই।আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা বায়ু দূষণের ওপর যেসব র‍্যাংকিং প্রকাশ করে - তার তালিকায় ভারতের শহরগুলো প্রায়শই স্থান করে নেয়।

যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণা সংস্থা এবং শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের এনার্জি পলিসি ইন্সটিটিউট বলছে, বায়ু দূষণের কারণে দেশটিতে প্রতি বছর দশ লাখেরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়।

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget