Latest Post

 


ইউরোপে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত বাড়তে থাকায় আরোপ করা লকডাউনের প্রতিবাদে নতুন করে বিক্ষোভ শুরু হয়েছে। নেদারল্যান্ডসসহ ইউরোপের বিভিন্ন অংশে বিক্ষোভ ও সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে।

ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, হেগে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে বাজি নিক্ষেপ করেছে, জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে বাইসাইকেল। এর একদিন আগেই রটেরড্যামে চলা বিক্ষোভ সহিংস হয়ে উঠলে পুলিশ গুলি চালায়।

নতুন বিধিনিষেধের বিরুদ্ধে ক্ষোভ বাড়তে থাকায় অস্ট্রিয়া, ক্রোয়েশিয়া এবং ইতালিতে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভ করেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) বলেছে, উপমহাদেশটিতে করোনা রোগী বাড়তে থাকার ঘটনা ‘খুবই আশঙ্কাজনক’।

ডব্লিউএইচও’র আঞ্চলিক পরিচালক ড. হ্যানস ক্লুজ বলেছেন, ইউরোপে পদক্ষেপ কঠিন করা না হলে আগামী বসন্ত নাগাদ আরও প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু হতে পারে। তিনি বলেন, আমাদের অঞ্চলে আবারও মৃত্যুর এক নম্বর কারণ হয়ে উঠেছে কোভিড-১৯। তিনি বলেন, ভাইরাস মোকাবিলায় কী করা প্রয়োজন তা আমরা জানি- যেমন ভ্যাকসিন গ্রহণ, মাস্ক পরা এবং কোভিড পাস ব্যবহার করা।

নতুন সংক্রমণ ঠেকাতে উপমহাদেশটির বিভিন্ন দেশের সরকার নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে। বেশ কয়েকটি দেশে প্রতিদিনই রেকর্ড সংখ্যক সংক্রমণ দেখা যাচ্ছে।

নেদারল্যান্ডসে দ্বিতীয় রাতের মতো শনিবার বিভিন্ন শহরে সহিংসতা ছড়িয়ে পড়ে। হেগে বিক্ষোভকারীরা বাইসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দিলে দাঙ্গা পুলিশ ঘোড়া, কুকুর এবং লাঠি ব্যবহার করে বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেয়। শহরে জরুরি আদেশ ঘোষণা করেছে কর্মকর্তারা। অন্তত সাত বিক্ষোভকারীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

অস্ট্রিয়ায় লকডাউন ঘোষণার পর হাজার হাজার মানুষ রাজধানী ভিয়েনায় বিক্ষোভ করেছে। সোমবার থেকে দেশটিতে ২০ দিনের লকডাউন শুরু হচ্ছে। নিত্যপণ্য ছাড়া সব ধরণের দোকান বন্ধের পাশাপাশি মানুষকে বাড়ি থেকে কাজ করতে বলা হয়েছে।

ক্রোয়েশিয়ায় সরকারি কর্মচারিদের জন্য টিকা বাধ্যতামূলক করার পর রাজধানী জাগরিবে হাজার হাজার মানুষ মিছিল করেছে। ইতালিতেও বহু মানুষের বিক্ষোভ হয়েছে।

 


স্থগিতাদেশ থাকার পরও ধর্ষণ মামলার এক আসামিকে জামিন দেওয়ায় সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে ক্ষমা চেয়েছেন আলোচিত বিচারক (বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে নিযুক্ত) মোছা. কামরুন্নাহার।

সোমবার (২২ নভেম্বর) সকালে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেনের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগে হাজির হয়ে তিনি ক্ষমা চান। পরে আদালতের একটি বিশ্বস্ত সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

তবে এ দিন শুনানিকালে কোনও সাংবাদিককে কোর্টে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। এমনকি আপিল বিভাগের কর্মচারীদেরও কোর্ট থেকে বের করে দেওয়া হয়। 

এরপর প্রায় দুই ঘণ্টা রুদ্ধদ্বার শুনানি হয়। তবে এ মামলায় কী আদেশ হয়েছে তা জানা যায়নি।

এর আগে বনানীর রেইনট্রি হোটেলে দুই শিক্ষার্থী ধর্ষণ মামলায় ৭২ ঘণ্টা পর ধর্ষণ মামলা নেওয়া যাবে না মর্মে  পর্যবেক্ষণ দিয়ে আলোচনায় আসেন বিচারক কামরুন্নাহার। এ অভিযোগে তাকে বিচারকাজ থেকে প্রত্যাহারও করে সুপ্রিম কোর্ট। যদিও লিখিত রায়ে বিতর্কিত পর্যবেক্ষণ বাদ দেওয়া হয়। এরপরই আলোচনায আসে তিন বছরের পুরনো এক ধর্ষণ মামলায় আসামির জামিনকাণ্ড। যার ধারাবাহিকতায় তাকে তলব করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।


 


বিতর্কিত বক্তব্যের কারণে মেয়র জাহাঙ্গীর আলম দল থেকে আজীবন বহিষ্কার হয়েছেন। এরপর তার মেয়র পদে থাকা নিয়েও তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। ফলে অনেকেই গাজীপুর সিটি করপোরেশনের সর্বোচ্চ পদটি পেতে উদগ্রীব হয়ে উঠেছেন।

৫৭ টি ওয়ার্ড নিয়ে গঠিত দেশের বৃহত্তম এই সিটি করপোরেশনে সে ধরনের আলামতও দৃশ্যপটে আসতে শুরু করেছে।  মেয়র ও প্যানেল মেয়রের জন্য ইতোমধ্যে প্রচারণায় অনেককেই মেতে উঠতে দেখা গেছে । 

শুক্রবার (১৯ নভেম্বর) গাজীপুর সিটি করপোরেশন মেয়র জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পদ থেকে বহিষ্কার ও আওয়ামী লীগের সাধারণ সদস্য পদ স্থগিত ঘোষণার পর থেকেই বিভিন্ন এলাকায় কর্মীরা তাদের পছন্দের নেতাদের নামে ব্যানার, ফেস্টুন বানানো শুরু করে দিয়েছেন।

এসব ব্যানার পোস্টার যার যার ফেসবুক ওয়ালে শেয়ারও দিচ্ছেন তারা। এদের মধ্যে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের আহবায়ক কামরুল আহসান সরকার রাসেল, গাজীপুর মহানগর আওয়ামী যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক মো. সাইফুল ইসলামকে মেয়র হিসাবে দোয়া ও সমর্থন চেয়েছেন অনেকেই। অপরদিকে সিটি করপোরেশনের কাউন্সিলর আবদুল্লাহ আল মামুন মন্ডলকে ভারপ্রাপ্ত মেয়র অথবা প্যানেল মেয়র হিসাবে দেখতে চেয়েছেন কেউ কেউ।


নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন মহানগর আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, যেহেতু দলীয় প্রতীকে জাহাঙ্গীর মেয়র হয়েছিলো। তাই আমরা আশাবাদী স্থানীয় সরকার তার বিরুদ্ধে দ্রুত একটি ব্যবস্থা নিবে। এরপরেই নতুন মেয়র নির্বাচন হবে। এজন্য অনেকেই ইচ্ছে প্রকাশ করছে। তবে আপাতত তার মেয়র পদ গেলে প্যানেল মেয়রের মাধ্যমে চলবে।

উল্লেখ্য, ৩২৯ দশমিক ৯০ বর্গকিলোমিটার আয়তনের গাজীপুর সিটি করপোরেশন ২০১৩ সালের ১৬ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠিত হয়। ২০১৮ সালে বিপুল ভোটে মেয়র নির্বাচিত হন জাহাঙ্গীর আলম।


হাফ ভাড়া দিতে চাওয়ায় বাসের কন্ট্রাক্টর এক ছাত্রীকে ‘অকথ্য ভাষায়’ গালাগালসহ ধর্ষণের হুমকি দিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। সেই কন্ট্রাক্টরের বিচারসহ তিন দফা দাবিতে রবিবার (২১ নভেম্বর) সড়ক অবরোধ করে আন্দোলন করেছে রাজধানীর বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অভিযুক্তকে আইনের আওতায় না আনা হলে মঙ্গলবার ফের আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

রবিবার (২১ নভেম্বর) সকাল থেকে বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের শিক্ষার্থীরা চানখারপুর, বকশীবাজার ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতল এলাকার সড়কে বিক্ষোভ করেন। তাদের সঙ্গে ইডেন মহিলা কলেজসহ আরো কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা প্রতিবাদে অংশ নেয়।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের এক সহপাঠী ঠিকানা পরিবহনের একটি বাসে করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে আসার সময় হাফ ভাড়া দিতে চাইলে বাসের  কন্ট্রাক্টর এসময় ওই শিক্ষার্থীকে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করেন। এমনকি তাকে ধর্ষণেরও হুমকি দেওয়া হয় বলে তারা অভিযোগ করেন। এর প্রতিবাদে তারা সড়ক অবরোধ করেছেন।

শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, তারা বাসে উঠলে সংরক্ষিত আসন পান না, চলন্ত বাস থেকেই তাদের দ্রুত নামতে বলা হয়, হাফ ভাড়া নেওয়া হয় না। বাস চালকের সহকারী ও কন্ট্রাক্টর সবসময় কথা শোনায়, হয়রানি করে; এসব বন্ধ করতে হবে। হাফ ভাড়া নিতে হবে, বাসে যৌন হয়রানি বন্ধ করতে হবে এবং বাসে ওঠা ও নামার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।’

২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়ে দুপুর ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা আজকের মতো আন্দোলন সমাপ্ত ঘোষণা করেন। দাবি পূরণ না হলে মঙ্গলবার পুনরায় তারা আন্দোলনের ঘোষণা দিয়েছে।

বদরুন্নেসার শারমিন নামে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ঠিকানাসহ সবগুলো পরিবহনের বাসে মেয়েদের হয়রানি করা হয়। আমাদের কোনও আসন দেওয়া হয় না। আবার হাফ ভাড়া দিলে আমাদের অশ্লীল কথা শুনতে হয়।

ডিএমপির চকবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল কাইউম জানান, শিক্ষার্থীরা সড়ক ছেড়ে চলে গেছে। এখন যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে।


বর্তমানে মোবাইলফোন ছাড়া একমুহূর্তও চলে না কারও। যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম এখন এই মোবাইলফোন। আর এ কারণে যখনই প্রয়োজন, তখনই মানুষ মোবাইলফোন থেকে কল দেয়। এছাড়া ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার, হোয়াটসঅ্যাপ, ভাইবার, ইমু, টেলিগ্রামেও কলের ব্যবহার বেড়েছে। কিন্তু সব কলই কি প্রয়োজনে দেয় মানুষ? না। ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, কাজের চেয়ে বেশি কল আসে অকাজের। এমনকি উত্ত্যক্ত করার উদ্দেশ্যেও লোকে হামেশাই কল দেয়। এছাড়া অনেক সময় প্রয়োজনীয় কলের ক্ষেত্রেও বিরতিহীন কল দিয়ে যায় কেউ কেউ। একবারের কলের পর দ্বিতীয়বারের কলের মাঝখানে কোনো সময় নেয় না। এই ধরনের কলে অনেকেই বিরক্ত হন। 

ভুক্তভোগী ও মনোরোগ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যাকে কল দেওয়া হচ্ছে, তিনি কাজে ব্যস্ত থাকতে পারেন, ড্রাইভিং করতে পারেন, কোনো গুরুত্বপূর্ণ মিটিংয়ে থাকতে পারেন, যে সময়ে কল রিসিভ করা কোনোভাবেই সম্ভব হয় না। কেবল নিজের প্রয়োজনকে গুরুত্ব দিতে অন্যকে ক্রমাগত কল দেওয়াও একধরনের মানুষের অভ্যাসে পরিণত হয়েছে। এছাড়া স্রেফ অন্যকে উত্ত্যক্ত করার জন্য কিংবা বিব্রতকর পরিস্থিতিতে ফেলার জন্য কেউ কেউ অহেতুক বিরতিহীন কল দেয়। এই কল দেওয়ার ক্ষেত্রে আবার কেউ কেউ রাতদিন কোনো কিছুই মেনে চলেন না। যেকোনো সময়ই কল দিয়ে বসেন। তাও একবার দুবার নয়, বারবার কল দিয়েই যান। বিষয়টিকে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ও আইনজীবরা অসৌজন্যমূলক আচরণ হিসেবে দেখছেন।  

বিরক্তিকর কলের ব্যাপারে গৃহিণী ফারাহ দিবা বলেন, ‘যদি খুব প্রয়োজনীয় কল না হয়, তাহলে তো অবশ্যই বিরক্তিকর। আর একইসঙ্গে ওয়েটিং অবস্থায় বিরতিহীন কল আসতে থাকলে, ওই মুহূর্তের যার সঙ্গে কথা হচ্ছিল, তার সঙ্গে কথায় মনোযোগ রক্ষা করা সম্ভব হয় না। এক্ষেত্রে প্রায় বিপাকে পড়তে হয়।  কখনো কখনো ফোনকল বা ম্যাসেঞ্জারে বা হোয়াটসঅ্যাপে একসঙ্গে কল চলে আসে।’ 

এই গৃহিণী আরও বলেন, ‘অনেক সময় কারও কল রিসিভ করতে না পারলে পরবর্তী সময়ে আমি ব্যাক করি। কারণ কমিউনিকেশন হচ্ছে মানুষের সঙ্গে রিলেশনের একটা বড় অধ্যায়। সেদিন আমার বাসায় গেস্ট এসেছিলেন, আমি কথা বলছিলাম। ওই সময় আমার একটি গুরুত্বপূর্ণ কল এলে আমি ফোনে কথা বলতে থাকি। ঠিক এই সময়েই হোয়াটসঅ্যাপেও কল চলে এলো। মনে হলো হোয়াটসঅ্যাপের কলটিতে পরে অ্যাটেন্ড করলেও চলবে। আমি গেস্টদের বিদায় দিয়ে পরে হোয়াটসঅ্যাপে কল ব্যাক করি।’

বিনা অনুমতিতে কিংবা আগে থেকে যোগাযোগ নেই এমন ব্যক্তি হঠাৎ ম্যাসেঞ্জার- হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইবার-টেলিগ্রাম-ইমোতে অডিও বা ভিডিও কল আসাকে খুবই বিরক্তিকর বলে মনে করেন ফারাহ দিবা। তিনি বলেন, ‘আমি প্রথমত অপরিচিত লোকের ফোন সেভাবে অ্যাটেন্ডই করি না। অনেকের বেশ ফ্ল্যার্টিং মুডে কথা বলার প্রবণতা থাকে। এটা আমি একেবারেই সহ্য করতে পারি না। আজ ৪৫ বছর বয়স এখন তো প্রশ্নই আসে না। কিন্তু ইয়াং ছিলাম তখনো করতাম না। এটা আমার ভালো লাগে না। আর ভিডিও কল তো অবশ্যই না। পরিচিতদের সঙ্গেই ভিডিও কলে আমি কথা বলতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি না। সেক্ষেত্রে অপরিচিত কেউ হলেতো সেটা অসৌজন্যমূলক।’

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী হাসান ইবনে কামাল বলেন, ‘কাজে ব্যস্ত থাকার সময় বিরতিহীন কল আসতে থাকলে মনোযোগ বিঘ্নিত হয়। এটি আসলেই অনেক বিরক্তিকর।’ বিনা অনুমতিতে কেউ কল করলে কিংবা আগে থেকে যোগাযোগ নেই এমন ব্যক্তিকে হঠাৎ অডিও বা ভিডিও কলকে মোটেও ভালোভাবে দেখি না। পারমিশন ছাড়া ভিডিও কল, সেটা যত ক্লোজ পারসনই হোক, ভালো দেখায় না। আমি হয়তো বা যেকোনো একটা কাজে ব্যস্ত থাকতে পারি। কলার আমার কাছে মেসেজ করে জেনে নিতে পারেন, আমি আগ্রহী কি না। আমি আগ্রহী হলে তিনি কল করতে পারেন। অনুমতি ছাড়া বিষয়টি একদমই পছন্দ করি না।

বিরতিহীন ভয়েস কলের ব্যাপারে গণমাধ্যম কর্মী ইন্দিরা দেবনাথ বলেন, ‘এটা ডিফার করে কে আমাকে কল করছে। এখন আমার বাসা থেকে যদি কল করে কিংবা কাছের কেউ বা বোন, মা; তাহলে আমি চেষ্টা করি কলটা অ্যাটেন্ড করতে। আমি জানি, তারা অপ্রয়োজনীয়ভাবে বারবার কল করবেন না। এছাড়া খুব বেশি মানুষ সাধারণত আমাকে বারবার কল করে না।’

ড্রাইভিংয়ের-সময়-ফোনকল

‘বিনা অনুমতিতে কিংবা অপরিচিত লোকের অডিও-ভিডিও কল পেলে কেমন বোধ করেন?’ এই প্রশ্নের জবাবে ইন্দিরা বলেন, ‘আমার খুব মেজাজ খারাপ হয়। এই বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একবার লিখেছিলামও। সেখানে বলেছিলাম, আমাকে ম্যাসেঞ্জারে কল দিতে হলে অবশ্যই আগে মেসেজ করে অনুমতি নিয়ে নেবেন। আসলে মোবাইল নম্বরটা তো সিলেক্টিভ পিপলের কাছে থাকে। সেক্ষেত্রে কল দেওয়া যেতে পারে। কিন্তু ম্যাসেঞ্জারে আমরা অনেক মানুষের সঙ্গে যুক্ত থাকি। তাই সেখানে সবাই তো অল্প পরিচয়ে আমাকে কল করার অধিকার রাখেন না। কল করাটা খুব বিরক্তিকর।’

ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশলান ইউনিভার্সিটির জার্নালিজম, মিডিয়া অ্যান্ড কমিউনিকেশন বিভাগের হেড আফতাব হোসাইন বলেন, ‘ম্যানার হচ্ছে একবার বা সর্বোচ্চ দুই বার কল দেওয়া। এরপরও যদি কেউ কল না ধরেন,তাহলে ধরে নিতে হবে তিনি ব্যস্ত আছেন। তিনিই আমাকে কলব্যাক করবেন। সবচেয়ে ভালো হয় দ্বিতীয় বার কল না দিয়ে একটি মেসেজ পাঠিয়ে রাখা। কেউ যদি বারবার কল দিতে থাকে, তখন ভীষণ বিরক্ত হই। হয়তো আমি একটা মিটিংয়ে আছি, আমার কাছে বারবার কল আসছে, বিষয়টি বিরক্তিকর।’ কল রিসিভ করতে না পারলে ব্যাক করার প্রসঙ্গে এই শিক্ষক বলেন, ‘আমি যদি মিসডকল দেখি, ব্যাক করি।’ 

বিনা অনুমতিতে কল করা বা অপরিচিত ব্যক্তি কাছ থেকে বিরতিহীন অডিও-ভিডিও কল আসা প্রসেঙ্গ আফতাব হোসাইন বলেন,‘এটা ভীষণই ব্যাড ম্যানার। খুব বাজে একটা অভ্যাস। পারমিশন ছাড়া আমরা কখনোই সোশ্যালমিডিয়ায় ভিডিও বা অডিও কল দিতে পারি না। আমাদের আসলে সোশ্যাল মিডিয়া লিটারেসিটা ভীষণ প্রয়োজন। এটা যে একটা অন্যায় হয়ে যাচ্ছে মনের অজান্তে, এটা জানি না। এই জায়গাটাও কিন্তু আমাদের দরকার, সোশ্যাল মিডিয়াতে আমরা টেক্সট করতে পারি, কল দেওয়ার আগে অনুমতি নিতে পারি। সোশ্যাল মিডিয়ায় অপ্রয়োজনীয় কল অ্যাটেন্ড করি না।’

এই ধরনের অভ্যাস প্রসঙ্গে মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. মেখলা সরকার বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায়, এক রকম ব্যাপার কাজ করে, বারবার কল করার বিষয়ে কলার মনে করে, কোনো কারণে কলটা মিস হয়ে গেছে বা কলটা নোটিস করেনি। যেহেতু প্রয়োজনটা তার, সেহেতু তিনি বারবার নোটিফাই করার চেষ্টা করেন। এ ধরনের একটা মানসিক ব্যাপার থাকে। তারা মনে করেন, বারবার কল দিলে হয়তো অন্যপাশের ব্যক্তিকে পাওয়া যাবে। আবার অনেকের মাঝে একটু উদ্বেগের প্রবণতাও থাকে। যারা একটু বেশি উদ্বেগে ভোগেন, তাদের মাঝে দেখা যায়, যখন ফোনটা তিনি করলেন, তখন মনে হলো যে ফোনটা তার করতেই হবে। যে পর্যন্ত ফোনটা না করতে পারেন বা একসেস করতে না পারেন; সে পর্যন্ত তার মাঝে অস্থিরতা কাজ করে। এই অস্থিরতা বা এনজাইটি থেকেই তিনি বারবার কল দিতে থাকেন। এই এনজাইটির কারণেই আরেকজন ব্যক্তি বিরক্ত হচ্ছেন কি না বা গ্রাহক কোন অবস্থায় আছেন বা বিজি আছেন কি না, সেটা কলার বুঝতে পারেন না। বিশেষ করে যারা অল্পতেই স্ট্রেসআউট হন বা যাদের উদ্বেগজনিত সমস্যা আছে, তারা অনেক সময় বুঝতে পারেন না, তারা কাউকে বিরক্ত করছেন কি না।

অযাচিত-কলে-বিরক্ত

বিনা অনুমতিতে কল দেওয়া কিংবা অপরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে ম্যাসেঞ্জার-হোয়াটসঅ্যাপ-ভাইবার-টেলিগ্রাম-ইমোতে কল দেওয়ার বিষয়ে ডা. মেখলা সরকার বলেন, ‘এটা খারাপ মানসিকতা। আসলে সোশ্যাল মিডিয়ায় কল করার বিষয়টির প্রচলন খুব বেশিদিন হয়নি। এক থেকে দুই বছরের মধ্যে যখন মোবাইল ডাটা ব্যবহারের বিষয়টি এসেছে, তখন থেকে অল্প টাকায় কল করার বিষয়টি চলে এসেছে। এটা যেহেতু খুব বেশিদিন ধরে শুরু হয়নি, তাই এর যে একটা নর্মস থাকে, এটা বেশিরভাগ মানুষই বুঝতে পারে না। অন্য আরেকজনকে ভিডিও কল করলে যে তিনি বিব্রত হতে পারেন বা বিরক্ত হতে পারেন কিংবা তিনি চান কি না, এসব বিষয় বোঝার মানসিকতা অনেক সময়ই অনেকের হয়ে ওঠে না। আর অনেকের মাঝে এ রকম প্রবণতা থাকে, আমার প্রয়োজন আমি কল করবো, আমার যেটা সুবিধা সেটাকেই প্রাধান্য দেই৷ এই ধরনের আচরণের কারণে অন্য কারও যে প্রাইভেসি ক্ষুণ্ন হতে পারে, সেই কাণ্ডজ্ঞানের অভাব আছে আমাদের দেশে। 

আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী দিলরুবা শারমিন বলেন, ‘প্রথম বিষয় হচ্ছে, আমাদের দেশে সোশ্যাল মিডিয়া কিংবা সরাসরি কলের বিষয়ে কোনো আইন নেই। তবে সামাজিক ব্যাপারটা তো আইনেরও ঊর্ধ্বে। আমি একজন আইনজীবী আমার কাছে কল আসতেই পারে। তবে, আমাদের দেশের মেয়েরা মোবাইল নিয়ে খুবই বিড়ম্বনায় থাকে। মোবাইল রিচার্জ করতে গেলেও তারা নানা রকম শ্রীহীন কল পেয়ে থাকেন, একইসঙ্গে আত্মীয় স্বজন তো যেকোনো সময় সময়জ্ঞান নেই, সময়ে-অসময়ে পরিস্থিতি বিবেচনা না করেই কল দিয়ে থাকেন। আননোন নম্বর থেকেও হ্যারেসমেন্টের বিষয়টা তো রয়েছেই। আননোন নম্বর থেকে কল আসার বিষয়টি মেয়েদের কাছে রীতিমতো আতঙ্ক। তবে, আমাদের দেশে এই বিষয়ে কোনো আইন নেই।’

দিলরুবা শারমিন আরও বলেন, ‘মানুষতো চটে যায় শেষ পর্যন্ত। আমার বয়স ৫৩। আমি একজন প্র্যাকটিশনার লইয়ার। আমি যখন একটা মানুষকে কল কেটে দিয়ে মেসেজ করি আমি ব্যস্ত আছি বা কোর্টে আছি, আপনি আমাকে একটু পরে ফোন দেন। তারা বোধহয় মেসেজগুলো খুলেও দেখেন না। কন্টিনিয়াসলি কল দিতেই থাকে। ধরার পর তারা রীতিমতো ঝাড়ি দিয়ে বসেন। বুঝতে চেষ্টা করেন না, আমি রাস্তা পার হচ্ছি, না গাড়িতে উঠছি, না কি গাড়ি থেকে নামছি, কোর্টে আছি নাকি গোসলে আছি নাকি রান্না করছি। আর আননোন নম্বর থেকে কল এলে তারা নিজেদের পরিচয় একেবারেই দিতে চান না; উল্টো তারাই জানতে চান, ‘আপা আপনার নাম কী, বাড়ি কোথায়, দুলাভাই কী করে, বাচ্চারা কী করে?’ এসব তথ্য তারা নেওয়ার চেষ্টা করেন।’’

বিরক্তিকর-কল

এক প্রসঙ্গে জবাবে এই আইনজীবী বলেন, ‘‘আমি আসলে ফোন মিস করলে ব্যাক করি। তবে মাঝে মাঝে বিস্ময়কর ঘটনা ঘটে। আমি পরবর্তী সময়ে কল ব্যাক করলে বলে, ‘আপনি কে, কেন কল করেছেন? আমি আপনাকে চিনতে পারছি না।’ বিভিন্ন বিষয় বলার পর তাদের মনে পড়লে তারা বলেন, ‘ও আচ্ছা অন্য কেউ কল করেছিল আমার ফোন থেকে।’ অনেকে বাচ্চার হাতে মোবাইলফোন দিয়ে রাখেন, বাচ্চারা যখন তখন কল করে থাকেন। এটা পরিচিত মহলও করে থাকে। অপরিচিতরাও।’

‘বিনা অনুমতিতে কল দেওয়া কিংবা অপরিচিত ব্যক্তির কাছ থেকে অডিও-ভিডিও কল পেলে কেমন বোধ করেন?’ এমন প্রশ্নের জবাবে দিলরুবা শারমিন বলেন, ‘বোঝাতেই পারি না, আমার বয়স ৫৩ বছর। আমি দুটি বড় বড় বাচ্চার মা। এখন তো আসলে সবার হাতে হাতে ফোন, অল্প টাকায় টাচ ফোন হওয়ায় সব শ্রেণি-পেশার মানুষের হাতেই মোবাইল ফোন। তাদের সবার আবার ফেসবুকও আছে। ৫ হাজার ফ্রেন্ডের মাঝে সব সময় সবাইকে খেয়াল করাও সম্ভব হয় না।’ তিনি আরও বলেন, ‘অনেকেই মেসেজ দেন, ম্যাডাম আইন বিষয়ে সাহায্যের প্রয়োজন ছিল, নম্বরটা যদি দিতেন। আইনজীবীরা সাহায্য করবে মানুষকে, এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু নম্বর দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কল দেন। আর অপ্রয়োজনীয় বিষয়েও কথা বলেন। আদতে তার কোনো প্রয়োজনই নেই। 


জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে কটূক্তি করার দায়ে দলীয় পদ হারানোর পর আজ শনিবার সকালে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বক্তব্য দেন গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।


গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘আমার বিষয়ে দলীয় সিদ্ধান্তকে রিভিউ করার আবেদন করব।’
জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধকে নিয়ে কটূক্তি করার দায়ে দলীয় পদ হারানোর পর আজ শনিবার সকালে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে একথা বলেন মেয়র।


এ সময় মেয়র অভিযোগ করেন, ‘ছাত্র রাজনীতি করার সময় থেকে একটি প্রতিপক্ষ তার নানাভাবে ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমার ঘরের ভিতরে বসে তিন ঘণ্টার আলাপচারিতাকে খণ্ড খণ্ড করে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।’
মেয়র জাহাঙ্গীর আলম আরও বলেন, ‘আমি কোনো ভুল করিনি তবুও প্রধানমন্ত্রী যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তা মাথা পেতে নিব।’


মেয়র তাঁর আওয়ামী লীগের প্রাথমিক সদস্যপদ ফিরে পাওয়ার আকুতি জানিয়ে বলেন, ‘আমি কোনো অন্যায় করিনি, অপরাধ করিনি। আমি মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক পদ চাই না, বাকি জীবন আওয়ামী লীগের একজন সাধারণ সদস্য ও সমর্থক হয়ে থাকতে চাই।’
বক্তব্য দেওয়ার সময় মেয়র জাহাঙ্গীর আলম কান্নায় ভেঙে পড়লে  উপস্থিত দলীয় নেতাকর্মীরাও আবেগতাড়িত হয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। এ সময় এখানে একটি হৃদয় বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।


এদিকে, জাহাঙ্গীর আলমের বিষয়ে দলের সিদ্ধান্তকে তার অনুসারীরা মেনে নিতে পারছেন না। তারাও নেত্রীর কাছে সিদ্ধান্তটি পুনর্বিবেচনার দাবি জানায়।
উল্লেখ্য, গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় গাজীপুর সিটি করপোরেশনের মেয়র অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের প্রতি কটূক্তির কারণে দলীয় পদ থেকে বহিষ্কারের পাশাপাশি তাঁর প্রাথমিক সদস্যপদও বাতিল করা হয়। একইসঙ্গে তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়।


গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সংসদের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। গণভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্বে ছিলেন।


সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাহাঙ্গীর আলমের একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়ে। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং জেলার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেন। ওই ভিডিওতে মেয়র জাহাঙ্গীরকে মুক্তিযুদ্ধে শহীদের সংখ্যা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করতে শোনা গেছে বলে অভিযোগ ওঠে।
এরপর গত ৩ অক্টোবর দলীয় স্বার্থ-পরিপন্থি কর্মকাণ্ড এবং সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম সরকারকে কারণ দর্শাতে নোটিশ দেয় আওয়ামী লীগ। তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগের জবাব চাওয়া হয়।
জবাবে সন্তোষ্ট না হওয়ায় আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটি জাহাঙ্গীর আলমকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নেয়।


 সব দেশ একবাক্যে স্বীকার করেছে যে রোহিঙ্গারা যেন তাদের দেশে ফেরত যায় বলে মন্তব্য করেছে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

তিনি বলেন, ‘সারা পৃথিবীর সব দেশ, এতদিন ধরে আমরা যেটা প্রচেষ্টা চালিয়েছিলাম, জাতিসঙ্ঘে সব দেশ সর্বসম্মতিক্রমে রেজুলেশন পাস করেছে। এর ফলে আমরা বিশ্বাস করি মিয়ানমারের ওপর আরো চাপ পড়বে তাদের লোকগুলো ফেরত নেয়ার জন্য।’

শনিবার সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সাথে নিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের পর মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. মোমেন বলেন, ‘আশা করা যায় আগামীতে মিয়ানমার তাদের নাগরিকদের ফেরত নিবে। কারণ মিয়ানমার কখনো বলে নাই যে, তারা তাদের নাগরিকদের ফেরত নিবে না।’

তিনি বলেন, ‘তারা আমাদের সাথে এগ্রিমেন্ট করেছে যে তারা তাদের লোকদের নিয়ে যাবে এবং তারা যাতে স্বেচ্ছায় যায় সেজন্য পরিবেশ সৃষ্টি করবে। আমরা আশা করি আগামীতে তারা তাদের কথা রাখবে।’

রোহিঙ্গাদের ফিরে যাওয়ার প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ‘একবার যাওয়া শুরু হলে তাড়াতাড়ি হয়ে যাবে। কারণ ১৯৯২ সালের দিকে ২ লাখ ৫৩ হাজার আসে ছিল, যখন যাওয়া শুরু হয় তখন অল্প কিছু দিনের মধ্যে ২ লাখ ৩৬ হাজার চলে গেল। যখন শুরু হয় যাওয়ার তখন বেশ ভালো যাওয়া হয়। তাই আমরা আশায় আছি একবার যাওয়া শুরু হলে আস্তে আস্তে যাবে।

এদিকে, ভারতে সীমান্তে হত্যা প্রসঙ্গে আব্দুল মোমেন বলেন, এটা খুব দুঃখজনক যে ভারত সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে আমাদেরর প্রধানমন্ত্রী ব্যক্তিগতভাবে আলাপ করেছেন সরকারিভাবে আলাপ করেছেন এবং তারা অঙ্গীকার করেছেন যে সীমান্তে আর একটি লোকও মারা যাবে না। ভারত সরকার ও বাংলাদেশ সরকার উভয় সরকার সীমান্তে একটি লোকও মারা যাচ্ছে, তা কেউই চায় না। বিভিন্ন পর্যায়ে মন্ত্রী পর্যায়ে কিংবা আমাদের বিজিবি পর্যায়ে আলাপ হয়েছে কেউ যাতে না মরে। এবং বলা হয়েছে যে আপনার লেথার ওয়েপন ব্যবহার হবে না। এতে সব হওয়ার পরও দুর্ঘটনা হয়।

তিনি বলেন, এটা আমাদের জন্য দুঃখজনক কাহিনী আর ভারতের জন্যও। ভারত সরকারের এতসব বলার পরও তারা মারে তাদের জন্যও লজ্জার বিষয়। তবে খুশির খবর হচ্ছে সম্প্রতি পঞ্চিমবঙ্গের সাধারণ মানুষ, বুদ্ধিজীবী, সংবাদিক, চলচ্চিত্র এই সবের বিভিন্ন লোকজন একটা দাবি তুলেছে আমার কেউ সীমান্তে মৃত্যু চাই না।

টুঙ্গিপাড়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধের বেদিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান সিলেট মহানগর আওয়ামী লীগের নেতারা। এসময় তারা ’৭৫-এর ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধু ও তার পরিবারের শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মোনাজাত করেন। এসময় স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নেওয়ার অনুমতি না পেলে সংসদ থেকে দলীয় সদস্যরা পদত্যাগ করতে পারেন। দলটির একাধিক নীতিনির্ধারকদের সঙ্গে কথা বলে এমনই ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।

তারা জানান, সংরক্ষিত নারী আসনসহ বিএনপির সাতজন সংসদ সদস্য (এমপি) রয়েছেন। দলের চেয়ারপারসনের শারীরিক অবস্থা এখন চরম খারাপ। যা নিয়ে তৃণমূলসহ কেন্দ্রীয় নেতারা উদ্বিগ্ন।

এ অবস্থায় সরকার মানবিক বিবেচনায় বিদেশে সুচিকিৎসার অনুমতি দেবে বলে সবার প্রত্যাশা। তা না হলে কঠোর কর্মসূচির বাইরেও সংসদ থেকে দলীয় সদস্যদের পদত্যাগের কথা চিন্তা করা হচ্ছে।

জাতীয় সংসদে বৃহস্পতিবার পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে বিএনপির সংসদ সদস্য জিএম সিরাজ খালেদা জিয়াকে মানবিক দিক বিবেচনায় দু-এক দিনের মধ্যে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর দাবি জানান।

এ সময় তিনি বলেন, বিএনপির ছয়জন (সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য ছাড়া) এ সংসদে আছেন। আওয়ামী লীগের বন্ধুরা বলেন, এটা এ পার্লামেন্টের জন্য অলংকার। তাই বলতে চাই, আমাদের সংসদ নেতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, যদি আমরা সত্যি সত্যি অলংকারই হয়ে থাকি তাহলে পার্লামেন্ট অলংকারবিহীন করবেন না। এ কারণে আমাদের দলীয় সিদ্ধান্তে এমনও হতে পারে, ম্যাডাম (খালেদা জিয়া) যদি চরম অবস্থায় চলে যান, তাহলে হয়তো এ পার্লামেন্টে আমাদের থাকা সম্ভব নাও হতে পারে।

বিএনপি সূত্র জানায়, শনিবার স্থায়ী কমিটির বৈঠকে দলীয় চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসার সবশেষ অবস্থা সম্পর্কে অবহিত করেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বৈঠকে খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে পাঠানো দরকার-মেডিকেল বোর্ডের এমন পরামর্শের কথা তুলে ধরা হয়। একইসঙ্গে বিদেশে নিতে পরিবারের আবেদনের বিষয়েও অবহিত করা হয়। এ সময় নেতারা বিদেশে নেওয়ার ব্যাপারে সরকার থেকে অনুমতি পাওয়া ও না পাওয়া-দুটি দিক নিয়েই আলোচনা করেন।

দলীয় প্রধানের শারীরিক অবস্থা বিবেচনা করে সরকার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেবে বলে প্রত্যাশা করেন নেতারা। অনুমতি না দেওয়া হলে কর্মসূচির পাশাপাশি সংসদে থাকা দলীয় সদস্যদের পদত্যাগের বিষয়টি বৈঠকে উঠে আসে।

কিন্তু বিদেশে চিকিৎসার ব্যাপারে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য বিএনপির সিনিয়র নেতাদের কাছে অপ্রত্যাশিত ছিল। পরে করণীয় নিয়ে রাতে বেশ কয়েকজন নেতার সঙ্গে কথা বলেন দলটির হাইকমান্ড।

নেতারা সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টির জন্য কঠোর কর্মসূচিসহ দলীয় সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের বিষয়ে পরামর্শ দেন। একই সঙ্গে সরকারের সঙ্গে তার (খালেদা জিয়া) পরিবারের সদস্যদের আরও আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

একাদশ জাতীয় সংসদে বিএনপির সংদস্যরা হলেন-উকিল আব্দুস সাত্তার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২), হারুনুর রশীদ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩), আমিনুল ইসলাম (চাঁপাইনবাবগঞ্জ-২), মোশাররফ হোসেন (বগুড়া-৪), জাহিদুর রহমান (ঠাকুরগাঁও-৩) ও গোলাম মোহাম্মদ (জিএম) সিরাজ (বগুড়া-৬)। এছাড়া সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির একমাত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা।

হারুনুর রশীদ যুগান্তরকে বলেন, পদত্যাগের বিষয়ে সংসদে দেওয়া জিএম সিরাজের বক্তব্যের সঙ্গে আমরা সব সংসদ সদস্য একমত। ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) মুক্তি ও সুচিকিৎসা নিয়ে তার পরিবার ও দল থেকে বারবার দাবি জানিয়ে আসছে। কিন্তু সরকার তা কৌশলে এড়িয়ে যাচ্ছে। বিএনপি চেয়ারপারসনের কোনো দুর্ঘটনা ঘটলে এর দায়-দায়িত্ব সরকারের ওপর পড়বে। তখন পার্লামেন্ট থেকে আমরা বেরিয়ে যেতে পারি।

মোশাররফ হোসেন বলেন, দল যদি চায় আমাকে পদত্যাগ করতে হবে, আমি করব। এটা তো আমাদের নৈতিক দায়িত্ব। দেশনেত্রী খালেদা জিয়া আমাদের আবেগের জায়গা। আমরা পার্লামেন্টে থেকেও ম্যাডামের চিকিৎসার সুযোগ দেওয়ার আবেদন করেছি। সেই সুযোগটুকু তারা দিচ্ছেন না। বিএনপির সংসদ সদস্যরা সবাই মিলে পদত্যাগ করতে পারেন।

তিনি বলেন, ম্যাডামের (খালেদা জিয়া) মুক্তি ও চিকিৎসা নিয়ে সংসদে বারবার কথা বলেছি। এও বলেছি, এত মানবতা দেখিয়েছেন, আরেকটু মানবতা দেখিয়ে অন্ততপক্ষে সুচিকিৎসাটা দেন। চিকিৎসা তো একটা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। তিনি (খালেদা জিয়া) নারী নেত্রী, তিনবারের প্রধানমন্ত্রী।

বর্তমান প্রধানমন্ত্রী যে চেয়ারে বসেন, ওই একই চেয়ারে দেশনেত্রী বসতেন। তাদের অনেকেরই যখন চিকিৎসা দরকার হয়, তখন বিদেশ থেকে চার্টার প্লেন এনে নেওয়া হচ্ছে। আর ম্যাডামকে মুক্তি দেওয়ার অর্থ তো আক্ষরিক অর্থে মুক্তি নয়। তিনি অত্যন্ত অসুস্থ। তাকে অন্তত সুচিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানো উচিত। বিএনপি তো ছোট দল নয় যে দলীয় চেয়ারপারসন চলে গেলে আর দেশে আসবেন না।

 

দেশে এক দিনে আরও ২৪৪ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়েছে; মারা গেছেন ৫ জন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত শনাক্ত নতুন রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত শনাক্ত কোভিড রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৭৩ হাজার ৪৫৮ জনে। তাদের মধ্যে ২৭ হাজার ৯৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে ২৪ ঘণ্টায় সেরে উঠেছেন ২৯৪ জন। তাদের নিয়ে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে উঠলেন ১৫ লাখ ৩৭ হাজার ৫১৮ জন।

এই তথ্য অনুযায়ী, দেশে এখন সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ১ জন। অর্থাৎ, জানা হিসেবে এই সংখ্যক মানুষ এখন করোনাভাইরাস সংক্রমিত অবস্থায় রয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তদের মধ্যে ১৭৯ জনই ঢাকা বিভাগের যা মোট আক্রান্তের তিন চতুর্থাংশ। দেশের ৩৪টি জেলায় গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন কোনো রোগী শনাক্ত হয়নি।

যারা মারা গেছেন তাদের মধ্যে ৩ জন ঢাকা বিভাগের, ১ জন চট্টগ্রাম বিভাগের এবং ১ জন রংপুর বিভাগের। বাকি পাঁচব বিভাগে কারও মৃত্যু হয়নি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত এক দিনে সারা দেশে মোট ১৯ হাজার ৫০৭টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এ পর্যন্ত পরীক্ষা হয়েছে ১ কোটি ৬ লাখ ৭৩ হাজার ৪৩১টি নমুনা।

গত ২৪ ঘণ্টায় নমুনা পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ১ দশমিক ২৫ শতাংশ, যা আগেরদিন ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ ছিল।

এ পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ১৪ দশমিক ৭৪ শতাংশ। শনাক্ত অনুযায়ী মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় যারা মারা গেছেন তাদের ৫ জনই পুরুষ। তাদের এক জনের বয়স ছিল ৭০ বছরের বেশি, তিনজনের বয়স ছিল ৫১ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে। আর একজনের বয়স ৩১ থেকে ৪১ বছরের মধ্যে ছিল।

তাদের সবাই সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে।

বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের প্রথম সংক্রমণ ধরা পড়েছিল গত বছরের ৮ মার্চ। গত ৩১ অগাস্ট তা ১৫ লাখ পেরিয়ে যায়। এর আগে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ব্যাপক বিস্তারের মধ্যে ২৮ জুলাই দেশে রেকর্ড ১৬ হাজার ২৩০ জন নতুন রোগী শনাক্ত হয়।

প্রথম রোগী শনাক্তের ১০ দিন পর গত বছরের ১৮ মার্চ দেশে প্রথম মৃত্যুর তথ্য নিশ্চিত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। এ বছর ১৪ সেপ্টেম্বর তা ২৭ হাজার ছাড়িয়ে যায়। তার আগে ৫ অগাস্ট ও ১০ অগাস্ট ২৬৪ জন করে মৃত্যুর খবর আসে, যা মহামারীর মধ্যে এক দিনের সর্বোচ্চ সংখ্যা।

বিশ্বে করোনাভাইরাসে মৃতের সংখ্যা ইতোমধ্যে ৫১ লাখ ২২ হাজার ছাড়িয়েছে। আর শনাক্ত হয়েছে ২৫ কোটি ৪৯ লাখের বেশি রোগী।



শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ হতে যাচ্ছে শুক্রবার (১৯ নভেম্বর)। বাংলাদেশ থেকেও এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে।

নাসার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, শুক্রবার বিকেল ৫টা ১২ থেকে ২৭ মিনিটের মধ্যে এই চন্দ্রগ্রহণ শুরু হতে পারে। এটি চলবে সন্ধ্যা ৬টা ৩ মিনিট পর্যন্ত।

জানা গেছে, ঢাকায় বিকেল ৫টা ১৩ মিনিট, ময়মনসিংহে ৫টা ১১ মিনিট, চট্টগ্রামে ৫টা ১০ মিনিট, সিলেটে ৫টা ৫ মিনিট, খুলনায় ৫টা ১৮ মিনিট, বরিশালে ৫টা ১৫ মিনিট, রাজশাহীতে ৫টা ১৯ মিনিট এবং রংপুরে ৫টা ১৪ মিনিট থেকে চন্দ্রগ্রহণ দেখা যেতে পারে।

পৃথিবীর ছায়া চাঁদের ওপরে পড়ায় শুরু হবে গ্রহণ। এই মহাজাগতিক দৃশ্য দেখা যাবে উত্তর আমেরিকা, দক্ষিণ আমেরিকা, পূর্ব এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের একাংশে। তবে পূর্ণগ্রাস নয়, এই গ্রহণ হবে আংশিক। ঢাকা পড়বে চাঁদের ৯৭ শতাংশ।

গ্রহণ সবচেয়ে ভালো দেখা যাবে উত্তর আমেরিকা থেকে। আমেরিকার ৫০টি প্রদেশ ও মেক্সিকো থেকে গ্রহণের প্রতিটি মুহূর্তের সাক্ষী থাকতে পারবেন মহাকাশপ্রেমীরা। এছাড়াও অস্ট্রেলিয়া, পূর্ব এশিয়া, উত্তর ইউরোপ এবং প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল থেকেও দেখা যাবে এই চন্দ্রগ্রহণ।

২০০১ থেকে ২১০০ সালের মধ্যে এটাই হতে চলেছে এই শতাব্দীর দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। এই ১০ বছরে মোট ২২৮টি চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। এর মধ্যে অনেক ক্ষেত্রেই এক মাসের মধ্যে দুটি করে চন্দ্রগ্রহণ হবে। এমনকি, তিনটি গ্রহণও হবে কোনো কোনো ক্ষেত্রে।  

যোগাযোগ ফর্ম

নাম

ইমেল *

বার্তা *

Blogger দ্বারা পরিচালিত.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget